ই-পেপার শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

ভূমিকম্প: একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের বৈজ্ঞানিক, ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক বিশ্লেষণ

মোঃ মোশারফ হোসাইন
২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৪১

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে সারাদেশে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার মাধবদীতে। স্থানটি ঢাকার আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অধিদফতরের সিসমিক সেন্টার থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে। পূর্বের একটি লেখা থেকে ভূমিকম্প নিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো।

ভূমিকম্প প্রকৃতির এক অত্যন্ত ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক ঘটনা, যা ভূ-আবরণে হঠাৎ ঘটে যাওয়া কম্পনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। পৃথিবীর অভ্যন্তরে সংঘটিত শক্তির পরিবর্তন বা অপ্রত্যাশিত চাপচ্যুতির ফলে যখন কোনো নির্দিষ্ট ভূ-ভাগে ভূ-ত্বকে শক তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তখনই ভূমিকম্পের সূচনা ঘটে। এই কম্পন কখনো হালকা ও অনুভূতিহীন হতে পারে, আবার কখনো তা প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে। ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও, তার অভিঘাত মানব সভ্যতার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। ইতিহাসের পাতায় বহু ভূমিকম্পের ভয়াবহতা আমরা দেখতে পাই, যা লাখো মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে এবং নগর সভ্যতা ধ্বংস করে দিয়েছে। এর কেতাবি ডেফিনেশন হলো-

"An earthquake is the sudden shaking of the Earth's surface caused by the release of energy stored in the Earth's crust, typically resulting from the movement of tectonic plates. This energy radiates in the form of seismic waves, which can cause ground shaking, structural damage, and sometimes natural disasters like tsunamis and landslides."

ভূমিকম্প প্রধানত দুটি আকারে বিভক্ত করা যায় যথা- প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট। প্রাকৃতিক ভূমিকম্প মূলত টেকটনিক প্লেটের গতির ফলে সংঘটিত হয়, যেখানে পৃথিবীর ভূত্বকের বিভিন্ন প্লেট পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষ, বিচ্যুতি বা সঞ্চালনের মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে এবং হঠাৎ কোনো একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে এই শক্তির বিস্ফোরণ ঘটলে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়। মনুষ্যসৃষ্ট ভূমিকম্প সাধারণত খনির কাজ, ভূগর্ভস্থ বিস্ফোরণ কিংবা বৃহৎ জলাধার তৈরির ফলে ভূত্বকে চাপের পরিবর্তনের কারণে হতে পারে। তবে অধিকাংশ ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়ে থাকে। ভূমিকম্প সৃষ্টির প্রধান কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

১. টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ ও বিচ্যুতি: পৃথিবীর ভূত্বক বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত। এই প্লেটগুলো যখন একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, সরে যায় বা পরস্পরের নিচে ঢুকে পড়ে (subduction), তখন প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপ হঠাৎ মুক্ত হলে ভূমিকম্প হয়।

২. ভূপৃষ্ঠে থাকা ফল্ট লাইনের সক্রিয়তা: ভূপৃষ্ঠের দুর্বল রেখা বা ফাটল (fault line) বরাবর যখন দুইটি প্লেট বা শিলার খণ্ড একে অপরের উপর চাপ সৃষ্টি করে ও পরে সরে যায়, তখন ভূমিকম্প ঘটে। যেমন, সান আন্দ্রিয়াস ফল্ট।

৩. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত: যখন আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা ও গ্যাস প্রবল চাপে নির্গত হয়, তখন পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হতে পারে। এ ধরনের ভূমিকম্পকে আগ্নেয়গিরিজনিত ভূমিকম্প বলে।

৪. মানবসৃষ্ট কার্যকলাপ: বড় ধরনের খনন, ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক বিস্ফোরণ, ভূগর্ভে পানি বা গ্যাস সঞ্চারণ, ও বিশাল জলাধার নির্মাণের ফলে ভূত্বকে চাপের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং কখনো কখনো ভূমিকম্প হতে পারে। একে "ইন্ডিউসড আর্থকোয়েক" বলা হয়।

৫. ভূগর্ভস্থ ফাটল বা দুর্বল স্তরের হঠাৎ পতন: ভূগর্ভে কোন গুহা বা ফাঁপা জায়গা হঠাৎ ধসে পড়লে বা স্তরচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হতে পারে।

প্রধানত এই কারণগুলোর কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

ভূমিকম্পের মাত্রা ও তীব্রতা পরিমাপের জন্য বিজ্ঞানীরা ‘রিকটার স্কেল’ ও ‘মার্সেলি স্কেল’ ব্যবহার করেন। রিকটার স্কেল অনুসারে ভূমিকম্পের মাত্রা দশ ভিত্তিক স্কেলে পরিমাপ করা হয়, যেখানে ৩ মাত্রার কম ভূমিকম্প প্রায় অনুভূত হয় না এবং ৭ মাত্রার উপরে হলে তা ব্যাপক ধ্বংস সাধন করতে সক্ষম। অপরদিকে, মার্সেলি স্কেল একটি গুণগত পদ্ধতি, যা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও তার প্রভাবের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। এই দুটি স্কেল ভূমিকম্প বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস নির্ধারণে বিশেষ সহায়ক। বিশ্বজুড়ে কয়েকটি অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে পরিচিত। এসব অঞ্চলে টেকটনিক প্লেটের সীমান্তস্থল থাকে এবং ভূত্বকের ক্রান্তিক রেখা বরাবর সংঘর্ষ ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে বিস্তৃত "রিং অব ফায়ার" অঞ্চলটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, যেখানে নিয়মিতভাবে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, চিলি, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রভৃতি দেশ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া হিমালয় পর্বত সংলগ্ন অঞ্চল, বিশেষত ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলও ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।

ইতিহাসে অনেক বিধ্বংসী ভূমিকম্প ঘটেছে, যা জনজীবনকে একেবারে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা উপকূলে সংঘটিত ভূমিকম্প এবং পরবর্তী সুনামি প্রায় আড়াই লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। ২০১০ সালে হাইতিতে আঘাত হানা ভূমিকম্প প্রায় ২ লাখ মানুষকে হত্যা করে এবং রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এছাড়া ২০০৫ সালের কাশ্মীর ভূমিকম্প, ২০১১ সালের জাপানের তোহোকু ভূমিকম্প, ১৯৭৬ সালের চীনের তাংশান ভূমিকম্প ইত্যাদি ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে তাদের ভয়াবহতা ও মানবিক বিপর্যয়ের জন্য। ভূমিকম্প শুধু প্রাণহানি ঘটায় না, বরং তার পরবর্তী প্রভাবও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ভূমিকম্পের ফলে ভূমিধস, সুনামি, অগ্নিকাণ্ড এবং অবকাঠামোগত ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎ লাইন, হাসপাতাল, স্কুল ইত্যাদি ধসে পড়ে জনজীবন স্থবির হয়ে যায়। অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও মানসিকভাবে মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। গৃহহীনতা, খাদ্য ও পানির সংকট, স্বাস্থ্য ঝুঁকি, সব মিলিয়ে ভূমিকম্পপরবর্তী সময়টি আরও বেশি কষ্টকর হয়ে ওঠে।

ভূমিকম্পের সময় নিজেকে এবং অন্যদের রক্ষা করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় আছে। নিচে ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

১. ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করুন: ভয় বা আতঙ্ক ছড়াবেন না। শান্ত থাকুন এবং নিরাপদে আশ্রয় নিন।

২. 'ডাক, কাভার ও হোল্ড' পদ্ধতি অনুসরণ করুন: যদি ঘরের ভেতরে থাকেন, তাহলে মাটিতে বসে পড়ুন (Drop), কোনো টেবিল বা শক্ত আসবাবপত্রের নিচে আশ্রয় নিন (Cover), এবং সেটিকে ভালোভাবে ধরে রাখুন (Hold) যতক্ষণ না কম্পন থামে।

৩. জানালার কাছ থেকে দূরে থাকুন: কাঁচ ভেঙে আহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই জানালা বা আয়নার আশেপাশে থাকবেন না।

৪. বাহিরে থাকলে খোলা জায়গায় থাকুন: বহুতল ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছপালা বা ওভারব্রিজ থেকে দূরে থাকুন। খোলা মাঠ বা পার্কে অবস্থান করুন।

৫. লিফট ব্যবহার করবেন না: ভবনের ভিতরে থাকলে লিফট নয়, সিঁড়ি ব্যবহার করুন। ভূমিকম্পের সময় লিফট আটকে যেতে পারে।

৬. আগুন থেকে সাবধান: গ্যাসের চুলা, বৈদ্যুতিক সুইচ ইত্যাদি বন্ধ রাখুন, কারণ ভূমিকম্পের ফলে আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে।

৭. মাথা ও শরীর ঢেকে রাখুন: যদি কোনো শক্ত আশ্রয় না পান, তাহলে হাত দিয়ে মাথা ঢেকে ঘরের কোনো কোণে বা ভেতরের দেয়ালের পাশে বসে থাকুন।

৮. পানিক করবেন না ও দৌড়াবেন না: আতঙ্কিত হয়ে হুড়োহুড়ি করলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৯. বাচ্চা, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের সাহায্য করুন: তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে সাহায্য করুন।

১০. ভূমিকম্প থেমে গেলে ধীরে বাইরে যান: প্রথমে নিশ্চিত হোন যে কম্পন পুরোপুরি থেমে গেছে, তারপর ধীরে সিঁড়ি দিয়ে বাইরে যান।

ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাস দেওয়া বর্তমান প্রযুক্তিতে এখনো চূড়ান্তভাবে সম্ভব হয়নি। তবে বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও সংস্থা এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। টেকটনিক প্লেটের গতি, মাইক্রো-কম্পন, ভূগর্ভস্থ চাপের মাত্রা ইত্যাদি লক্ষ করে সাম্ভাব্য ভূমিকম্প সম্পর্কে ধারণা করা হয়। এ বিষয়ে চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে ভূমিকম্প সংক্রান্ত আগাম সতর্কতা প্রদানের জন্য বিভিন্ন দেশ ভূকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে, যেগুলো ভূমিকম্পের মুহূর্তে এবং পরপরই নাগরিকদের সতর্ক করতে পারে। ভবন নির্মাণে ভূমিকম্প প্রতিরোধক প্রযুক্তি ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়, যা অনেক প্রাণহানি রোধ করতে পারে। জাপান, কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকম্প প্রতিরোধী স্থাপত্যে অনেক এগিয়ে। এসব দেশে ভবন নির্মাণের সময় স্থিতিশীল ফাউন্ডেশন, বেইজ আইসোলেশন প্রযুক্তি, স্টিল-রিনফোর্সড কাঠামো ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও এই প্রযুক্তি দ্রুত চালু করা দরকার, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে।

বাংলাদেশ ভূমিকম্পের দিক থেকে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হলেও সাম্প্রতিক ভূ-গঠনের পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশের অনেক অঞ্চল বর্তমানে উচ্চ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষত চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা এবং রংপুর অঞ্চলগুলো ভূমিকম্পপ্রবণ। বাংলাদেশের ভূমিকম্প পরিকল্পনায় দুর্যোগ প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম এবং ভবন কোড কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের ভূমিকম্প সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমিকম্প ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন (UNDRR), জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (JICA), ইউএসজিএস (US Geological Survey), ইউরোপিয়ান মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (EMSC) প্রভৃতি সংস্থা গবেষণা, সহায়তা, এবং তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে ভূমিকম্প মোকাবিলায় সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশেও এদের সহায়তায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

সবশেষে বলা যায়, ভূমিকম্প একটি অপ্রতিরোধ্য প্রাকৃতিক ঘটনা হলেও সচেতনতা, পরিকল্পনা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে এর ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। শুধু সরকার নয়, সাধারণ মানুষকেও এই বিষয়ে জ্ঞানলাভ করতে হবে এবং ভূমিকম্প মোকাবিলায় সচেতন হতে হবে। একটি সংগঠিত, প্রস্তুত ও প্রতিরোধক্ষম সমাজ গঠনের মাধ্যমেই আমরা ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগের মুখে টিকে থাকতে পারি এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি নিরাপদ বিশ্ব নির্মাণ করতে পারি।

লেখক-মোঃ মোশারফ হোসাইন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পরশুরাম, ফেনী।

ক্লাউড, স্টোরেজ ও ইন্টারনেট গেটওয়ের স্বনির্ভরতা অর্জনে বাংলাদেশের করণীয়

একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবকাঠামো (ICT Infrastructure) এখন একটি দেশের সার্বভৌমত্ব,

ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (IP) ও উদ্ভাবনী অর্থনীতি: বাংলাদেশের পরবর্তী চালিকাশক্তি

আজকের বিশ্বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি আর কেবল সস্তা শ্রম বা কাঁচামাল

রাজনীতি-অর্থনীতির দুর্গতি কাটাতে নির্বাচন ছাড়া গতি নেই

বহুল আলোচিত গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড.

মিয়ানমার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও রোহিঙ্গা ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে

মিয়ানমারে সৃষ্ট রোহিঙ্গা সংকট এখন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে চলমান নানা
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ পড়ুয়া নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী অলিম্পিয়াড

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে উত্তেজনা, কুশপুত্তলিকা দাহ

খালেদা জিয়ার অবস্থা ক্রিটিক্যাল তবে স্থিতিশীল: জারা

হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন

খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

সব মার্জিন তুলে দেওয়া হয়েছে, যত ইচ্ছা আমদানি করা যাচ্ছে: গভর্নর

ফরিদপুরে সড়ক অবরোধ: সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

ভূমিকম্প: একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের বৈজ্ঞানিক, ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক বিশ্লেষণ

আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে মাদককারবারীরা পালিয়ে যাবে: এ্যানি

নারীকে ঘুষি মেরে ফোন ছিনতাই, ক্রিকেটারের ৩ বছরের জেল

জার্মানির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেলেন ফুটবলার টনি ক্রুস

পাকিস্তানে ভূমিকম্প, তীব্র কম্পনে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন মানুষ

গণভোটে হ্যাঁ-না বান্ডেল প্রশ্ন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই হবে ভোট: সিইসি

লিবিয়া থেকে ফিরছেন আরও ১৭৫ বাংলাদেশি

নেপালের মানচিত্রে ভারতের তিন অঞ্চল, প্রতিবাদ জানালো নয়াদিল্লি

রাজধানীতে ভবন নির্মাণ ফি পাঁচগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব রাজউকের

কুয়ালালামপুরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আড়ালে অনৈতিক কার্যকলাপ, আটক ২ শতাধিক

গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য অনুপ্রেরণা খালেদা জিয়া: নাহিদ ইসলাম

ইমরান খান ইস্যুতে দেশজুড়ে আন্দোলনের হুমকি বিরোধীদের