ই-পেপার রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩৩

মিডিয়া ফুটবল ব্যবসা ও ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে যাদের নিয়োগ করেন হাসিনা

আমার বার্তা অনলাইন:
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬:৪২
আপডেট  : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬:৪৪

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী দাবি করেছেন, সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য শেখ হাসিনা শ্যামল দত্ত ও সুভাস সিংহ রায়ের মতো লোককে নিয়োগ করেছিলেন। এছাড়া ফুটবল নিয়ন্ত্রণে সালাউদ্দিন এবং ব্যবসা ও ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে নজরুল ইসলাম মজুমদারকে নিয়োগ করেন পতিত স্বৈরাচার হাসিনা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম এম এ আজহারুল ইসলামের আদালতে নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের ধানমন্ডি থানা ও যাত্রাবাড়ী থানার রিমান্ড শুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন।

পিপি ফারুকী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সব জায়গায় তার নিজস্ব লোক নিয়োগ করেছিলেন। যেমন ফুটবলে নিয়োগ করেছিলেন সালাউদ্দিনকে এবং সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিয়োগ করেছিলেন শ্যামল দত্ত ও সুভাস সিংহ রায়ের মতো লোককে। ব্যবসায় এবং ব্যাংকারদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে লোককে হাসিনা নিয়োগ করেছিলেন সেই লোকটা নজরুল ইসলাম মজুমদার।’

এদিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে দুই মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত ৫ দিন করে দুই মামলায় ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

রিমান্ড শুনানিতে ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে সকল ব্যাংকার এবং ব্যবসায়ী একটা মিটিং করেছিল। সেই মিটিংয়ে উনি (আসামি) বক্তব্য রেখেছিলেন। সেই বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন এবং শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন, ‘আপনি চালিয়ে যান আমরা আপনার পাশে আছি।’ তার এই বক্তব্য সকল মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে।

ফারুকী আরও বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিয়ে শেখ পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য সবকিছু করেছিলেন তিনি। এই মজুমদার তাদের সাথে বসে আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। সেই হিসাবে সে এই অপকর্মের সাথে জড়িত। এই আন্দোলনে যারা গুলি চালিয়েছে এবং যাদের নির্দেশে চালানো হয়েছে তা থেকে তারা কোনোভাবেই বাঁচতে পারবে না।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে বলেন, তিনি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের অনেক বড় শিল্প উদ্যোক্তা। তার অধীনে ৫ লক্ষ লোক কাজ করে। সে এখন জেলে। কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে এসব লোক বেকার হয়ে যাবে। তার বিরুদ্ধে মামলায় কোনো অভিযোগ নাই। সে কোনো রাজনৈতিকদলের সদস্য না। সে একজন ব্যবসায়ী মানুষ। সরকার আসে, সরকার যায়। তারা ব্যবসায়ীরা তাদের সুবিধার জন্য যা করা দরকার করে। জেল হাজতে থাকাকালীন তার হার্ডে রিং পরানো হয়েছে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে। তাকে একাধিক মামলায় আগে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো কিছু পায় নাই। তার শারীরিক যে অবস্থা রিমান্ডে নেওয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই। রিমান্ড বাতিল করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হোক।

এরপর নজরুল ইসলাম নিজেই কিছু বলতে চান বলে আদালতকে বলেন। এরপর আদালত অনুমতি দেন।

তখন তিনি বলেন, আমি হার্টের রোগী। অনেক কষ্ট হচ্ছে। ওই সময় শেখ হাসিনার পাশে না থাকলে... আমার বড় ভাই ৫ বছর এমপি ছিল। সেই বড় ভাইকে ক্রসফায়ারে মারা হয়েছে। আমারও সেই অবস্থা হতো। আমার রিমান্ড বাতিল করে আমাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। এটা আমার একটা সাবমিশন।

পরে আদালত আদেশ দেন।

এরপর আবার রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌশলি (পিপি) ফারুকী বলেন, তারা যখন কোর্টে আসে তাদের অসুস্থ ক্যান্সার এই সেই অনেক কিছু হয়ে যায়; অথচ জুলাই আন্দোলনের সময় এমন জোরে জোরে বক্তব্য দিচ্ছেন যে, বোঝাই যায় না তিনি অসুস্থ। এটা আসলেই তারা বয়স্ক অসুস্থ এটা নাই সেটা নাই সবকিছু হয়ে যায় আন্দোলনে ছিলেন তখন কেনো অসুস্থ ছিলেন না। আমাদের এই ধরনের সম্পদ দরকার নাই যে সম্পদ অভদ্র যে সম্পদ মানুষের সে। যে সম্পদ স্বৈরশাসনের তৈরি করে অর্জন করা হয়েছে সেই সম্পদ আমাদের দরকার নাই এবং কোটি কোটি টাকা দেশ থেকে বাঁচার করেছে। শেখ হাসিনা যে ধরনের শরীর শাসন করেছে। তার আমূল পরিবর্তন। আমরা অল্প খাব হালাল খাবো হালাল পরব হালাল উপার্জন করব আমরা এ ধরনের সম্পদ চাই না এ ধরনের উদ্যোক্তা চাই না যারা মানুষের রক্ত চুষে খায়, সেই ধরনের উদ্যোক্তা আমাদের দরকার নাই। ২০০০ মানুষ মারা গেছে যারা গুলি করেছে তাদের জীবন সাথী যারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়িত তাদেরও তেমন শাস্তি শুরু হয়েছে আমরা এখন পর্যন্ত অর্ধেক মামলা করতে পারি নাই; আরো বাকি আছে।

আমার বার্তা/এমই

শহীদ মিনারে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা: নেপথ্যে নারী ও মাদক দ্বন্দ্ব

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হাসান হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে নারী ও মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের তথ্য

মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে রাজধানীতে ডিবির ব্লক রেইডে গ্রেপ্তার ১২৬

রাজধানীর বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে মার্চ মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে ধারাবাহিক ব্লক

গাইবান্ধায় তদন্ত কেন্দ্রে জুয়া-অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজড

গাইবান্ধায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কক্ষে জুয়া খেলা, নারী নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদক কারবারিদের কাছ

চরমপন্থিরা পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে : র‍্যাব

অভ্যুত্থান পরবর্তী দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন চরমপন্থি সংগঠন আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামালপুরে ব্রিজ ভেঙে নদীতে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত

ঢাকার ফাঁকা সড়কে ব্যস্ত রিকশা ও সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি

প্রধানমন্ত্রী ও ড. ইউনূসের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা

সৌদি ঘাঁটি খুলে মার্কিন-ইরান সংঘাতের প্রস্তুতি

ভাঙ্গায় ঈদের দিনে দুই গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

ঈদে স্বর্ণের দাম কমেছে

কাবুলে পাকিস্তানি হামলায় পুনর্বাসন কেন্দ্র বিধ্বস্ত, শতাধিক নিহত

ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কূটনীতিকদের ঈদ শুভেচ্ছা

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিলনমেলা

কুমিল্লায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত

ঈদে দায়িত্বে যেসব পেশার মানুষ

মোনাজাতে যুদ্ধ বন্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে ‘বিন্দুমাত্র’ আগ্রহ নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প

দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই: পানিসম্পদমন্ত্রী

চোখের জলে গুনাহ মাফ চেয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কল্যাণ কামনা

জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

২১ মার্চ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর

আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই: প্রধানমন্ত্রী