
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই হচ্ছে, কিন্তু আমাদের নীতিনির্ধারণে এখনো একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে: জলবায়ু ঝুঁকিকে আমরা এখনো মূলত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার লেন্স দিয়ে দেখি, অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রীয় ভেরিয়েবল হিসেবে দেখি না। অথচ বাস্তবতা হলো, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর কেবল ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা নদীভাঙনের সমস্যা নয়; এটি উৎপাদনশীলতা, খাদ্যব্যবস্থা, শ্রমবাজার, নগরায়ণ, স্বাস্থ্যব্যয়, অবকাঠামো রিটার্ন এবং সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির প্রশ্ন। বিশ্বব্যাংকের Bangladesh Country Climate and Development Report দেখায়, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের কৃষি জিডিপির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; একই সঙ্গে গড় উষ্ণমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ। আরও আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, ২০৫০ সালের মধ্যে ১৩.৩ মিলিয়ন মানুষ অভ্যন্তরীণ জলবায়ু-অভিবাসী হয়ে উঠতে পারে।
এখানেই মূল প্রশ্নটি সামনে আসে: জলবায়ু ঝুঁকি কি আমরা এখনো “দুর্যোগ হলে ত্রাণ, পুনর্বাসন, আশ্রয়কেন্দ্র” এই সীমিত কাঠামোতে রাখব, নাকি এটিকে ম্যাক্রোইকোনমিক, ফিসক্যাল ও ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানিংয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরব? বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন-বাস্তবতা বলছে, দ্বিতীয় পথ ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা এখন মূলধন বিনিয়োগের আয়ু কমাচ্ছে, কৃষিতে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে, শ্রমঘণ্টা কমাচ্ছে, স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং গ্রাম ও শহরের ভারসাম্যকে নষ্ট করছে। অর্থাৎ জলবায়ু এখন growth model-এর বাইরের কোনো পরিবেশগত ভেরিয়েবল নয়; এটি growth model-এর ভেতরের নির্ধারক।
বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের অগ্রগতি দেখিয়েছে। ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড়ে আনুমানিক ৩ লাখ থেকে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। পরে সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, সাইক্লোন শেল্টার, কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রস্তুতি এবং Cyclone Preparedness Programme-এর মতো উদ্যোগের কারণে ঘূর্ণিঝড়জনিত মৃত্যুহার নাটকীয়ভাবে কমেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে ১৯৭০ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়জনিত মৃত্যুহার ১০০ গুণেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। এটি রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার একটি বড় অর্জন। কিন্তু এখানেই একটি বিপজ্জনক আত্মতুষ্টির জায়গা তৈরি হয়েছে: প্রাণহানি কমেছে মানেই অর্থনৈতিক ঝুঁকি কমেছে—এ ধারণা ভুল।
কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন অর্থনীতি “মৃত্যুর সংখ্যা” দিয়ে পুরোটা ধরা যায় না। এখন বড় ক্ষতি হচ্ছে আয়ের ক্ষতি, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, অবকাঠামোর premature depreciation, স্বাস্থ্য ব্যয় বৃদ্ধি, কৃষি yield volatility এবং forced migration-এর মাধ্যমে। উদাহরণ হিসেবে বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালেই কেবল তাপপ্রবাহজনিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যার কারণে বাংলাদেশে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন কর্মদিবস হারিয়েছে, যার অর্থনৈতিক মূল্য প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার বা জিডিপির প্রায় ০.৪ শতাংশ। ঢাকার heat index জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ দ্রুত বেড়েছে। অর্থাৎ জলবায়ু-ঝুঁকি এখন কৃষিক্ষেত্রের পাশাপাশি শহুরে শ্রমবাজার, অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান, নির্মাণ, পরিবহন ও জনস্বাস্থ্যের ওপরও সরাসরি আঘাত করছে।