ই-পেপার শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৪ আশ্বিন ১৪৩০

দুর্নীতির সাম্রাজ্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর 

রতন বালো
প্রিন্ট ভার্সন
২৯ মে ২০২৩, ১০:৩৬

  • টাকার বিনিময়ে সিনিয়রকে ডিঙিয়ে জুনিয়রের পদোন্নতি
  • একমাত্র আশার কথা বদলি হলেন রাজাকার পুত্র মোখলেছ
  • জুনিয়ররা ছড়ি ঘোরাচ্ছেন সিনিয়রদের উপর
  • এখন সবই সমাধান হয়েছে, বর্তমানে কোন সমস্যা নেই। যত সমস্যা ছিল এখন আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে আসছে -মো. আজাহারুল ইসলাম খান, মহাপরিচালক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

যুবরাই আগামীর ভবিষৎ। তাদের হাতেই দেশ গড়ার দায়িত্ব। কিন্তু সেই যুবসমাজের উন্নয়নের জন্য সরকার যে অধিদপ্তর করেছেন সেখানে বাসা বেঁধেছে সীমাহীন দুর্নীতি। দুর্নীতির কারণে অনেকটাই মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় এই অধিদপ্তরটি। কোনধরণের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এই অধিদপ্তরের রাঘব বোয়ালেরা এখন লুটপাটে ব্যস্ত। ভাবখানা এমন- ‘ওলট-পালট করে দে’মা লুটেপুটে খাই’।

ফলে এখানে সবধরণের অনিয়মই এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। তাই টাকার বিনিময়ে সিনিয়রকে ডেঙিয়ে জুনিয়ররা দায়িত্ব পাচ্ছেন। তারা ছড়ি ঘোরাচ্ছেন সিনিয়রদের উপর। ফলে অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। যা তুষের আগুনের মত জ্বলছে।

যে কোন সময় তার বিষ্ফোরণ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা পদবঞ্চিতদের। এর মধ্যে একটিই আশার কথা রাজাকার পুত্র দাপুটে কর্মকর্তা মোখলেছকে অতি সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। যিনি এই অসন্তোষ তৈরির পিছন থেকে কলকাটি নাড়তেন। যদিও অনিয়মের মূল হোতা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আজাহারুল ইসলাম খান। এই অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে জমতে থাকে অভিযোগের পাহাড়। পুরো অধিদপ্তর প্রশাসনে অনিয়ম আর সেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক উপপরিচালক (প্রশাসন) রাজাকারপুত্র মোখলেছুর রহমান ও মহাপরিচালক(গ্রেড-১) মানেননি আদালত, সচিব এবং সংসদীয় কমিটির নির্দেশনা। আদালতের রায় অনুযায়ী চলতি দায়িত্ব বাতিলের দাবি তুলেছেন পদোন্নতি বঞ্চিতরা। জ্যেষ্টতার তালিকা অনুয়ায়ী ১১৮ জনের পদোন্নতি প্রদানের দাবি করেছেন তারা। তারা মনে করছেন, মহাপরিচালকের এই সেচ্ছাচারিতা যা আদালত অবমাননার শামিল। আইন অমান্য করার প্রেক্ষিতে মহাপরিচালককে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিৎ। এবিষয়ে তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষ সমীপে আবেদন তুলেছেন।

মহাপরিচালকের সেচ্ছাচারিতা: ২০২১ সালের ২৫ নবেম্বর ১১২ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে চলতি দায়িত্ব দিয়ে এক আদেশ জারি করা হয়। এই আদেশে স্বাক্ষর দেন এই মহাপরিচালক। কিন্তু এই চলতি দায়িত্ব দেয়ার আদেশটি জারির ক্ষেত্রে কোন ধরণের নিয়মনীতির অনুসরণ করা হয়নি।

