ই-পেপার সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১
ভারত ভ্রমণে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ইমিগ্রেশন আতঙ্ক

নিরাপদে ঝোড়পোর্ট যাত্রীরা!

রতন বালো, ভারত ঘুরে এসে
১২ মে ২০২৩, ১১:৩৪
আপডেট  : ১২ মে ২০২৩, ১১:৫৩
চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে (ভারত) মাত্র একজন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। জনবল সংকটের কারণে সীমান্ত পার হবার পরে এ ভাবেই ভারতমুখী যাত্রীদের খোঁলা আকাশের নীচে রোদে পুরে ও বৃষ্টিতে ভিজে ইমিগ্রেশনের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ছবিটি গত ১ মে চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত থেকে তোলা। ছবি : আমার বার্তা

# সীমান্ত যেন শাখের করাত

# অবৈধযাত্রীদের পোয়াবারো, টাকা দিলেই পারাপার

# হয়রানির শিকার ৩৬ সাংবাদিক

# খোলা আকাশের নিচেই ১০ ঘন্টা

মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্যরা গত ১ মে ভারত সফরে যান। এই সফরে তাদের অম্লমধুর অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রত্যাশার পারদ উচুঁতে তুলে ধরে মানিকগঞ্জের সাংবাদিকদের এক বহর গত ১ মে ভারতের উদ্দেশ্যে স্বদেশ ত্যাগ করে। দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের ভিতরের হাঁসি ঠাট্টা অব্যাহত ভাবে চলতে থাকে। এমনকি রাস্তায় চা নাস্তা করাও সমানে চলে। এরপর দেশের সীমানা প্রাচীর পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশের সময় ঘটতে থাকে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি। সে সময়ের অভিজ্ঞতা কেবল মর্মান্তিকই নয় নিদারুন পরিহাসের। বৈধ পথে ভিসা নিয়ে ভারতে গমন নিছক ঝাকমারি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ, হাজার হাজার টাকা খরচ না করে অবৈধপথে এক হাজার পাঁচশত থেকে দুই হাজার টাকা খরচ করলেই রাজার হালে ভারতে প্রবেশ করা সম্ভব। অন্যদিকে যারা বৈধভাবে ভারতে যাওয়ার জন্য সরকারের সকল আইন মেনে চলেন সব দুর্ভোগের মুখোমুখি হন তারাই। দেখে নেয়া যাক এবারে অভিজ্ঞতা-

সীমান্তে বিড়ম্বনা: বৈধ পথে পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে সহজে সীমান্ত পথ পার হওয়া এক আকাশ কুসুম কল্পনা। দালাল ছাড়া কোন পাসপোর্ট ভিসা (স্বদেশ এবং বিদেশের সরকারের দেয়া অনুমিতপত্র) কোন কাজেই লাগছে না। এসব থাকা সত্বেও দালালদের হাত ধরেই পার হতে হচ্ছে সীমান্ত। গত ১ মে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের ৩৬ জন সাংবাদিক দালালদের হাতে হয়রানির শিকার হন। হয়রাণির শিকার সাংবাদিকরা হলেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যবৃন্দ।

ভিসা অনুমোদনের পর গত ৩০ এপ্রিল বুড়িমারী আবাসিক ট্যুরিস্ট পয়েন্টের(আবাসিক) মাধ্যমে ভারতের সিকিম গ্যাংটকে যাওয়ার জন্য মানিকগঞ্জ থেকে এসআর পরিবহনের বাসটি রাত ৮ টায় ছেড়ে যায়। পর দিন ১ মে সকালে বুড়িমারী স্থল বন্দরে পৌঁছায়। সকাল ৯টায় ট্যুরিস্ট পয়েন্টের লোকদের হাতে পাসপোস্টসহ অন্যান্য কাগজপত্র দিতে তুলে দেয়ার পর শুরু হয় অপেক্ষার পালা। সকাল ১০টায় বুড়িমারী স্থল বন্দর ইমিগ্রেশনের জন্য এই সব কাগজ জমা হয়।

দু’ঘণ্টা খোলা আকাশের নীচে অপেক্ষার পর দুপুর ১২ টায় ৩৬ সাংবাদিকের ডাক পড়ে। পরে পৌছানো শ্যামলী, হানিফসহ অন্যান্য পরিবহনের যাত্রীদের ইমিগ্রেশন শেষ করে হতভাগ্য সাংবাদিকদের ডাকা হয়। উৎকণ্ঠার পালা শেষে দুপুর দেড় টায় চ্যংড়াবান্ধা সীমান্ত পারের অনুমতি মেলে। সবমিলিয়ে সন্ধ্যা ৭টার পরে কাজ শেষ হয়। অর্থাৎ ১০ ঘন্টা সময় নিয়ে চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত অতিক্রম করতে হয়। ইমিগ্রেশন কাজের জন্য এরা সবাই দুপুর আড়াইটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

