
শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল সংলগ্ন সড়কে পুলিশ ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করছে ইনকিলাব মঞ্চ। অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনেও দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে অবস্থান কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন সংগঠনের নেতাকর্মী ও শহীদ হাদির পরিবারের সদস্যরা।
আজ (শুক্রবার) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনার সামনে উভয় পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়েও পুলিশ ব্যারিকেড দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
যমুনার সামনে রয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন আন্দোলনকারী অবস্থান করছেন।
এদিকে নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরে অবস্থান ঘিরে সকাল থেকে সেখানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে দুপুর ১টার দিকে তাদের যমুনার সামনে থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ওসমান হাদি হত্যার বিচার চেয়ে তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা ছেলে ফিরনাস বিন ওসমানকে নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন ঢাকা-৮ আসনের স্বত্রন্ত্র প্রার্থী এবং রাজনৈতিক আন্দোলন ‘ইনকিলাব মঞ্চে’র মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হসপিটালে (এসজিএইচ) নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি৷
আমার বার্তা/জেএইচ

