ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

গুলি করার আগে আবু সাঈদকে বেদম পেটান পুলিশ কর্মকর্তারা

ট্রাইব্যুনালে প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি
আমার বার্তা অনলাইন:
১০ নভেম্বর ২০২৫, ১৯:৩৮

টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন রংপুর শহর। পুলিশের গুলিতে দিগ্বিদিক ছুটছেন শিক্ষার্থীরা। ঠিক তখনই দু-হাত চিতিয়ে দাঁড়ালেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ। বুলেটের আঘাতে যেন আর কেউ আহত না হন কিন্তু মুহূর্তেই তার দিকে ছুটে আসে একের পর এক গুলি। রক্তে ভেসে যায় শরীর। পুলিশের বুলেটের আঘাতে নিজের চোখের সামনে আবু সাঈদের প্রাণ গেলেও বাঁচাতে পারেননি সহযোদ্ধা আকিব রেজা খান। তবে সাক্ষী হয়ে সেদিনের সেই দৃশ্যের বর্ণনা দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চেয়েছেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল আজ (১০ নভেম্বর)। ১২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আকিবের জবানবন্দি রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

অন্য দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিকেল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন আকিব। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেন তিনি।

জবানবন্দিতে আকিব বলেন, গত বছরের ১ জুলাই থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। আমি ১৪ জুলাই থেকে সরাসরি অংশ নেই। ওই দিন এক সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখে রাজাকারের বাচ্চা বা নাতিপুতি শব্দ শুনে আমি কষ্ট পাই। তার বক্তব্যের প্রতিবাদে রাত ১২টার দিকে আমি ও আমার বন্ধু এসএম আশিকুর রহমান মিলে একটি মিছিলের ডাক দেই। যার স্থান ছিল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেট। কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেক শিক্ষার্থী জড়ো হন। প্রথমে আমরা ৫০-৬০ জন ছিলাম। খুব দ্রুত এ সংখ্যা বাড়তে থাকে। আমরা স্লোগান দিতে দিতে দুই নম্বর গেট হয়ে চকবাজার, মডার্ন মোড়-লালবাগ হয়ে কারমাইকেল কলেজের সামনে দিয়ে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে এসে দাঁড়াই। এরপর মিছিল শেষে বাসায় চলে যাই।

তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা আন্দোলন করছিলেন। কিন্তু তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা চালান ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা। এর প্রতিবাদে ১৬ জুলাই সকাল ১০টায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সামনে প্রতিবাদ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেই আশিক ও শাহরিয়ার সোহাগ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবাদ সমাবেশে রংপুর মহানগরের কারমাইকেল কলেজ, লায়নস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। মহানগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল করে লালবাগ হয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সামনে উপস্থিত হন। আমি দুপুর ১২টার সময় পৌঁছাই। আমার সঙ্গে বন্ধু রওনক ছিলেন। পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই জানতে পারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে হলে কিছু শিক্ষার্থীদের আটকে রেখেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের আন্দোলনে যোগ দিতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে বাধা দেয় পুলিশ।

এই সাক্ষী বলেন, ওই সময় গেটের বিপরীত পাশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবস্থান করতে দেখতে পাই। তাদের সঙ্গে ছিলেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহফুজ, ধনঞ্জয় কুমার টগর, বাবুল হোসেন, মাসুদুল হাসান, ইমরান চৌধুরী আকাশ, আক্তার, ফজলে রাব্বী, সেজানসহ আরো অনেকে ছিলেন। এরপর যখন আমরা ভেতরে ঢুকতে পারছিলাম না, তখন পুলিশের সঙ্গে কিছুটা বাগবিতণ্ডা হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন অনুপস্থিত ছিল। মাইকে বলা হচ্ছিল সবাই শান্ত থাকুন, শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করুন। কিন্তু হঠাৎ দেখি পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করছে। একইসঙ্গে টিয়ারশেল নিক্ষেপ শুরু হয়। ফলে শিক্ষার্থীরা কিছুটা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। আমি তখন সড়কের বিভাজক পার হয়ে পূর্ব পাশে চলে আসি। তখনও পুলিশ আমাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করছিল।

এর মধ্যেই আবু সাঈদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করেন এসি আরিফুজ্জামান ও তার সঙ্গে থাকা কিছু পুলিশ কর্মকর্তা। আবু সাঈদের হাতে, গায়ে, মাথার সামনে ও পেছনে আঘাত করেন তারা। এরপর সব পুলিশ পিছু হটে এক নম্বর গেট দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে চলে যায়। এমনকি গেটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন ভেতর থেকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মশিউর রহমান, আসাদুজ্জামান, কর্মকর্তা রবিউল হাসান, মোস্তাফিজুর, কর্মচারী নুরুন্নবী, নূরুল আলম মিয়া, আপেল, আমুসহ আরও অনেকে আমাদের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। তবে পুলিশ ভেতরে চলে যাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা আবার এক নম্বর গেটের সামনে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করেন। আমি ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ধাক্কা দিয়ে গেট খোলার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে গেট খুলে যায়। ভেতরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শর্টগান দিয়ে ছররা গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়তে ছুড়তে এগিয়ে আসে পুলিশ।

