ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

আমরা কতটুকু বাঙালিয়ানা হতে পেরেছি

বিপ্লব বড়ুয়া:
১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১৪:৩৮

শুভ নববর্ষ। বাংলা ১৪৩১। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি আদৌ কী সর্বজনীন হতে পেরেছে ? বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ঘুরলে দেখা যাবে আমরা বাঙালিদের মধ্যে কতো রকম ভাষা সংস্কৃতি বিদ্যমান। এটি হচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যের একটা বড় সংস্কৃতি। পৃথিবীর সব দেশে নিজস্ব ভাষাভাষি মানুষেরা তাদের প্রধান দিনকে কেন্দ্র করে কী যে উৎসব-আনন্দের আয়োজন করে, সেটি আমরা আজকাল স্যাটেলাইটের পর্দায় চোখ ফিরালে মুহুর্তে দেখতে পাই। ভাষা ও সংস্কৃতির দিনটাকে কতো রকম বিচিত্র উৎসবের মধ্যে পালন করছে। অথচ, বিশ্বে বাংলা ভাষার জন্মটা এমনভাবে হয়েছে তার মর্যাদা রক্ষায় একসময় বাঙালিরা রক্ত দিয়েছে, প্রাণ দিয়েছে। কিন্তু সে মর্যাদা বা শ্রদ্ধা কোনোটাই কি আমরা বাঙালিরা অক্ষুন্ন রাখতে পারছি। আচ্ছা, আমি ভাষার কথা বাদ দিলাম পহেলা বৈশাখ তো বাঙালির নববর্ষ। বাংলাভাষায় আমরা যারা কথা বলি প্রাণের এই দিনের তাৎপর্যটা আরো ব্যাপকতর হওয়া উচিত নয় কি? নববর্ষের দিন পান্তাভাত আর ইলিশ, লাল-সাদা শাড়ি-পাঞ্জাবি পড়লেই কী আমরা বাঙালি হয়ে গেলাম ? এটাই কী বাঙালিয়ানার মহত্ত্বতা ? আমরা কী চলাফেরা, আচার-আচরণে, অফিস-আদালতে বাঙালিয়ানা হতে পেরেছি ? বছরে এই একদিন বাদে বাংলা মাস, সন ও তারিখের কথা কী কেউ মনে রাখে? বাংলা সন ও মাসের প্রতি এটি একরকম চরম দৈন্যতা-হীনমন্যতা। বাঙালির জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপনেও এক শ্রেণির ধর্মান্ধগোষ্ঠি রং মিশিয়েছে। সাম্প্রদায়িকতার ছোবল থেকে বাংলার সংস্কৃতি পুরোপুরি এখনো মুক্ত হতে পারেনি।

আমরা যখন গ্রামে বাস করতাম সে সময়ের জীবনযাপন কতো সহজ-সরল ছিল। মাটির সোঁদা গন্ধে খালে-বিলে, হাটে-মাঠে-ঘাটে, দাপিয়ে বেরিয়েছি সেই গ্রাম্য দিন এখন আর নেই। নববর্ষ আসতো সূর্যখোলার মেলা, চক্রশালার মেলায়, দারোগা হাটের গরুর লড়াই দেখতে বন্ধুরা দল বেঁধে ছুটে যেতাম। তখনের সময়টা সত্যিই এক অন্যরকম উপভোগ্য ছিল। পাড়া প্রতিবেশিদের নিয়ে মেলায় কতোই না আনন্দ করতাম। দুই-চার মাইল হেঁটে যেতে যেতে কত রকম আনন্দে শরিক হতাম তা বলা বাহুল্য। ঘরে মা’য়েরা খৈ, মুড়ি, মোয়া-নাড়ু বানাতেন আর আমরা ভাই-বোনেরা চেরাগ বাতির আলোয় বসে বসে এগুলো দেখতাম, খেতাম। নববর্ষের আগমনকে কেন্দ্র করে মঙ্গল কামনায় বাড়ির উঠোনে জাঁক দেওয়া হতো। জাঁকের মধ্যে আগুন দিয়ে গোল করে ঘুরে ঘুরে “ জাঁক জাঁক জাঁক আঁরঅ ঘর-অত জাঁক/ টেঁয়া পইসা ধন-দৌলত আঁরঅ ঘর-অত জাঁক/ সুন্দর সুন্দর বৌ, ঝি অল আঁরো ঘর-অত জাঁক। এই আঞ্চলিক ভাষার মজার গীতটি তখন প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে শোনা যেতো। ব্যবসায়িরা হাল খাতা করতো। পদে পদে মিষ্টির পসরা বসতো। পুরনো বছরের শেষ তিন দিন ধরে জাঁক দেওয়ার রীতি প্রচলন আছে। এখনো গ্রামগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়। জাঁক দেওয়ার উপকরণঃ কেয়াপাতা, কেঁডামালিশ, বিষকাডালি, আমইষ এবং বিভিন্ন খরকুটু ।

