
‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করায় অল্প সময়ের মধ্যে ভূমি দখল, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার ফলে এসব অপরাধ অনেকাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিনে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে এসব কথা জানান। এসময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান তার পশ্নে বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলবেন কি, আমার নির্বাচনি এলাকায় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর কর্তৃক সরকারি দলের কিছু অসাধু লোকের সহায়তায় জমি দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে আপনি অবগত কিনা? থাকলে— আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কিনা? হলে— কবে নাগাদ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?”
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জমি দখল, চাঁদাবাজি ও অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘৃণ্য অপরাধ, যা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একটি দেশের উন্নয়নে সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধমুক্ত সমাজব্যবস্থার কোনও বিকল্প নেই। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার একটানা দীর্ঘ ১৫ বছরের অধিক সময় ক্ষমতায় থাকাকালে তাদের অনুগত সন্ত্রাসী বাহিনী ভূমি দখল, জল, বালু মহাল দখল, বিভিন্ন সেক্টরে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। বর্তমান সরকার এসব অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করায় অল্প সময়ের মধ্যে ভূমি দখল, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার ফলে এসব অপরাধ অনেকাংশ হ্রাস পেয়েছে।”
মন্ত্রী জানান, রাজশাহী-১ আসন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নিদের্শনা প্রদান করা হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে ওই এলাকার জনগণ স্বস্তিতে বসবাস করছে। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করতে সরকার বদ্ধ পরিকর।
আমার বার্তা/এমই