আমার শরীরে ছররা গুলি লাগলে গেট থেকে সরে এসে বিভাজকের পূর্ব পাশে অবস্থান নেই। এ সময় বিভাজকের পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিম পাশে আসেন আবু সাঈদ। তিনি এক নম্বর গেটের সামনে দাঁড়িয়ে বাকি শিক্ষার্থীদের সমবেত হওয়ার জন্য ডাক দেন। কিন্তু তখন পুলিশ গুলি করতে করতে গেট দিয়ে বের হয়ে আসছিল। সেটি দেখে দুই হাত উঁচু করে দু-পাশে প্রসারিত করে দাঁড়ান আবু সাঈদ। তার হাতে একটি ছোট চিকন লাঠি ছিল। পুলিশ যেন আর গুলি না করে সেজন্য তিনি হাত প্রসারিত করে আত্মসমর্পণের মতো দাঁড়ান। কিন্তু কাছে থেকে তার দিকে তাক করে শর্টগান দিয়ে গুলি করে পুলিশ। প্রথমবার গুলি করেন এএসআই মো. আমির হোসেন ও দ্বিতীয়বার করেন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। এরপর ভারসাম্য হারিয়ে সড়কের বিভাজক অতিক্রম করে পশ্চিম পাশ থেকে পূর্ব পাশে চলে গিয়ে বসে পড়েন তিনি। আবু সাঈদকে দেখে দৌড়ে আসেন আয়ান। ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আবু সাঈদ দাঁড়ানোর পর আবার পড়ে যান। সেটা দেখে পাশে থাকা আমার বন্ধু রওনক ও আরও দু-তিনজন শিক্ষার্থী এসে আবু সাঈদ ও আয়ানসহ অন্যান্যদের সরিয়ে নিতে চেষ্টা করেন। তখনও পুলিশ শর্টগান দিয়ে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছিল। কিছু দূর আসার পর রওনক ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আবু সাঈদকে ধরে রাখতে পারছিলেন না। তখন দৌড়ে গিয়ে আমি তাকে ধরি।

আমরা সবাই আবু সাঈদকে পাজাকোলা করে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেট অর্থাৎ পার্কের মোড়ের দিকে নিয়ে যাই। তখন আবু সাঈদের মাথা ও সারা শরীর দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তার জ্ঞান ছিল না। আমরা তাকে নিয়ে একটি রিকশায় তুলি। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে যাওয়ার জন্য রওনা হন সাজুসহ আরেকজন। তখন আমি রক্তমাখা শার্ট পরে ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে পার্ক ভিউ মেসের সামনে বসি। ওই সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগ এসে ধাওয়া করলে আমরা কুড়িগ্রাম সড়কের দিকে চলে যাই। এরপর আরও অনেকবার ছাত্রলীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা লাঠিসোঁটা, রড, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে আমাদের ধাওয়া করে। এরকম প্রায় এক ঘণ্টার মতো ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। আমাদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জানতে পারি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ মারা গেছেন। খবরটি শুনে আমি স্তম্ভিত হয়ে বাসায় চলে যাই।

আকিব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, ভিসি ও প্রক্টরের দায়িত্বহীনতা এবং যথেষ্ট চেষ্টার অভাব ও গাফিলতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্রলীগসহ পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলা করার সুযোগ ও সাহস পায়। আমি চাই আবু সাঈদের হত্যায় যারা জড়িত, তাদের সুষ্ঠু বিচার হোক। আমার ছোট ভাই যেন ইনসাফ পায়।

আমার বার্তা/এমই

রাশিয়ান মডেল মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

ঢাকার রাস্তায় এক পথচারীকে প্রকাশ্যে মারধর, কটূক্তির অভিযোগে রাশিয়ান বংশোদ্ভূত মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার

সেনা কর্মকর্তাদের মামলার পুনঃতদন্ত চাইলেন ডিফেন্স আইনজীবী

গুম-খুনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সেনা কর্মকর্তাদের মামলার পুনঃতদন্ত চেয়েছেন ডিফেন্স আইনজীবী এবিএম হামিদুল

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য উদঘাটনেই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি: চিফ প্রসিকিউট

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের তথ্য উদঘাটনের উদ্দেশে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

বিধিবহির্ভূতভাবে রাজউকের প্লট গ্রহণের অভিযোগে দুদকের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপির থেকে পদত্যাগ করলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার

বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আ.লীগ: রাষ্ট্রপতি

রাশিয়ান মডেল মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে আরও ৬ জাহাজে হামলা

জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা

চব্বিশে সম্মিলিত আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে: রাষ্ট্রপতি

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের অধিবেশন ত্যাগ

স্বৈরাচারের কেউ এ সংসদে নেই: আন্দালিব রহমান পার্থ

শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তনের মাধ্যমে দক্ষ জাতি গঠন সরকারের অগ্রাধিকার

খালেদা জিয়া মানেই আপসহীন গণতন্ত্র আর সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী

বিসিবি সভাপতি হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন তামিম ইকবাল

ছাত্র-জনতার গণপ্রত্যাশা পূরণই এই সংসদের অঙ্গীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটির মধ্যে দুইদিন আন্তঃব্যাংক চেক নিষ্পত্তি হবে নতুন সময়সূচিতে

ত্রয়োদশ সংসদ: মির্জা আব্বাসসহ ৫ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনীত

জাতীয় সংসদ যেন চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয়: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে বিএমইউতে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও সেমিনার

সংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস-সেনাপ্রধান-জাইমাসহ উপস্থিত ছিলেন যারা

দেশ ও জনগণের স্বার্থই আমার রাজনীতি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব

অভিযানের ৩৯তম ধাপে একাধিক মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির