ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

এমপি আনার খুনের নেপথ্য মাস্টারমাইন্ড আসলে কে ?

কলকাতায় এমপি আনার খুন, লাশের হদিস মেলেনি এখনো
শাহীন আলম
২৫ মে ২০২৪, ১০:৫৮

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড যে আসলে কে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে। আর হত্যাকাণ্ডর পর একের পর এক যেসব তথ্য আসছে তাতে সৃষ্টি হয়েছে বড় ধরনের একটা গোলকধাঁধাও। খুনের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে দেশে গ্রেপ্তার হয়েছে তিন জন, ভারতেও একজন। পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা খুনের কথা স্বীকার করে লাশ গুমের লোমহর্ষক বর্ণনা দিচ্ছে। জিহাদ, আমান ওরফে শিমুল, শিলাস্তি আর তানভীর ওরফে ফয়সালের সাথে ও নেপথ্যে আর কারা রয়েছেন তা এখনো স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি।

এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আমেরিকা প্রবাসী ও আমানের বাল্যবন্ধু বা আন্ডারওয়ার্ল্ড ব্যবসার পার্টনার আখতারুজ্জামান শাহীন ছাড়াও শোনা যাচ্ছে আরও বেশ কয়েকজন রাঘব-বোয়ালের নাম। খুনির সংখ্যা যে কজনই হোক না কেন এর নেপথ্যে কাজ করেছে একাধিক মাস্টারমাইন্ড। বিষয়টি ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থাও। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করছে না কেউ। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, এটা কি শুধুমাত্র তদন্তের স্বার্থেই গোপন রাখা হচ্ছে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে।

বিভিন্ন সূত্র সন্দেহ করছে, এই এমপি হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে অতি পরিচিত একটি ডায়মন্ড ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের নামও শোনা যাচ্ছে।

একই সূত্র বলছে, এক সময় এমপি আনার এবং দিকু দা নামের ওই ডায়মন্ড ব্যবসার মালিক দুজন মিলেই ডায়মন্ড আর স্বর্ণের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। পরে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে দিকু দা নিজেই ডায়মন্ড ব্যবসার একটি পৃথক প্রতিষ্ঠান খুলেন। বর্তমানে বাংলাদেশে এই ডায়মন্ড ব্যবসা শীর্ষ পর্যায়ে আছে। এমপি আনার ভারতে তার বন্ধু যে গোপালের বাসায় উঠেছিলেন তার সঙ্গেও দিকুদা’র সখ্যতা রয়েছে। সবকিছু মিলে সন্দেহের তীর অনেকটাই এখন দিকু’দার দিকে। তবে, মুখ খুলছেন না কেউই।

ঝিনাইদহের স্থানীয়দের দাবি, আনারকে হত্যা করার মতো সাহস শাহীনের একার হওয়ার কথা নয়। কারণ আনারের প্রভাব প্রতিপত্তির কাছে শাহীন চুনোপুঁটি। পাশাপাশি ভাড়াটে খুনি হিসাবে কাজ করা আমানুল্লাহ ওরফে শিমুলের সাথেও আনারের ঘনিষ্ঠতা ছিলো উল্লেখ করার মতো। ঘটনার পর থেকে শাহীনও জোরালোভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছে।

আর তাই, যারা প্রশ্ন তুলছেন তারা মনে করেন, শাহীন গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড কে তা নিয়ে ধূম্রজাল থেকেই যাবে। যদিও শাহীনকে গ্রেপ্তার করা অতটা সহজ হবে না বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা। কারণ এরই মধ্যে তিনি আমেরিকায় পালিয়ে গেছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে আভাস মিলেছে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে স্বর্ণ চোরাচালানের ২০০ কোটি টাকা নিয়ে বিরোধ। এ ছাড়া সীমান্তকেন্দ্রিক চোরাচালানের রুট নিয়ন্ত্রণও খুনের আরেকটি কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে অনেকের ধারণা। সীমান্তে চোরাচালানের পথঘাট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আনার ও শাহীনের বন্ধুত্বে কয়েক মাস আগে ফাটল ধরেছিল। দুবাই থেকে আসা স্বর্ণের চালানগুলোর সীমান্ত পার করার বিষয়টি দেখভাল করতেন আনার। এ জন্য তিনি নিতেন মোটা কমিশন। এই কমিশন বাড়ানো নিয়ে বছরখানেক ধরে সৃষ্টি হয়েছিল শাহীনের সাথে বিরোধ। আর এই বিরোধের পর দুবাই থেকে আসা স্বর্ণের একাধিক চালান গায়েব হয়। অভিযোগ উঠে, আনারের বিরুদ্ধে। যার মূল্য অন্তত ২০০ কোটি টাকা। জানা গেছে, মূলত এর জের ধরেই আনারকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা হয়।

গোয়েন্দাদের কয়েকজন এই প্রতিবেদককে জানান, তারা আরো একটি সূত্র থেকে পাওয়া কিছু তথ্য নিয়ে অনুসন্ধান করছেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুটি জেলায় রয়েছে সীমান্তবর্তী বিশাল এলাকা। জেলা দুটি হচ্ছে যশোর ও ঝিনাইদহ। এই দুটি এলাকা দিয়ে সব ধরনের চোরাকারবারি হয়ে থাকে। ঝিনাইদহ জেলার চোরাচালানের রুট নিয়ন্ত্রণ করতেন আনার। যশোরের সীমান্তগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন সাবেক এক এমপি। মূলত এই সীমান্ত এলাকায় ঘিরে গড়ে উঠেছিল সোনা ও অস্ত্র চোরাচালান এবং হুন্ডি কারবারের বিশাল এক সাম্রাজ্য। সেখান থেকে নিয়মিত কমিশন পেতেন আনার ও যশোরের ওই সাবেক এমপি। এই সাম্রাজ্যের অংশিদার ছিলেন ঢাকার কয়েকজন মাফিয়াও। মূলত ঢাকার মাফিয়াদের মালামালই ওই দুই জেলার সীমান্ত দিয়ে পাচার হতো। এদের মধ্যে একজন হীরা ব্যবসায়ী ও একটি আবাসন কোম্পানির মালিকও রয়েছে। সম্প্রতি এই দুই সীমান্তে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার এবং বিপুল পরিমাণ সোনা আটক হয়। যা ছিল ঢাকার মাফিয়াদের। এনিয়ে চোরাচালান সাম্রাজ্যেও নিজেদের মধ্যে বিরোধ বাড়তে থাকে। চোরাচালান সাম্রাজ্যের একটি অংশের ধারণা, চাহিদা মতো কমিশন না পেয়ে আনারই এসব মালামাল ধরিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া গত ঈদের আগে এই সিন্ডিকেটের জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে আসে আনারের কাছে। যা তিনি পুরোটাই আত্মসাৎ করেন। এতে বিরোধ আরো চরম পর্যায়ে পৌঁছে। সাবেক এমপির সিন্ডিকেট তখন আনারের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। আনার বিষয়টি বুঝতে পেরে সাবধান হন। এরই মাঝে শিলাস্তি নামের এক নারীকে আনারের পেছনে লেলিয়ে দেয়া হয়। শিলাস্তির সঙ্গে আনার কথা বলে তারা কলকাতায় দেখা করতে সম্মত হন। বিষয়টি জানানো হয় সাবেক এমপির চক্র বা মাফিয়া সিন্ডিকেটকে। এরপরই মাফিয়ারা খুন করার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। এই সাবেক এমপির সাথে আখতারুজ্জামান শাহীনেরও ঘনিষ্ঠতা আছে। যখন আনার তাদের সবারই প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে তখন সবাই মিলে পরিকল্পনা করেই সিদ্ধান্ত হয় আনারকে খুন করার। এরপর কলকাতায় ফ্ল্যাট ভাড়া নেন শাহীন। শিলাস্তি নামের ওই নারীর দায়িত্ব ছিল আনারকে কলকাতায় আনার পর ফ্ল্যাট পর্যন্ত নিয়ে আসা। আনার ফ্ল্যাটে আসার পর আগে থেকে সেখানে থাকা ভাড়াটে খুনিরা আনারকে জিম্মি করে আত্মসাতের সেই একশ কোটি টাকা ফেরত চান। এনিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, নানা কারণেই তিনি খুন হতে পারেন। তদন্ত চলছে। তদন্তে পর্যায়ক্রমে সব বিষয়ই আসবে। যারা সরাসরি কিলিং মিশনে অংশ নিয়েছিল আগে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছি। খুনির তথ্য মতেই নেপথ্যরা বের হয়ে আসবে।

এদিকে এই ঘটনায় দায়ের করা আনারের মেয়ে ডরিনের মামলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মামলা দায়েরের আগেই নিশ্চিত হওয়া গেছে আনার খুন হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীরা শোক জানাচ্ছেন। ভারতও সরকারিভাবে আনার খুন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপরও হত্যা মামলা না হয়ে সেটা অপহরণ মামলা কি ভাবে হলো ? আবার পরিবার থেকে বলা হয়েছে, তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন। সেখানে অপহরণের অভিযোগ কি বিচার চলাকালে মামলাকে দুর্বল করতে পারে না ? পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র বা মরদেহের কোনো আলামত এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয় নি। অনেকের কাছেই প্রশ্ন, এগুলো কিসের লক্ষণ ? এর পেছনে কোনো রহস্য কি কাজ করছে ?

হত্যার এক মাস আগে ফয়সাল-মোস্তাফিজুরের পাসপোর্ট: গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টরা জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ফয়সাল ও মোস্তাফিজুরের দুটি পাসপোর্টই চলতি বছরের ৮ এপ্রিল ঢাকার বিভাগীয় পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে ইস্যু করা হয়। পাসপোর্টে ফয়সালের স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে খুলনার ফুলতলা থানার অলকা গ্রাম এবং মোস্তাফিজুরের স্থায়ী ঠিকানা খুলনার ফুলতলার যুগনীপাশা গ্রাম উল্লেখ করা হয়েছে। আমান ওরফে শিমুল ভুঁইয়া মোস্তাফিজুর ও ফয়সালকে পাসপোর্ট বানিয়ে দেন। তবে দুজনেরই বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ঢাকার ক-৩২/১২ নদ্দা।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, এমপি আনারকে কলকাতায় হত্যার পরিকল্পনা সাজিয়েই মোস্তাফিজ ও ফয়সালের পাসপোর্ট করানো হয়। ভারতীয় ভিসা সংগ্রহ করে ১১ মে কলকাতায় প্রবেশ করেন তারা। হত্যাকাণ্ড শেষে ১৭ মে মোস্তাফিজ ও ১৮ মে ফয়সাল দেশে ফিরে আসেন।

উল্লেখ্য, চিকিৎসার জন্য গত ১২ মে সাংসদ আনার বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বরাহনগর থানার ১৭/৩ মণ্ডল পাড়া লেনের বাসিন্দা ও তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন। পরে ১৩ মে দুপুরে ডাক্তারের সঙ্গে দেখা কথা বলে বের হন। ওইদিন সন্ধ্যায় ফেরার কথা থাকলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। পরবর্তীতে গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় একটি নিখোঁজের অভিযোগ করেন গোপাল বিশ্বাস। ১৩ যে কোনো সময় নিউটাউনের সঞ্জিবা গার্ডেনসের ফ্ল্যাটে তাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ১৪ মে প্রথম পর্যায়ে এমপির মরদেহের খণ্ডিত অংশ একটি ট্রলিব্যাগে করে ফ্ল্যাট থেকে বের করা হলেও খুনের বিষয়টি প্রকাশ পায় ২২ মে।

এদিকে ঢাকার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে হাতে আসা একটি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ভারতীয় সময় ১৪ মে বিকেল ৫টা ১১ মিনিটের দিকে দুজন একটি পেস্ট কালারের ট্রলি ব্যাগ ও তিন থেকে চারটি পলিথিন ব্যাগে আনারের মরদেহ গুম করার জন্য লিফটে উঠছেন। ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ফ্ল্যাট থেকে যে দুজন বের হয়েছে তারা হচ্ছে- আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভুঁইয়া ও জাহিদ। সিসি ক্যামেরায় যা দেখা গেছে তা স্বীকারও করেছেন ডিবির হাতে গ্রেপ্তার আমান। অন্যদিকে জিহাদও ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে তার স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আমান ওরফে শিমুল ভুঁইয়া জানিয়েছে, কীভাবে এমপি আনারকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার পর হাত-পাসহ শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আলাদা করা হয়। যেন কোনোভাবেই এমপি আনারের চেহারা দেখে কেউ পরিচয় শনাক্ত করতে না পারে। এরপর ট্রলি ও ব্যাগে করে খণ্ড খণ্ড লাশ ফেলা দেওয়া হয়।

আমানুল্লাহ আমানের স্বীকারোক্তির পরে ভারতীয় পুলিশ ২৩ মে রাতে হাতিশালা বর্জ্য খালে গিয়ে তল্লাশি চালায়। তবে অন্ধকারচ্ছন্ন হওয়ায় রাতে কিছুই পায়নি পুলিশ। পরে গতকাল শুক্রবার আবারও খণ্ড লাশের সন্ধান শুরু করে ভারতীয় পুলিশ। ডিবির দাবি, যেহেতু হত্যাকাণ্ডে সরাসরি বেশ কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন এবং তথ্য দিয়েছেন সেহেতু লাশের সন্ধান মিলবে।

আনার হত্যার রহস্য উন্মোচনে যৌথভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ ও ভারতের পুলিশ। ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর কর্মকর্তা অখিলেশ চতুর্বেদির নেতৃত্ব দুই সদস্যের একটি দল ঢাকায় কথা বলেছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তা আর গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের সাথে। দলের অপর সদস্য হলেন অন্তু কুমার। তারা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রাপ্ত আলামতসহ বিভিন্ন তথ্য বিনিময় করেন। ডিবিও শিগগিরই কলকাতায় ঘটনাস্থলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। যেতে পারেন আনারের মেয়ে ডরিনও।

আমার বার্তা/জেএইচ

স্বস্তি নেই মসলার বাজারে

বছরে দুটি ঈদ আসে। একটি সেমাই, চিনির চাপ বাড়াতে অন্যটি মসলার বাজার গরম করতে। সেই মসলার

থমকে গেছে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপি জোট তাদের স্বার্থক ঢাকা অবরোধ করে একরকম ভেবেই নিয়েছিল সরকার পড়বে। 

ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না বিএনপি

ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না দেশের এক সময়কার একাধিকবার ক্ষমতায় থাকা দল বিএনপি। দলে ভর করেছে

এবার পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় আসবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চালু হচ্ছে কাল ১০ জুন থেকে। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এ ট্রেন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পল্টনের আগুন: ধোয়ায় অসুস্থ নারী ঢামেক বার্ন ইউনিটে 

দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে ড. ইউনূসের

পল্টনের ফায়েনাজ টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

দুই পৌরসভায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ভোগান্তি, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

মিয়ানমারে দারিদ্র্য গভীর হয়েছে: বিশ্ব ব্যাংক

ফাজিলের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে

আমরা বাস করি ভূ-তলে, বিনিয়োগ করি পাতালে

যানজট এড়াতে ডিএমপির ২২ পরামর্শ

বেনজীরের আরও সম্পদ ও ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ

তিস্তা মহাপরিকল্পনার বর্তমান পরিস্থিতি জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জম্মু ও কাশ্মীরে ৭২ ঘণ্টায় তিন হামলায় নিহত ১২

নড়াইলে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

অর্থনীতি অদক্ষতার ফাঁদে আটকে আছে: হোসেন জিল্লুর

শান্তিতে ভারত-পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বাংলাদেশ

অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে: আনারকন্যা ডরিন

এমপি আনার হত্যা মামলা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে সরকার

সীমান্তে গুলি চালাতে পারে বিএসএফ: বিজিবির মাইকিং

না ফেরার দেশে চলে গেল দগ্ধ শিশু আয়ান