ই-পেপার সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণের হাসি কি ম্লান হতে শুরু করেছে

এস এম মাসুদ রানা:
০১ মার্চ ২০২৬, ১৬:৩৫

এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে অটোম্যান সাম্রাজ্যের রাজত্ব ছিল। বিচ্ছিন্ন কিছু সময়কাল ও ঘটনা ছাড়া অটোম্যান শাসকরা সুশাসন, ন্যায় বিচার, প্রজ্ঞা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার কারণে শত শত বছর সাম্রাজ্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণ বিষ্ময়কর ছিল। এ বংশের বিখ্যাত দশম শাসক মহামতি সুলতান সুলেমান নামে ইতিহাসে প্রসিদ্ধ হয়ে আছেন। তখন উজির এ আযম ছিলেন সুলতানের ছেলেবেলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সবচেয়ে বিশ্বস্ত ইব্রাহিম পাশা। পদাধিকার বলে তিনি অন্য পাশা তো বটেই এমনকি সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত অন্য প্রদেশ বা রাজ্যের প্রধানের উপরে ছিলেন । এক যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি হিসাবে তার ব্যর্থতার কারণ হিসাবে সুলতানের নিকট নানা অভিযোগ করছিলেন আরেক পাশা ও অন্যতম সেনাপতি । বিচক্ষণ সুলতান চাটুকারিতায় প্রভাবিত না হয়ে তাকে ভর্ৎসনা করে বললেন যে, আপনি নিজেকে আলাদা ভাবলেন কেন? সঠিক পরামর্শ দিয়ে তাকে সাহায্য করা আপনার দায়িত্ব ছিল।

এ বংশের আরেক বিখ্যাত শাসক সুলতান আহমেত অতি অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহন করেন। শাসনকার্যে অনভিজ্ঞ হলেও তার অধীনস্থ পাশাগণ সঠিক পরামর্শ ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব পালন করতেন। ক্রমে দক্ষ এ সুলতান পরবর্তীতে সুশাসন ও ন্যায়বিচার এর প্রশ্নে তার সবচেয়ে কাছের ও বিশ্বস্ত পাশাকেও মৃত্যুদন্ড দিতে কুন্ঠা বোধ করেন নি।

বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব হিসাবে অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহন করেন সিরাজ উদ্দৌলা। তার অধীনস্থ প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খাঁ নবাব আলিবর্দি খানের আস্থাভাজন ছিলেন ও তৎকালীন সময়ে সমর বিদ্যায় অদ্বিতীয় ছিলেন। অন্যান্য সেনাপতি সহ সিরাজের একটি সুসজ্জিত ও চৌকস সেনাবাহিনী ছিল। সিরাজ নিজেও যুদ্ধবিদ্যায় অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন । রাজ্যের অন্যান্য অমাত্যগণ ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাগণ স্ব স্ব দায়িত্বে যথার্থই ছিলেন। অধিকন্তু সম্পদ ও প্রাচুর্যে এ অঞ্চল তৎকালীন সময়ে বিশ্বে অভূতপূর্ব সমৃদ্ধ ছিল। নিন্দুকেরা নবাবকে অর্বাচীন, নাবালক ও নানান কটুকথা বললেও বাংলার আকাশে যে দুর্যোগের ঘনঘটা, এটা তিনি ঠিকই আঁচ করেছিলেন। এতদসত্ত্বেও দূর্নীতি, ক্ষমতার লোভ, দেশপ্রেম হীনতা ও নবাবের প্রতি আনুগত্যের অভাবে সিরাজের পতন হয়েছিল ।

শৈশবে পিতৃহীন হয়ে সংগ্রাম ও নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলেন সমসাময়িককালে সবচেয়ে কাঙখিত নেতা তারেক রহমান । তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এমনটি দেখার জন্য জাতি মুখিয়ে আছে। স্যাকরার হাতে আগুনে পুড়ে সোনা যেমনি খাঁটি হয়ে ওঠে, নানা ঘাত প্রতিঘাত, ত্যাগ ও দীর্ঘকাল নির্বাসনে কাটিয়ে তিনি উপযুক্ত ও পরিপক্ব নেতা হিসাবে দেশে ফিরে এসেছেন বলেই বিশ্বাস করেন চাতক পাখির মত চেয়ে থাকা এ দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ । তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই পবিভিন্ন বদলি ও নানা পদায়ন, দায়িত্বশীল মন্ত্রীদের নানা সিদ্ধান্ত ও মন্তব্য, সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ ও চাকুরিচ্যুতি, ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে দানব বনে যাওয়া পুলিশের স্বরূপে প্রত্যাবর্তন আবারও বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা কিনা তা ভেবে সাধারণ জনগণের হাসিটা কিঞ্চিৎ ম্লান হতে শুরু করেছে।

আমার বার্তা/এমই

সেদিন ছিল মৃত্যুর রাত!

২৩ আগস্ট ২০০৪। সোমবার। রাত প্রায় দশটা। ধানমন্ডি পাঁচ নম্বর রোড। সুধা সদনের সামনে তখন

শনিবারের বাংলাদেশ: ভোট, কূটনীতি, মশা ও ভবিষ্যতের খোঁজে

শনিবারের সকালটি একটু অবকাশের—কিন্তু পৃথিবীটি বেচারা অবকাশ মানে না। বরং মনে হয়, আমরা যখন ছুটির

উন্নয়নের আসল মাপকাঠি মাসের শেষের স্বস্তি

সেপ্টেম্বরের সকাল। রোদ উঠেছে—এটি অবশ্য আমাদের কৃতিত্ব নয়; সূর্য মহাশয় বহু যুগ ধরেই বিনা টেন্ডারে

“তুমি আমার ডেডবডিটা নিয়ে যেও”—বলেছিলাম, “আপনি ফিরে আসবেন, দেশ চালাবেন”

কিছু মানুষের জীবনকে শুধু জীবনী বলা যায় না। জীবনীতে জন্মতারিখ থাকে, শিক্ষার বিবরণ থাকে, চাকরি
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইস্তেখারা সালাতের হুকুম ও নিয়ম

নারী অধিকার রাজনৈতিক হাতিয়ার তবু অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি : ইসলামী আন্দোলন

রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারে হামলা থামান : জেলেনস্কিকে ট্রাম্প

বিজিবিতে সিপাহী পদে চাকরি

তামিলনাড়ুতে মুসলিম ছাত্রীদের শিক্ষা খরচ দেবে থালাপতি সরকার

১৫ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করছে ফ্রান্স

৬৬৬ কোটি টাকার করের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের

হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু

ডিএজির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন রুমিন ফারহানার

নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২ হাজার ৮৫৫ মামলা

মঙ্গলবার থেকে শিল্প-কারখানায় গ্যাস-বিদ্যুৎ স্বাভাবিক করার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

ডাকসু থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী

ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

বাড়ছে না হজ নিবন্ধনের সময়

এনপিটি ছাড়তে পারে ইরান, বদলাবে পারমাণবিক নীতি?

আগের মতো গ্যাস-বিদ্যুৎ পাবে কারখানা, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস: এফবিসিসিআই প্রশাসক

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউটে রূপান্তরিত হচ্ছে টিবি হাসপাতাল: প্রতিমন্ত্রী

হাসিনাকে ভারতে বন্দি করে রাখা হয়েছে কিনা, যা বললেন আসিফ নজরুল

পদ্মা আর গুজরাটের ইলিশের পার্থক্য বুঝবেন যেভাবে