চট্টগ্রামের বিশিস্ট নাট্যব্যক্তিত্ব সুচরিত চৌধুরী টিংকু বলেন, জাঁক থেকে যে আগুনের ধোঁয়া বের হতো এই ধোঁয়াগুলো গায়ে লাগালে বিভিন্ন রকমের চর্মরোগ থেকে মুক্তি মিলতো বলে লোকেমুখে প্রবাদ আছে। তিনদিন ধরে সকাল-সন্ধ্যা জ্বালানোর পর নববর্ষের প্রথম দিন সূর্য্য উঠার আগে পানিতে চাইগুলো বিসর্জন দেওয়া হয়। বছরের শেষ দিনে সরিষা, কাঁচা হলুদ ও ঘাটঘিলা দিয়ে পরিবারের মানুষ থেকে পশুপ্রাণি সকলে গায়ে লাগিয়ে স্নান করে। নিমপাতা মুখে দিতো, রান্না করা হতো আডোরা। আডোরা অর্থাৎ কমপক্ষে ১৮ টি স্বব্জির পদ দিয়ে তরকারি রান্না করা, এই তরকারিকে পাঁচনও বলা হয়।

অধ্যাপক জীবন বনিক বলেন, চৈত্র সংক্রান্তির সকালে শত্রু কাটা করা হয়। তিনি বলেন, এটি মূলত অঞ্চল ভেদে ভিন্ন প্রকৃতির হয়ে থাকে। আমাদের সন্দ্বীপের গ্রামাঞ্চলে নতুন কাপড় পরে খালি পেটে লৌহজাত হালকা ছুরি বা কাঁচি দিয়ে বাড়ির দরজার মুখে ডান হাতে ছুরি দিয়ে মাটিকে কর্তন করবে আর বাম হাতে তার উপর খৈ ছিটিয়ে দিয়ে শত্রু, দুশমন, বিপদ-আপদ, জরা-ব্যাধি মুলকঅপশত্রুকে ধ্বংস করার মধ্যে দিয়ে পর্ব শেষ হয়। (এক্ষেত্রে খৈকে অপদেবতার খোরাক কিংবা ভাল অর্থে ফুল বিবেচনা করা হয়। যা দিয়ে বাড়ির আঙ্গিনা থেকে সমস্থ রকমের অপদেবতা থেকে মুক্ত থাকার জন্য করা হয়)। কীযে অসাধারণ সময় কাটাতাম, সেই দিন কী আর ফিরে আসবে ? দিন হারিয়েগেছে। আজকাল আমাদের সন্তানরা সেই অনাবিল সৌন্দর্য্য গ্রামীন সংস্কৃতির কিঞ্চিত পরিমানও অনুভব করতে পারছে না। তাই আমাদের প্রজন্ম আর আমাদের সন্তানদের প্রজন্মের মধ্যে দেশাত্ববোধ, মায়া, মমতা, উচ্ছাসের মধ্যে বি¯তর ফারাক তৈরি হয়েছে। একারণেই নবপ্রজন্মের সন্তানদের মধ্যে দেশের প্রতি মমত্ববোধ ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে আমাদের মধ্যে মতভেদ,মতদ্বৈধতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা একটি দেশের ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য সবচেয়ে বড় সংকট।