হয়রানির শিকার হওয়া দৈনিক সংবাদের মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি রাম প্রসাদ দিপু বলেন, ট্যুরিস্ট (আবাসিক) পয়েন্টের লোক ভাল নয়। তারা ভাল হলে সাংবাদিকরা এধরণের অমানবিকতার শিকার হতেন না। শ্যামলী, হানিফসহ অন্যান্য পরিবহনের লোকরা ইমিগ্রেশনের লোকদের সঙ্গে অর্থের লেনদেন করে অনায়াসে আমাদের পরে এসেও আগে ইমিগ্রেশন শেষ করেন। এজন্য ট্যুরিস্ট প্রয়েন্টের লোকদের আগাম টাকা ধরিয়ে দিয়ে তারা অনেক বৈধ যাত্রীর চেয়ে বেশি সুবিধা পেয়ে থাকেন। এদিকে টাকা পরিশোধ হলেই ট্যুরিস্ট পয়েন্টে দায়িত্ববানেরা ভ্রমনকারিদের খোঁজ রাখেন না। তারা যদি সত্যিকারভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতেন তাহলে এই ধনরণের ঘটনা ঘটতো না। আর ৬ জন সাংবাদিককে ১০ ঘন্টা ধরে চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে অসহায় হয়ে অপেক্ষা করতে হতো না।

রামপ্রসাদ দিপুর সঙ্গে সকলেই একমত হন। চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে (ভারত) মাত্র একজন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। জনবল সংকটের কারণে সীমান্ত পার হতে অনেক সময় নষ্ট হচ্ছে। একই অবস্থা দেশের বৃহতম স্থল বন্দর বেনাপোল আর হিলি সীমান্তেও। স্থানীয় অনেকেই জানিয়েছেন পাসপোর্ট ভিসাধারী যাত্রীদের হয়রানি নিত্যনৈমত্তিক হলেও ‘ঝোড়পোর্টে’র যাত্রীদের জন্য বড় সুযোগ থাকে। মাত্র এক হাজার পাঁচশত থেকে দুই হাজার টাকা দিলেই জামাই আদরে তাদেরকে পার করে দেন বিজিবি আর বিএসএফের দায়িত্ববান কর্মীরা! এসময় পাসপোর্ট বিহীন একজন যাত্রীর সময় লাগে ৫ থেকে ১০ মিনিট। এই টাকা দিয়ে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ও বিএসএফ (ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী) এর সামনে দিয়ে তারা নির্বিঘ্নে পারাপার হচ্ছেন।

কিন্তু ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা ব্যয় করেও একজন যাত্রী বৈধ পথে সীমান্ত পার হতে সময় একই সঙ্গে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দালাল, ইমিগ্রেশন, কাস্টম নানা ঝামেলাসহ প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় খোলা আকাশের নীচে অথবা বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে। বৈধ যাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রথম পাসপোর্ট বাবদ ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার, অনলাইলে ভিসা ফরম পূরণ বাবদ ২শ থেকে ৪’শ, ভিসা ফরম জমা দিতে ৮৪০ এবং ভ্রমন কর দিতে হয় ৬শ’ টাকা। তার পরেও রয়েছে সীমান্ত ঘেষা দালাল চক্রের অত্যাচার।

দালাল আর প্রশাসন ভাই ভাই: বৈধ যাত্রী সরাসরি পাসপোর্ট নিয়ে ইমিগ্রেশন ও কাস্টম করতে পারেন না। কোন না কোন দালালের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন ও কাস্টম চেক করাতে হয়। গত ১ মে থেকে ৭ মে পর্যন্ত চ্যংড়াবান্ধা, বেনাপোল ও দিনাজপুর হিলি ও ভারত হিলি (অপার বাংলা) সীমান্ত জুুড়ে এ চিত্র দেখা গেছে। বাংলাদেশ চ্যাংড়াবান্ধা, বেনাপোল ও হিলি সীমান্ত ঘেষা হানিফ, জাকের, কেয়া, শ্যামলী, রোজিনাসহ প্রায় ৫০ এর অধিক পরিবহন কাউন্টার রয়েছে। প্রতি কাউন্টারে দালাল রয়েছে ৪ থেকে ৬ জন। এরা নিজেদেরকে দালাল বলেন না বলেন গাইড! গাইড নামের আড়ালে এসব দালালদের নিয়ে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র।

এই সিন্ডিকেট চক্রের হাত ছাড়া বৈধ কোন যাত্রী ইমিগ্রেশন ও কাস্টম চেক করাতে পারেন না। যাত্রী প্রতি তাদেরকে দিতে হয় ২ থেকে ৫শ’ টাকা। অনেকেরই কাছ থেকে এরা আরো বেশি টাকা আদায় করে থাকে। যদিও এসব টাকা দেয়ার সরকারি কোন বিধান নেই। পরিবহন থেকে নামলেই এরা এগিয়ে আসে। তারা যাত্রীদের পাসপোর্টসহ জরুরি কাগজপত্র নিজেদের অধিকারে নিয়ে নেন। কেউ আপত্তি করলে তাকে চড়া মাশুল দিতে হয়। সঙ্গে রয়েছে ব্যাগ টানাটানি পার্টির বকশিস বাণিজ্য। সব মিলে একজন বৈধ যাত্রীকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় করে ভারতে প্রবেশ করতে হয়। বৈধযাত্রীদের কাছ থেকে আদায়করা অর্থের একটি বড় অংশ বিজিবি, বিএসএফ, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের হাতে পৌছে যায় এমনটিই জানা গেছে সরেজমিনে। অন্যদিকে একজন অবৈধ যাত্রীকে এসবের কোনো ঝামেলা পোহাতে হয় না। মাত্র ১৫শ’ থেকে ২ হাজার টাকা দালালদের ধরিয়ে দিলেই সব কেল্লা ফতে।

কথা হয় চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে রমেশ চন্দ্র রায় নামে এক যাত্রীর সঙ্গে। তিনি যেমনটি বলছিলেন। গত ৩০ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টায় কমলাপুর থেকে হানিফ পরিবহনে ভারতে যাওয়ার জন্য বাংলা চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে পৌছান। ভোর ৫টায় বাস বর্ডারে পৌছে যায়। তবে তার পাসপোর্ট ভিসা নেই। যদিও তার সঙ্গে থাকা মামা ও দিদিমার পাসপোর্ট ভিসা আছে। এরপর নিজের রাস্তা নিজেই খুঁজে নেন। কাউন্টারে থাকা মো. জামিরুল নামে এক দালালের মাধ্যমে ভোরেই সীমান্ত পার হয়ে ভারত চ্যাংরাবান্ধায় চলে যান রমেশ। তার সঙ্গে থাকা মামা ও দিদিমাকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত পরিবহন কাউন্টারে অপেক্ষা করতে হয় ইমিগ্রেশন ও কাস্টম অফিস খোলা পর্যন্ত এবং উল্লেখিত ঝামেলা মোকাবেলা করে দুপুর ১২টায় তারা ভারত চ্যাংড়ান্ধায় যেতে সক্ষম হন। অথচ পাসপোর্ট ভিসা ছাড়ায় কেবলমাত্র নগদ লক্ষীতে রমেশ আগেই ভারতে চলে যেতে সক্ষম হন!

আরও যা দেখা গেল: ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে একবিন্দুও নাগরিক সুযোগ সুবিধা বাড়েনি। চেকপোস্টে বিশ্রাম নেওয়ার মতো কোন আবাসন ও ব্যরাক নেই। অথচ এই চেকপোস্টগুলো দিয়ে প্রতিমাসে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়াও শত শত কোটি টাকার পণ্য আমদানি ও রপ্তানি হয়। কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হলেও এই চেকপোস্টে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। জোড়াতালি চলছে অফিস। দিনাজপুরের হিলি বন্দরে যাত্রীদের বসার কোন বন্দোবস্ত নেই। ইমিগ্রেশন চেক করতে গিয়ে তাদের রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। যা অনেক সময় বয়স্ক পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য মারাত্মক হয়ে ওঠে। বাথরুম সুযোগ না থাকায় মহিলারা চরম অসুবিধায় পড়ছেন। তাই চেকপোস্টে ইমিগ্রেশনসহ অন্য কর্মকর্তারা অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।