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় নীতিগত ভুল হবে, জলবায়ু ইস্যুকে কেবল পরিবেশ মন্ত্রণালয় বা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ভেবে নেওয়া। বাস্তবে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, স্থানীয় সরকার, কৃষি, সড়ক, পানি, স্বাস্থ্য, নগর উন্নয়ন, বিদ্যুৎ—সব সেক্টরের যৌথ অর্থনৈতিক ইস্যু। যদি একটি নতুন সড়ক, সেতু, শিল্পাঞ্চল, হাসপাতাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সময় flood risk, salinity intrusion, drainage stress, extreme heat, sea-level rise বা future migration pressure বিবেচনায় না নেওয়া হয়, তাহলে সেই বিনিয়োগের প্রকৃত আর্থিক রিটার্ন কাগজে যেমন দেখায়, বাস্তবে তেমন থাকে না। ফলে আজকের উন্নয়ন ব্যয়, আগামী দিনের পুনর্গঠন ব্যয়ে পরিণত হয়। এ কারণেই জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো এখন কোনো “অতিরিক্ত ভালো কাজ” নয়; এটি public investment efficiency-এর শর্ত।
কৃষি খাত এই রূপান্তরের কেন্দ্রে। বাংলাদেশের কৃষি শুধু খাদ্য জোগায় না; এটি গ্রামীণ আয়, কর্মসংস্থান, ভোক্তা মূল্যস্থিতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি জিডিপির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, খরা, আকস্মিক বন্যা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসলচক্র বদলাচ্ছে। এর মানে কেবল ধান উৎপাদন কমে যাওয়া নয়; এর মানে rural purchasing power কমে যাওয়া, ক্ষুদ্র কৃষকের ঋণনির্ভরতা বাড়া, খাদ্যমূল্য অস্থির হওয়া এবং পরবর্তীতে গ্রাম থেকে শহরে জীবিকাভিত্তিক অভিবাসন ত্বরান্বিত হওয়া। তাই climate-smart agriculture, salt-tolerant varieties, digital advisory, efficient irrigation এবং কৃষি বিমা ছাড়া এখন কৃষি নীতিকে ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত বলা যাবে না।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জলবায়ু অভিবাসনের অর্থনীতি। ১৩.৩ মিলিয়ন অভ্যন্তরীণ জলবায়ু-অভিবাসীর সম্ভাবনা কেবল মানবিক সংকটের ইঙ্গিত নয়; এটি নগর অবকাঠামো, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, sanitation, transport demand, informal labor competition এবং social protection system-এর ওপর বিশাল চাপের পূর্বাভাস। জলবায়ু-অভিবাসনকে যদি আমরা শুধু “মানুষ শহরে আসছে” হিসেবে দেখি, তাহলে ভুল হবে। এটি আসলে spatial economic planning-এর ব্যর্থতার লক্ষণ। ঢাকার ওপর অতিনির্ভরশীল অর্থনীতি জলবায়ু-ঝুঁকির সঙ্গে মিলে দ্বিগুণ ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তাই জেলা-ভিত্তিক শিল্পায়ন, আঞ্চলিক শহর উন্নয়ন, স্বাস্থ্য-শিক্ষা বিকেন্দ্রীকরণ এবং climate-resilient secondary cities তৈরির নীতি এখন বিলাসিতা নয়, survival strategy।
এখানে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। National Adaptation Plan (২০২৩–২০৫০) অনুসারে, দেশটি বর্তমানে বার্ষিক বাজেটের আনুমানিক ৬–৭ শতাংশ জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজনমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করে। একই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০৫০ সময়কালে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে, অর্থাৎ বছরে গড়ে প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন ডলার। এই সংখ্যাগুলোই প্রমাণ করে যে জলবায়ু এখন peripheral issue নয়; এটি fiscal architecture-এর বিষয়। অর্থাৎ climate finance-কে development finance থেকে আলাদা করে দেখা যাবে না।
তবে এখানেই বড় চ্যালেঞ্জ। বাজেটে climate-related allocation থাকলেই হবে না; প্রশ্ন হলো, এই ব্যয় কতটা ফলপ্রসূ, কতটা ট্র্যাকযোগ্য, কতটা outcome-oriented? বাংলাদেশ Climate Fiscal Framework এবং Climate Public Finance Tracking-এর মতো ব্যবস্থা চালু করেছে, এবং ২৫টি climate-relevant ministry/division-এর বাজেট বিশ্লেষণের কথাও সরকারি বাজেট বক্তৃতায় এসেছে। ২০২৪-২৫ সালের বাজেট বক্তৃতা অনুযায়ী, ২০০৯-১০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ Climate Change Trust Fund থেকে ৩,৯৬৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; মোট ৯৬৯টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭২১টি শেষ হয়েছে। এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কিন্তু এখন পরবর্তী ধাপ হওয়া উচিত: allocation থেকে outcome-এ যাওয়া। অর্থাৎ টাকা খরচ হলো—এটাই শেষ কথা নয়; বরং সেই খরচে কতখানি flood loss কমল, কত কৃষক resilient seed পেল, কত নগর drainage upgrade হলো, কত health facility climate-proof হলো—এসব measurable indicator-এ যেতে হবে।
