ই-পেপার রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

আবারো চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

মেহ্দী আজাদ মাসুম
৩০ মে ২০২৩, ১০:২৪
আপডেট  : ৩০ মে ২০২৩, ১০:২৯

আবারো চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই রাজধানীসহ সারা দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে ডেঙ্গু। ভয়াবহ প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে এডিস মশা। জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ৫ মাসে হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছে ১৭৭১ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। বিষয়টিতে আতঙ্কিত না হয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।

সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীই বলেছেন, গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫ গুণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য, চলতি মাসেই প্রায় ৮শ’ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোগীর চাপ কমাতে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের কথা বলছে অধিদপ্তর।

ঢাকা মহানগরীর পর দেশে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী কক্সবাজারে। সেখানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যারা হাসপাতালে ভর্তি হন, কেবল তাদেরই তথ্য আসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে। আক্রান্ত হয়েছেন কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি হননি, এমন রোগীরা সরকারের হিসাবের বাইরেই থেকে যান। এবার সেই দিকেও গুরুত্ব দিবে অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, এ পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে কমপক্ষে ৩৯ জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এ বছর এ পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৩ জন ঢাকার বাইরের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার লাইন ডিরেক্টর ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম গতকাল আমার বার্তাকে বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা (অন্য বছরের এ সময়ের তুলনায়) বেশ কয়েকগুণ বেশি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়নি। সেজন্য আমরা মনে করি আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। সেটি আমরা এরই মধ্যে শুরু করেছি। আমরা দেশবাসীকে এ জন্য সচেতন করতে চাই, যাতে সবাই এই মৌসুমে নিজ নিজ জায়গা থেকে স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতা মেনে চলি।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি জেলায় সারা বছর পাঁচজন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেলে ধরে নেয়া যায় আক্রান্ত রোগী অন্য জেলা থেকে এসেছে; কিন্তু এর বেশি হলে ধরে নিতে হবে স্থানীয়ভাবে এ রোগ ছড়াচ্ছে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা না থাকায় ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু বাড়ছে। তাছাড়া ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুর চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল, তাতে মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৯ সালে দেশের ৬৪ জেলায় এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

সরকারি হিসাবে সেবার মৃত্যু হয়েছিল ১৬৪ জনের। মাঝে এক বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছুটা কম থাকলেও ২০২১ সালে ফের ৫৮ জেলায় ডেঙ্গু ছড়ায়। তাতে ২৮ হাজার ৪২৯ জন এ রোগ নিয়ে হাসপাতালে যায়, মৃত্যু হয় ১০৫ জনের। গত বছর ৬২ হাজার ৩৮২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। দেশে গেলে বছর রেকর্ড মৃত্যু হয় ২৮১ জনের।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭২ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছর গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ১ হাজার ৭৭১ জন। এর মধ্যে ঢাকা

মহানগরের ১ হাজার ১৭৭ জন। অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৩ জন, মার্চে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১১ জন এবং এপ্রিলে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪৩ জন এবং মারা গেছেন ২ জন। মে মাসের এই কয়েকদিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮৫ জন এবং মারা গেছেন ২ জন।

ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। কেন এবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ আগেই বাড়ছে জানতে চাইলে তিনি আমার বার্তার এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘এ বছর আগেই বৃষ্টি হয়েছে। এজন্য এডিস মশার বিস্তারে ভূমিকা রাখছে। এখন গ্রামেও নগরায়ন হচ্ছে। ফলে শহর থেকে জেলা শহর বা উপজেলায়ও ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে। তবে এজন্য জেলা প্রশাসককে প্রস্তুত থাকতে হবে।

সমন্বিতভাবে ডেঙ্গুকে মোকাবিলা করতে হবে। একার পক্ষে সম্ভব না। তিনি আরও বলেন, একটি জেলায় যদি সারা বছর পাঁচজন রোগী পাওয়া যায়, তাহলে ধরে নেয়া যায় আক্রান্ত রোগী অন্য জেলা থেকে এসেছে। কিন্তু এর বেশি হলে ধরে নেয়া যাবে ডেঙ্গু স্থানীয়ভাবে ছড়িয়েছে। আর ওই স্থানীয় সংক্রমণ নিয়েই ভয়ে আছেন বিশেষজ্ঞরা। কবিরুল বাশার বলেন, রাজধানীর বাইরে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো কার্যক্রম নেই। ফলে ডেঙ্গুর লোকাল ট্রান্সমিশন হলে তা কিছুটা আশঙ্কার।

আমরা শুধু সিটি করপোরেশন নিয়ে কথা বলছি। জাতীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে না। সারা দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এই রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ, রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সক্ষমতা জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নেই। ঢাকায় এডিস মশার বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সক্ষমতা আছে বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ। তা না হলে আক্রান্ত আরও বেশি হতো। অন্যান্য জেলা ডেঙ্গু মোকাবিলায় সক্ষমতা নেই বলেই সেখানে ডেঙ্গু বাড়ছে।’

ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৫০০ টাকার বেশি নিলে ব্যবস্থা :