বাংলা ভাষা ও বাঙালির উৎসব ঘনিয়ে আসলে দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলোকে ঘটা করে ইংরেজি ভাষার সাইনবোর্ড টানাটানি করে নামিয়ে হাজার হাজার টাকা জরিমানা করতে দেখি। সপ্তাহ পার না হতেই আবার যেই সেই-। এটি দিয়ে আমাদের কী হচ্ছে ? যতদিন না আমাদের হৃদয়ের মানসিকতা পরিবর্তন হবে না, শুধু মাত্র সাইনবোর্ড নামিয়ে কী মানুষের মনের পরিবর্তন করা যাবে ? আমি মনেকরি এই পরিবর্তনের জন্য সরকারের সরাসরি পৃষ্টপোষকতা প্রয়োজন। সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তাগিদ বাড়াতে হবে জোরেশোরে। বিশেষ করে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি চর্চার সাথে দেশের সীমানাজুড়ে যে সব সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো কাজ করছে তাদের প্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের ওপর জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অধীনে দেশব্যাপী যে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় বেশ কয়েক বছর থেকে দেখে আসছি বাঙালির উৎসব আয়োজনে তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারছে বলে মনে হয় না। সেখানে আমলাতান্ত্রিকতার কারণে আয়োজন হয় ঢিলেঢালাভাবে। দেশের প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে যদি সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত সংগঠনগুলোর তালিকা প্রনয়ন করে যদি সংগঠিত করা যায় এবং এ বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা প্রদান করা গেলে নববর্ষের সাংস্কৃতিক চর্চার প্রচার ও প্রসার বহুগুণ বেড়ে যেতো বলে মুক্তবুদ্ধির চর্চার সাথে জড়িতরা মনে করেন।

সেদিন আমার হাতে হাইকোর্টের একটি মামলার কপি আসে। আমি দেখেতো অবাক! এটি পড়ে খুব বেশি আত্মস্থ হতে পারিনি। এমনিতে আইন সম্পর্কে অজ্ঞ, তদুপরি সেই আইনের ভাষা প্রয়োগ ও বর্ণনা নিয়ে আমার মধ্যে কিছুটা বিরক্তি আছে। আমরা যেভাবে লিখি, সেরকম কিন্তু আইনের ভাষা লেখা হয় না। আইনের ফাঁকফোকরে পরে নিঃস্ব হয়নি মামলায় যারা একবার জড়িত হয়েছে তারা হারে হারে টের পেয়েছে। আইনের ভাষাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য নয়। আমার কাছে মনে হয় আইনে যেমন মারপ্যাঁচ আছে তাদের লেখা ও ভাষার মধ্যেও যেন প্যাঁচের প্যাঁচের গন্ধ খুঁজে পাই। অবশ্য ২০১২ সালে আমাকে একবার একটি লেখার জন্য মামলায় জড়াতে হয়েছিল। তবে একথা ঠিক যে, আমাকে অতটুকু ঝামেলা পোহাতে হয়নি। যা করেছে আমার এক শ্রদ্ধেয় উকিল বাবুই করে নিয়েছে। তাঁকে আমি যথাযথভাবে স্মরণ করছি, তিনি এখনো এই আইন পেশায় সততার সহিত নিজের অবস্থান অক্ষুন্ন রাখতে পেরেছেন। চট্টগ্রাম বারের সিনিয়র এডভোকেট দীপক কুমার বড়ুয়া’র কাছে যারপর নাই আমি ঋণী। উনার বদান্যতায় সে সময় সমস্ত ঝুটঝামেলা থেকে আমি রক্ষা পেয়েছি। যা হোক, ফিরি আসি মুল প্রসঙ্গে- গত দুই সপ্তাহ আগে হাইকোর্ট থেকে একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার রুল জারি করা হয়। হাইকোর্ট থেকে দেওয়া বিচারপতির রায়টি ছিল ইংরেজিতে। বললাম, এমনি আইনি ভাষা নিয়ে আমার মনে নানা সংশয় সংকট আছে তার ওপর আবার ইংরেজিতে এই রায়টি আমি কোনোভাবে আত্মস্থ করতে পারছি না-। এই যে ভাষার সংকট। এগুলো দূর করবে কে ? এর জন্য দায়ী কারা! এই যে আইনি ভাষা আবার তার ওপর ইংরেজি লেখা রুলটি সম্পর্কে খুব বেশি জ্ঞাত না হয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া রুলের মধ্যে জোর করে স্থান দখল করে নেয় একটি পক্ষ। পরে বুঝতে পারে তারা রায়ের দেওয়া ইংরেজি নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে পুরোপরো ওয়াকিবহাল ছিলেন না। এরপর তাদের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে সেই দিকে আমি আর গেলাম না। এভাবে দেশে ইংরেজিতে দেওয়া রায় নিয়ে কত মানুষ যে সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছে সে খবর কি কেউ রাখেন ? বাংলাতে কেন আইনের রায় লেখা হচ্ছে না। বাংলা সংস্কৃতিকে প্রাণের সংস্কৃতি, মায়ের সংস্কৃতি বলে শুধু মুখে আওড়ালে হবে ? তার প্রতিকারটা কে করবে ? তার ভিত্তিটা যদি মুজবুত না হয় পহেলা বৈশাখের আবেদন কিসের ওপর টিকে থাকবে। আসুন, আমরা সত্যিকার অর্থে দেশকে ভালোবাসি, দেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধির লক্ষে শপথ নিই, শুধু একদিনের জন্য বাঙালি হওয়ার কথা না ভেবে বছরের ৩৬৫ দিনের জন্য ভাবি, তাহলে দেশে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বৈচিত্রময় সংস্কৃতিতে এগিয়ে যাবে। তবেই আমরা সত্যিকার অর্থে বাঙালিয়ানা হতে পারবো।

লেখক : সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক

আমার বার্তা/বিপ্লব বড়ুয়া/এমই

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনে চীন ও ইইউ

দুই বছর আগেই বিশ্বজুড়ে চীনের প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে ৩০ হাজার কোটি ইউরোর বিশাল বৈশ্বিক বিনিয়োগ

সাহিত্য-সমাজ ও সংস্কৃতির পুরোধা কাজী নজরুল ইসলাম

কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬)  বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের

ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যু ও দুই শিবিরের প্রতিক্রিয়া

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর দেশটির সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

বাংলাদেশের তৃণমূলের আর্থিক উন্নয়ন অগ্রগামী

অর্থনৈতিক সাফল্য একটি জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে জাতির অর্থনৈতিক ভিত্তি যত শক্তিশালী, সে জাতি
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ন্যায়বিচার পাওয়া মানুষের সাংবিধানিক অধিকার: প্রধান বিচারপতি

‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেন ১০৪ জন

এমপি আনারের হত্যাকারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের জন্য নদীর ভূমিকা মানুষের শিরা-উপশিরার মত

দুই-তিন মাস ধরে এমপি আনারকে খুনের পরিকল্পনা হয়

নৌপথে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

মেক্সিকোতে নির্বাচনী প্রচারণার মঞ্চ ভেঙে শিশুসহ নিহত ৯

সরকারের এই নীতি কর্তৃত্ববাদী শাসনের চরম দৃষ্টান্ত: রিজভী

আনার অপকর্মে জড়িত কি না তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের

নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে রাইসিকে

ফিলিস্তিনকে 'একতরফা স্বীকৃতি' দেওয়ায় বাইডেনের বিরোধিতা

অবশেষে ট্রাম্পকেই সমর্থন দিলেন নিকি হ্যালি

ভিয়েতনামের নতুন প্রেসিডেন্ট তো লাম

‘দণ্ড মাথায় নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ আইনের দৃষ্টিতে সমীচীন নয়’

খোলামেলা ফটোশুটে প্রিয়াঙ্কার উত্তাপ

বাংলাদেশ ব্যাংক সমবায় সমিতিতে পরিণত হয়েছে: ড. সালেহ উদ্দিন

এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত কে এই শিলাস্তি রহমান

শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োগ নিয়ে সতর্ক জাতিসংঘ

ইরানের রাষ্ট্রদূতের কার্যালয়ে গিয়ে শোক প্রকাশ করলেন ফখরুল

কারও কোনো ক্ষতি করিনি, চেষ্টাও করিনি: ড. ইউনূস