উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিদেশি ঋণনির্ভর প্রকল্পগুলোতে অর্থছাড় কমে গেলেও, বাড়ছে আগের নেয়া ঋণ পরিশোধের চাপ।
বিদেশি ঋণ আসার চেয়ে বাড়ছে পরিশোধের চাপ।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ- ইআরডির হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য, গেল জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ বাবদ ব্যয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে আসল ৩২ কোটি ৭৭ লাখ ডলার আর ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে সুদ পরিশোধে। মোট হিসাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় বিদেশি ঋণ পরিশোধ ব্যয় বেড়েছে ১৬ শতাংশ।
জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় বাড়লেও কমেছে অর্থছাড়ের পরিমাণ। এসময়ে বিদেশি ঋণ ছাড় হয়েছে ২০ কোটি ২৭ লাখ ডলার। যা গেল বছরের তুলনায় ৪৩ শতাংশ কম।
ঋণ ছাড় কমলেও, বড় ব্যবধানে বেড়েছে বাংলাদেশকে দেয়া ঋণ ও অনুদান প্রতিশ্রুতি। জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের, যা গত অর্থবছরের প্রথম মাসে ছিল ১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার।
ইআরডির তথ্য, গেল বছরের মতোই চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসেও খাদ্য সহায়তা বাবদ মেলেনি কোন অর্থছাড় কিংবা ঋণ ও অনুদান প্রতিশ্রুতি।
আমার বার্তা/এল/এমই