বাংলাদেশের জলবায়ু নীতির আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো, আমরা এখনো adaptation-কে অনেক ক্ষেত্রে “প্রকল্প” হিসেবে দেখি, “সিস্টেম রিফর্ম” হিসেবে না। উদাহরণ হিসেবে, একটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র বানানো গুরুত্বপূর্ণ; কিন্তু তার সঙ্গে যদি school network, rural road connectivity, emergency health logistics, livestock sheltering, mobile cash transfer, crop insurance এবং local government contingency financing যুক্ত না হয়, তাহলে সেটি আংশিক সমাধানই থাকে। একইভাবে, শহরে জলাবদ্ধতা কমাতে বড় ড্রেন নির্মাণ করা দরকার; কিন্তু land use control, wetland protection, building code, heat action plan এবং stormwater governance ছাড়া কেবল physical infrastructure দিয়ে সমাধান টেকসই হয় না। জলবায়ু অভিযোজনের নতুন সংজ্ঞা তাই “একটি প্রকল্প” নয়; বরং whole-of-government, whole-of-economy restructuring।
আন্তর্জাতিক জলবায়ু ন্যায্যতার প্রশ্নও বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক নির্গমন বেশি হলেও ক্ষতির সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করছে বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলো। এ বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক climate finance শুধু সহানুভূতির বিষয় নয়; এটি ন্যায্যতার বিষয়। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের বুঝতে হবে, বাইরের অর্থায়ন এলেই সমস্যা মিটবে না। বাংলাদেশকে climate finance absorption capacity, project preparation quality, subnational implementation capacity এবং blended finance architecture শক্তিশালী করতে হবে। বিশেষ করে renewable energy, resilient agriculture, water systems, urban cooling, insurance and risk financing এবং resilient health systems-এ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বাড়ানো জরুরি।
সবচেয়ে বড় কথা, জলবায়ু পরিবর্তনকে এখন আর শুধু “পরিবেশ” হিসেবে পড়া যাবে না; এটিকে মুদ্রাস্ফীতি, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যব্যয়, নগরায়ণ এবং প্রবৃদ্ধির আন্তঃসংযুক্ত সংকট হিসেবে বুঝতে হবে। যদি কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, খাদ্যমূল্য বাড়বে; খাদ্যমূল্য বাড়লে নগর শ্রমজীবীর বাস্তব আয় কমবে; বাস্তব আয় কমলে দারিদ্র্য বাড়বে; দারিদ্র্য বাড়লে স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বিনিয়োগ কমবে; এতে মানবসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে; শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা কমবে। অর্থাৎ জলবায়ু ঝুঁকি একটি multiplier risk। এটিকে অবহেলা করলে উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিটি স্তরে hidden cost জমতে থাকবে।
এ কারণে এখন বাংলাদেশের সামনে পাঁচটি নীতি-অগ্রাধিকার স্পষ্ট হওয়া দরকার। প্রথমত, সব বড় সরকারি বিনিয়োগে বাধ্যতামূলক climate risk screening চালু করতে হবে। দ্বিতীয়ত, জাতীয় ও স্থানীয় বাজেটে climate outcome tracking শক্তিশালী করতে হবে। তৃতীয়ত, কৃষি, স্বাস্থ্য, পানি ও নগরখাতে sector-specific adaptation roadmap বাস্তবায়ন করতে হবে। চতুর্থত, জেলা ও আঞ্চলিক শহরভিত্তিক বিকেন্দ্রীভূত উন্নয়নকে climate migration strategy-এর অংশ করতে হবে। পঞ্চমত, disaster response থেকে এগিয়ে গিয়ে climate-resilient economic planning-কে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা-পরবর্তী উন্নয়ন কাঠামোর মূল নীতি বানাতে হবে। এই পরিবর্তন না এলে আমরা হয়তো দুর্যোগের পর মানুষ বাঁচাতে পারব, কিন্তু অর্থনীতিকে বাঁচাতে পারব না।
বাংলাদেশের সামনে সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। আমরা দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বকে দেখিয়েছি, সীমিত সম্পদ নিয়েও কীভাবে জীবনরক্ষা সম্ভব। এখন প্রয়োজন সেই একই রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা এবং নীতিগত উদ্ভাবনকে অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে নিয়ে আসা। কারণ আগামী বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রশ্নগুলোর একটি হবে এটি: আমরা কি জলবায়ু-সহনশীল অর্থনীতি গড়তে পারলাম, নাকি উন্নয়নের ভিত গড়লাম এমন এক জমিনে, যা প্রতি বছর একটু একটু করে সরে যাচ্ছে?
লেখক : ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ল্যাবএইড গ্রুপ।
আমার বার্তা/সাকিফ শামীম/এমই

