
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে জামায়াত ও দলের নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের চক্রান্ত ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। কোনো অবস্থাতেই মাঠ ছাড়বো না, ইনশাআল্লাহ।’
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনা প্রসঙ্গে জুবায়ের জানান, দলের এক জেলা নেতাকে বিমানবন্দরে ঘিরে ‘নাটকীয় পরিস্থিতি’ তৈরি করা হয়েছিল। তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বহন করা অপরাধ নয় বলে দাবি করেন তিনি।
জুবায়ের অভিযোগ করেন, পুলিশ কিছু চিহ্নিত সাংবাদিককে নিয়ে ঘটনাটি প্রচার করেছে এবং ওই নেতাকে হেনস্তা করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট জেলা আমির বর্তমানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
কুমিল্লা-৪ আসনে এক রাজনৈতিক নেতার ভোট হুমকির প্রসঙ্গে জুবায়ের বলেন, ‘ভোট না দিলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টতই ফৌজদারি অপরাধ। এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে বিভিন্ন স্থানে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর এবং নারী কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন আসনে বডি ক্যামেরার বণ্টনে অসামঞ্জস্য রয়েছে। কিছু আসনে অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং কিছু আসনে কম বডি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।
জুবায়ের বলেন, ‘যেখানে আমাদের সম্ভাবনা বেশি, সেখানে ক্যামেরার সংখ্যা বেশি—এটি কাকতালীয় না কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা পরিষ্কার হওয়া উচিত।’
আমার বার্তা/এমই