বাংলাহিলি ইমিগ্রেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফ আলী বলেন, বাংলা হিলি ইমিগ্রেশনে কমপ্লেক্স ভবন আছে। নাগরিক সুযোগ সুবিধা অছে। তবে যাত্রীদের নিকট থেকে দালালদের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে অর্থ আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। বাংলা হিলি কাস্টমে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, ভারত ও বাংলায় প্রবেশ করতে অনেক যাত্রী ইমিগ্রেশন ও কাস্টম বুঝে না। স্থায়ীয় কিছু বেকার লোকেরা তাদের সহযোগিতা করে থাকেন। বিনিময়ে যাত্রীরা তাদের একটু আর্থিক সহযোগিতা করে থাকেন। এটা দোষের কিছু নয় বলে তিনি মনে করেন। তবে চাঁদাবাজির কথা তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, পুরাতন ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন তৈরি করা হবে। নতুন ভবন নির্মাণ হলে ভোগান্তি কমবে। তবে আমাদের যাত্রীদের সেবার মান বাড়ছে। তবুও আমরা যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি।

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা তাপস কুমার দেব রায় বলেন, অন্য সময়ে তুলনায় বেশি যাত্রী পারাপার করছে। আমরা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সব কার্যক্রম শেষ করে দ্রুত ছাড় নেয়ার চেষ্টা করছি। বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির হোসেন এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই বলেন না। যথাযথ কর্তৃপক্ষ তাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে তারা সেই দায়িত্ব পালন করছেন বলে তিনি জানান। ইমিগ্রিশেন পুলশি বনোপোলরে ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা আহসান হাবীব এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও এ বিষয়ে কোন কথা বলেন নাই। কাজের ব্যবস্তার অজুহাতে এড়িয়ে যান।

এবি/ জিয়া

ওয়াসার ফকরুল দম্পত্তির হাউজিং ব্যবসা রমরমা! 

ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী ফকরুল ইসলাম অবৈধ উপার্জনের টাকা বৈধ করতে স্ত্রী নাদিরা ইয়াসমিন মুক্তার নামে

সিবিএ নেতা সারোয়ার যেন এক মোগল সম্রাট

* আত্মীয়-স্বজনসহ প্রায় ৪০০ লোককে চাকরি দিয়েছেন * নামে-বেনামে রয়েছে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা বিআইডব্লিউটিএর সিবিএ নেতা

কঠোর অবস্থানে সরকার

* কোটা আন্দোলন নিয়ে মন্ত্রীদের অবস্থান স্পষ্ট * মামলা প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম * আন্দোলন অন্যদিকে ধাবিত

শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পেলেন ১৫ গুণীজন

লোকসঙ্গীত শিল্পী মো. আবুল বাশার আব্বাসী। বয়স ৫০ পেরিয়ে ৫১ ছুঁই ছুঁই। আট বছর বয়স
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না: সমন্বয়ক নাহিদ

চট্টগ্রামে পুলিশ বক্সে আগুন, অস্ত্র হাতে ৩ যুবকের গুলিবর্ষণ

বাংলাদেশ ভ্রমণে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ কানাডার

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা, বাড়ানো হয়নি নীতি সুদহার

ত্রিমুখী সংঘর্ষে ১০ শিক্ষার্থীসহ সারাদেশে বেড়ে নিহত ১২

সাড়ে ৩ ঘণ্টা ধরে বিটিভি ভবনে জ্বলছে আগুন

কোটা নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানি রোববার

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে রিকশাচালক নিহত

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সেতু ভবনে আন্দোলনকারীদের আগুন

নরসিংদীতে কোটা আন্দোলনে সংঘর্ষে স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

যারা পুলিশের গায়ে হাত দিচ্ছে তাদের ছাড় নয়: ডিবিপ্রধান

কোটা সংস্কারে প্রয়োজনে সংসদে আইন পাস: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রেসিডেনসিয়াল কলেজ শিক্ষার্থী ফারহান নিহত

নিরাপত্তার স্বার্থে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ

সরকারের পক্ষ থেকেও আলোচনার দরজা খোলা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ত্রিমুখী সংঘর্ষে ১০ শিক্ষার্থীসহ সারাদেশে নিহত ১১

কোটা নিয়ে আপিল শুনানির জন্য রোববার আবেদন করা হবে

এইচএসসির তিন পরীক্ষা স্থগিত

বেধড়ক মারধরে র‍্যাব সদস্যের অবস্থা সংকটাপন্ন

লাশের ওপর দিয়ে আলোচনা নয় সরকারকে শিক্ষার্থীরা