ডেঙ্গু শনাক্তের পরীক্ষার ফি বাবদ সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা নিতে পারবে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলো। এর বেশি নেয়া হলে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু শনাক্তের পরীক্ষার ফি ১০০ টাকা। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি জানিয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির বলেন, ডেঙ্গু পরীক্ষাসহ ডেঙ্গু চিকিৎসায় আমরা সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন করে দিয়েছি। এই গাইডলাইন অনুযায়ী সবাইকে চিকিৎসা দিতে হবে। প্লাটিলেট ব্যবহার নিয়েও নির্দেশনা রয়েছে গাইডলাইনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক নাজমুল ইসলাম আমার বার্তাকে বলেন, ঢাকা মহানগরীর পর দেশে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গুরোগী কক্সবাজারে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরেও সহস্রাধিক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেখানে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে সচেতনতার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। তাদের কালচার আলাদা হওয়ায় এ ব্যাপারে সেখানে সেভাবে কাজও করা যায় না। নাজমুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য পানি সরবরাহের ব্যবস্থা খুব কম। ফলে তারা বিভিন্ন গর্ত থেকে পানি সংগ্রহ করেন এবং অনেক সময় পানি খোলা পাত্রে রেখে দেন। এ ছাড়া তাদের মধ্যে সচেতনতার বিষয়টি আরও কম।

তিনি বলেন, ঢাকায় জনগোষ্ঠী বেশি হলেও এখানে জায়গা আছে। কিন্তু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কম জায়গায় মানুষ বেশি। ফলে সেখানে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্য এলাকার তুলনায় বেশি। এখন পর্যন্ত সেখানে এক হাজার ৬৬ জনের ডেঙ্গু রোগ শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক আরও বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় যেখানে ঘনবসতি বেশি সেখানে মশার উপদ্রব বেশি। তবে নির্দিষ্ট করে কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশি সেটি বলা এই মুহূর্তে কঠিন।

রোগীদের তথ্য যাচাই করে তারপর বলা যাবে। আমরা পুরো ঢাকা শহরকেই বিবেচনায় নিচ্ছি। আমাদের কাজ রোগী ব্যবস্থাপনা। ডেঙ্গু কোথায় বেশি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের। রোগী জটিলতার ব্যাপারে অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন বলেন, ঢাকায় অপরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠেছে, ঠিক ব্রাজিলের মতোই। ফলে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেই আমরা প্লাটিলেটকে সামনে আনি। অথচ এটি অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের উচিত সচেতনতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া।

জনসচেতনতার তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর :

ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘দেশে এবং পার্শ্ববর্তী দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জানুয়ারি থেকে ২৮ মে পর্যন্ত ১ হাজার ৭০৪ জন ডেঙ্গুরোগী পেয়েছি। এ সময়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমাদের হাসপাতালের পরিচালকদের সঙ্গে ডিজির (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) বৈঠক করেছি। হাসপাতাল প্রস্তুত রাখতে বলেছি। ইতিমধ্যে ডাক্তার-নার্সদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রচার-প্রচারণার জন্য পোস্টার, ব্যানার এবং টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে আমরা জনগণকে অবহিত করতে চাই যে, আপনারা ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা নিন। মানে বাসার আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, নিজের ঘর স্প্রে করুন, আশপাশে যদি জঙ্গল থাকে, সেটা স্প্রে করুন এবং পানি বা যদি অন্য কিছু জমে থাকে সেগুলো সরিয়ে ফেলুন। এ কাজগুলো আমাদের নিজেদেরই করতে হবে। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে এসে তাড়াতাড়ি চিকিৎসা নেবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, ‘ডেঙ্গুরোগীদের জন্য হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড এবং আলাদা কর্নার তৈরি করা হয়েছে। আমরা ২৫০০ ডাক্তার এবং নার্সকে ট্রেনিং দিয়েছি। জনগণকে সচেতন করার জন্য আমরা বিভিন্ন মহলকে যুক্ত করেছি। সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও যুক্ত করা হয়েছে, যারা জনগণকে সতর্ক করতে পারবে সবাইকে যুক্ত করা হয়েছে।’

বাংলাদেশের তৃণমূলের আর্থিক উন্নয়ন অগ্রগামী

অর্থনৈতিক সাফল্য একটি জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে জাতির অর্থনৈতিক ভিত্তি যত শক্তিশালী, সে জাতি

স্ত্রীকে মাছ ব্যবসায়ী বানিয়ে ঘুষের টাকা বৈধ করার চেষ্টা

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মজিবুর রহমান সিকদার অবৈধ টাকা বৈধ

দেশে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা বৃদ্ধি

বাংলাদেশের রাজধানীসহ সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সমাজে নানাবিধ

বিদেশে প্রতারণার কৌশল দেশে ব্যাবহারের শঙ্কা

কম্বোডিয়া ফেরতদের রাখতে হবে কঠোর নজরদারিতে সাইবার অপরাধে অভিজ্ঞরা দেশে ফিরে একই অপরাধ করতে পারে- অধ্যাপক
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আনার হত্যাকান্ড: সবকিছুই যেন অদৃশ্য

মোংলা-পায়রায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত

চট্টগ্রাম বন্দরে সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

কক্সবাজার রুটে বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল

২৬ মে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

মোংলা-পায়রায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

দেশে ফিরেই অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে সব খোয়ালেন সৌদি প্রবাসী

ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় কক্সবাজারে ৬৩৮ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

ফের ফিরছে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ

দেশে স্বর্ণের দাম আরও কমলো

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ মেট্রোরেল

বাসযোগ্য আরেকটি গ্রহ আবিষ্কারের দাবি বিজ্ঞানীদের

ঘূর্ণিঝড় রেমালের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১৮-১৫১ কি.মি.

নিজের মধ্যে দুর্নীতি রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়

দরজা ভেঙে রুয়েট শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে ঘণ্টায় এক তালাক

এটা খুবই পেইনফুল-দুঃখজনক-হতাশার: লিপু

চমক লাগানো ১২৫ সিসির নতুন বাইক আনছে বাজাজ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নামে ফেসবুকে হারবাল পণ্যের রমরমা বাণিজ্য

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুয়েল