
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। নির্বাচন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটারদের নিরাপত্তায় সেনাসদস্যরা ছিলেন আপসহীন ও নিরপেক্ষ।
সূত্র জানায়, জুলাই বিপ্লবের পর দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘ইন অ্যাইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় সেনাবাহিনী দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে আসছে। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটের মাঠে যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। ভোটের দিনও কন্ট্রোল সেন্টার থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করা হয়। ঢাকাসহ সারা দেশে প্রায় এক লাখেরও বেশি সেনা সদস্যের পাশাপাশি নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরাও বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ১০ হাজারেরও বেশি অস্ত্র উদ্ধার এবং ২২ হাজারেরও বেশি দুষ্কৃতকারীকে আটক করেছে।
এদিকে, নির্বাচনের কাজ সফলভাবে শেষ করে সেনাবাহিনী দ্রুতই ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশনা পেলেই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে।