সরকারি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে মহাপরিচালক একক ক্ষমতা বলে এই আদেশ জারি করেন। চলতি দায়িত্ব (চ,দা) আদেশ জারির বেলায় কোন প্রকার নিয়ম কানুনই মানা হয়নি, মানা হয়নি জ্যেষ্ঠতার তালিকা, মানা হয়নি সিনিয়র সচিব আক্তার হোসেনের নির্দেশনা। কেবলমাত্র অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে যাকে খুশী তাকে জ্যেষ্ঠতা প্রদান করা হয়েছে। এদের ভিতরে কয়েকজন রয়েছেন যারা চাকরিতে কেবল জুনিয়রই নন তাদের পদোন্নতি পাওয়ার মত কোন দক্ষতা নেই। ক্রমিক অনুসারে এই সব কর্মকর্তারা হচ্ছেন- ১১১০, ১০৫২, ৯৮৪, ৯৭২, ৯৬৮, ৯৩৯, ৯৩৮, ৮৮৯, ৮৮৩, ৭৯২, ৭৬৩, ৭৩২, ৭০৩, ৭০১ এমনি অদক্ষ ৪২ জন জুনিয়র কর্মকর্তাকে টাকার বিনিময়ে চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। চাকরি বিধি মোতাবেক আগামী ৫ বছরেও যাদের পদোন্নতি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

তদন্ত কমিটি গঠন:

এদিকে এই অবৈধ আদেশের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি তাদের মতামত রাখেন। ১১২ জনের চলতি দায়িত্বাদেশে অনিয়ম তদন্তে গঠিত তদন্ত কমিটিও গুরুত্বর অনিয়ম বিশেষ করে চুড়ান্ত জ্যেষ্ঠতার তালিকার চরম লংঘন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য ও অবৈধ লেনদেন এর চিত্র তুলে ধরেণ।

আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষণা, তদন্ত কমিটি কর্তৃক অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও আজও বাতিল হয়নি ‘চলতি দায়িত্বাদশটি’। মহাপরিচালক অবৈধ চলতি দায়িত্বধারীদের বাতিল তো করেনই-নি উপরন্ত তাদেরকে ঢাকা, ঢাকার আশেপাশে কিংবা তাদের সুবিধা জনক জায়গায় পোস্টিং দেয়া হয়েছে! কেবলমাত্র অর্থের জোরে বর্তমান মহাপরিচালকের ছত্রছায়ায় আদেশটি বহাল রয়েছে। যা স্পষ্ট আদালতের আদেশের বরখেলাফ একই সঙ্গে তা আদালত অবমাননার শামিল। আদেশটি বহাল থাকায় প্রকৃত পদোন্নতি প্রত্যাশিতদের আবারো বঞ্চিত হবার আশংকা দেখা দিয়েছে। আর এসবের পিছনে কলকাঠি নাড়ছেন রাজাকার পুত্র মোখলেছুর রহমান গংরা।

মোখলেসুর রহমানের দুর্নীতি:

রাজাকার পুত্র মোখলেসুর রহমান নিয়মনীতি লংঘন করে অনেক সিনিয়রকে ডিঙিয়ে জুনিয়র কর্মমর্তাদেরকে চলতি দায়িত্ব দিয়ে সিনিয়রদেরকে অপমান করার হীন কৌশল নেন। মোখলেসুর রহামান তখন একজন উপ-পরিচালক(প্রশাসন) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যিনি বর্তমানে নরসিংদী জেলায় উপ-পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। তিনি অবৈধ অর্থের সন্ধানে জুনিয়রদের দিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। টাকার বিনিময়ে তখন পদোন্নতি বিক্রি করতে থাকেন।

টাকা দিয়ে প্রমোশন কিনে তারা চলতি দায়িত্ব পান। যদিও জুনিয়র (৭০৩ সিরিয়াল ধারী) কর্মকর্তা এস.এম. জসিম উদ্দিন ও মিজান গংরা পদোন্নতির নীতি নির্ধারক হয়ে ওঠেন। তারা এসব অপকর্ম করতে সার্বিক সহায়তা দেন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মো. আজহারুল ইসলাম খান।

