
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের ভাষণের জন্য নাম ঘোষণার সাথে সাথেই হট্টগোল শুরু হয়। এসময় ওয়াকআউট করেন প্রধান বিরোধীদল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতি ভাষণ শুরু করলে তারা ওয়াকআউট করেন। এসময় প্রথমে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান আসন ত্যাগ করলে বাকি সদস্যরাও বেরিয়ে পড়েন।
এসময় তারা ‘গেট গেট গেট আউট, কিলার চুপ্পু গেট আউট’, ‘গণতন্ত্র ফ্যাসিবাদ, এক সাথে চলে না’ স্লোগান দেন এবং ‘গাদ্দার চুপ্পু’ নামে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে।
এরআগে কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে হাফিজ উদ্দিন স্পিকার নির্বাচন করেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। একই সময়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়। তবে ভোটভোটির সময় নিরব ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। তারা হ্যাঁ কিংবা না এর পক্ষে কোনো সমর্থন জানাননি।
এই পদে অন্য কেউ না থাকায় হাফিজ উদ্দিন সর্বসম্মতক্রমে ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্পিকার নির্বাচিত হন।
বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম স্পিকার হিসেবে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিনের নাম প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবে সমর্থন দেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম।
পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্বকারী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দিলে তা ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ স্পিকার নির্বাচিত হন।
তারও আগে সংসদের প্রথম অধিবেশন স্পিকার ছাড়াই শুরু হয়। বিগত স্পিকার পলাতক ও ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় সংসদ নেতার প্রস্তাবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। এরপর স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।
আমার বার্তা/এমই

