
মোহামেডানের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের নিষেধাজ্ঞা এক ম্যাচ কমানোর প্রতিবাদে ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল বিসিবির চুক্তি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। যদিও সেদিন তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি বিসিবি। সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ছিলেন আম্পায়ার্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু। এক বছর নিয়মিত বেতনও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অথচ এক বছর পর ২০২৬ সালের এপ্রিলে কার্যকর করা হয় আম্পায়ার সৈকতের পদত্যাগ।
গতকাল রোববার এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন আইসিসির এ এলিট আম্পায়ার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একজন আম্পায়ার ও একজন ম্যাচ রেফারির পরামর্শ ছিল। এক বছর পর পদত্যাগ কার্যকর করার ঘটনা দেশের ক্রিকেটে অভিনব সিদ্ধান্ত বলে জানান একজন সাবেক পরিচালক। নজিরবিহীন এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ জানার চেষ্টা করে ফোনে পাওয়া যায়নি বিসিবি সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরীকে। ফোনে পাওয়া যায়নি আম্পায়ার্স বিভাগের ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল নোমান অভিকেও।
আইসিসির এলিট আম্পায়ার সৈকত ম্যাচ পরিচালনা করেন দেশের ক্রিকেটেও। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, এনসিএল, বিসিএল, বিপিএল ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ জন্য সর্বোচ্চ সম্মানী দেওয়া হতো তাঁকে। সম্মান দেখিয়ে চুক্তিতেও রাখা হয়েছিল দেশের একমাত্র এলিট আম্পায়ারকে। সে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় বিসিবির সঙ্গে সৈকতের কোনো চুক্তির সম্পর্ক থাকল না।
জাতীয় দলের সাবেক এ ক্রিকেটারকে আম্পায়ারদের প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে চেয়েছিলেন বিসিবি আম্পায়ার্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান। ক্রিকেট বোর্ডের পট পরিবর্তন হওয়ায় সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। বিসিবির বর্তমান নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদও সৈকতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।
আমার বার্তা/এমই