তাদের এই অপকর্মে পদোন্নতি বঞ্চিত হন অন্তত ৭০ জন পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তা। সুবিচার চাইতে এই বঞ্চিত কর্মকর্তারা আদালতে এবিষয়ে একটি রিট করেন। সেখানে চলতি দায়িত্বাদেশটি বাতিল চাওয়া হয়। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে আদেশটি প্রথমে স্থগিত করেন। এরপর চূড়ান্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের ১৮ জুলাই বিজ্ঞ আদলত ‘চলতি দায়িত্বাদেশ’টি অবৈধ ঘোষণা করেন।

যেভাবে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা: ১৯৮৭ইং সালে থারডেপ প্রকল্পে কিছু লোক নিয়োগ করা হয়, যাদের চাকুরী নিয়মিতকরণ করা হয় ২০০৫ সালের ৩ মার্চ। অন্যদিকে আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পের জনবলের ১ম নিয়োগ ১৯৯৫ সালে।

উভয় গ্রুপের নিয়োগকালীন পদবী ভিন্ন থাকলেও একই গ্রেডে (১১তম) চাকুরীরত অবস্থায় ২০২০ সালে উভয় গ্রুপের পদের নাম পরিবর্তন করে ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ করা হয়। এছাড়া ২০২১ সালের ৯ জুন চুড়ান্ত জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রকাশিত হলেও সিনিয়র কর্মকর্তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিগত ২০২১ সালের ৩০ জুন চূড়ান্ত জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রকাশিত হয়।

কী বলছেন ভুক্তভোগীরা:

এ বিষয়ে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, বর্তমান সচিব গত বছর ১৯ জুলাই পদোন্নতির প্রস্তাব চাহিয়া মহাপরিচালক বরাবরে একটি নির্দেশনা পত্র জারী করেন। যা ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর ও ২৩ ফেব্রুয়ারী আলাদা দুটি পত্রের মাধ্যমে অনুরুপ প্রস্তাব চেয়েছিলেন, তা বর্তমান চুক্তিভিত্তিক মহাপরিচালক প্রতিপালন করেননি । অভিযুক্ত উপপরিচালক মোখলেছুর রহমান বর্তমানে বিভাগীয় মামলার সম্মখীন হয়ে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় হতে বিতাড়িত হয়েছেন। তার বিদায়ের ফলে আমরা আশার আলো দেখছি বলা যেতে পারে অধিদপ্তরের নতুন যুগের সুচনা হয়।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশ:

এই পদোন্নতি নিয়ে কম জল ঘোলা করা হয়নি। বিষয়টি একসময় সংসদীয় কমিটির আলোচনার টেবিলে ওঠে। সংসদীয় কমিটির ২০ ও ২৩তম সভায় চলতি দায়িত্বাদেশটি বাতিল, দোষি ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতির প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

সংসদ সচিবালয় হতে প্রাপ্ত সূত্র মতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৮তম সভায় পূর্ববর্তী সভার সুপারিশ, চলতি দায়িত্বাদেশ সংক্রান্ত আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করা এবং বর্তমানে ১১৮টি পদে পদোন্নতি প্রস্তাব প্রেরনে গরিমশি করায় কমিটির সদস্যরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনতিবিলম্বে চলতি দায়িত্বাদেশটি বাতিল, দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও শুন্য পদে পদোন্নতির দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করার নির্দেশ প্রদান করা হয় বলে সংসদীয় সূত্র জানায়।

কী বলছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর:

সংশ্লিষ্ট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সূত্র বলছে, ১১৫ জনের পদোন্নতির প্রস্তাব প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু তা মহাপরিচালকের অনাগ্রহে তা বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আদালত ও সংসদকে অবমাননা করে মহাপরিচালক এখনও তার অবস্থানে অনড় রয়েছেন।

ফলে নতুন করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে মহাপরিচালকের এই সেচ্ছাচারিতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। বহুলভাবে সমালোচিত এই বিষয়ে অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সর্বশেষ অবস্থা:

সর্বশেষ প্রাপ্ত সূত্র মতে গত ২৩ জানুয়ারি ৫১ নং স্মারকমূলে পদোন্নতির একটি অসম্পূর্ণ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। পত্রের আলোকে দেখা যায় অত্র অধিদপ্তরে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ যোগ্য ১১৮ টি শূণ্য পদ রয়েছে।

কিন্তু অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক আদালতের আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধিমালার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত চলতি দায়িত্বাদেশে বর্তমানে কর্মরত ৪৬ জনকে বহাল রেখে মাত্র ৭২ জনের পদোন্নতির প্রস্তাব করেছে। এক্ষেত্রে আদালত ও সংসদীয় কমিটির নির্দেশনাও উপেক্ষিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মহাপরিচালকের বক্তব্য:

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আজাহারুল ইসলাম খান এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখন সবই সমাধান হয়েছে। বর্তমানে কোন সমস্যা নেই। যত সমস্যা ছিল এখন আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে আসছে বলে তিনি জানান।

সচিবের বক্তব্য:

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যে কেউ অভিযোগ করতে পারে। অভিযোগ করলেইতো কিছু হয় না। সঠিক তদন্তের ব্যাপার। তদন্তে যা হয় তাই আমরা নিয়ম নিষ্টা ভাবে পালন করে থাকি।

আদালত অবৈধ ঘোষিত ৪৬ জন চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের আদেশ বাতিল করে ১১৮টি উপজেলা যুব উন্নয়ন শূণ্য পদের পদোন্নতি বাস্তবায়ন করার দাবিতে গত ২৫ জানুয়ারি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সভাপতি বরাবরে আবেদন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে খানেই অভিযোগ করুক, তাতে প্রমাণের বিষয় আছে। প্রমাণ হোক আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো বলে তিনি জানান।

এবি/ওসমান

বন্ধ হচ্ছে না চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ১৯৮০ সালের রেলওয়ে আইনের ১২৭ ধারায় চলন্ত

শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছেন এমরান

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে বিবৃতি-সংক্রান্ত বক্তব্য

ঈদ যাত্রায় চলবে ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন

  ২৩ জুন হতে ৩ জুলাই পর্যন্ত মিতালী ও মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ   যাত্রী ভোগান্তি কমাতে নানাবিধ

বিসিআইসিতে মামলার তথ্য গোপন করে পদোন্নতি

#বাস্তবায়নে দায়িত্ব দেয়া হয় কর্মচারী প্রধান মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে      #কর্মচারী প্রধান পদবীতে পদোন্নতি নিয়েছেন     #দুদকের দায়েরকৃত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চুলে মেহেদি লাগিয়ে কতক্ষণ রাখবেন?

মায়ের হাতের টাকি মাছের ভর্তা খেয়ে দুই বোনের মৃত্যু!

‘ভয়ানক ভুল’ করে ক্ষমা চাইলেন জাস্টিন ট্রুডো

বাংলাদেশে ডেঙ্গু টিকা ‘টিভি-০০৫’র সফল পরীক্ষা

শিক্ষা ও গবেষণায় দেশে তৃতীয় জাবি

পবিপ্রবিতে ‘ঘাসফুল বিদ্যালয়’-এর এক যুগ পূর্তি উদযাপন

গুচ্ছভর্তিতে সর্বোচ্চ আসন ফাঁকা ইবিতে

আওয়ামী ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে : প্রধানমন্ত্রী

শুভ মধুপূর্ণিমা আজ

ইসরায়েলে বন্দুক হামলায় নিহত ৬

অনুমতির ১০ দিন পরও ডিম আসেনি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন আজ

সহকারী জজ হলেন জবির ১১ শিক্ষার্থী

সীমা লঙ্ঘন করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান : নাজমুল

তামিম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন আশরাফুল

৫ সংস্থা ও ২ ব্যক্তির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট আনসার হতে হবে : এনামুল হক শামীম

লক্ষ্মীপুরে ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে জাতীয় শ্রমিক লীগের মানববন্ধন

সিলেট জেলা ২০৯৭ এর কালিগঞ্জ উপ-পরিষদে সকল পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারী