
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন ও পালন সংক্রান্ত নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। এতে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন এবং এ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, গত ১১ মার্চ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন ও পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।
নতুন পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে কয়েকটি সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দিবস পালনে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা পরিহার করতে হবে।
কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। সরকারি কর্মসূচির কারণে যাতে দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নগদ অর্থ বা উপকরণ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না—এমন সাধারণ অনুষ্ঠান ছুটির দিনে কিংবা কর্মদিবসে আয়োজন করা যাবে। কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে বা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।
সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে সমধর্মী দিবসগুলো একই তারিখে একত্রে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপনকে প্রাধান্য দিতে হবে।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ বিষয়ে সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।
নতুন পরিপত্রের সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

