ই-পেপার রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে

মো. জিল্লুর রহমান:
২৮ নভেম্বর ২০২৪, ১৬:১৬

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম পীঠভূমি ও উদাহরণ। এটি অত্যন্ত সম্মান ও গৌরবের বিষয়। পার্শ্ববর্তী বৃহৎ রাষ্ট্র ভারত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র দাবী করলেও মাঝে মাঝে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু আমাদের দেশে এর প্রতিফলন ঘটেনি। এদেশের মানুষের সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের চেতনা বেশ লক্ষণীয়। মানুষের মধ্যে সচেতন মনোবৃত্তি আছে বলেই এ দেশের বুকে পার্শ্ববর্তী দেশের চরম সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড এবং ঘটনাবলির কোনো অশুভ প্রতিফলন পরিলক্ষিত হয়নি। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর সাথে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলেই মিলেমিশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে।

শুধু আজকাল নয়, সুদূর প্রাচীনকাল থেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এ উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের নজিরটি এ দেশ বহন করছে। খেতে- খামারে, কলে-কারখানায়, অফিস-আদালত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নানা সম্প্রদায় কাজ করেছে। একে অন্যের দুঃখে-আনন্দে শরিক হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে গভীর সংহতি ও ঐক্য জাতীয় ইতিহাসে গৌরবময় ঐতিহ্য ও ইতিহাস হয়ে আছে। আমাদের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের তরুণদের গণঅভ্যুত্থান তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ১৯৭১ সালে এদেশের হিন্দু- মুসলমান- বৌদ্ধ- খ্রিস্টান সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

কিন্তু সম্প্রতি বিগত পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেমাত্মারা বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ইসকন নামের একটি বিতর্কিত ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও উপরোক্ত উগ্রধর্মীয় গোষ্ঠীটির প্রত্যক্ষ হামলায় চট্টগ্রামে একজন তরুণ আইনজীবীকে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য একটি দাঙ্গা সৃষ্টি করে ২০২৪ বিপ্লব বা তরুণদের গণঅভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং দেশে বিদেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রত করা। কিন্তু সরকার ইতোমধ্যে উগ্রধর্মীয় গোষ্ঠীটির একজন নেতাকে গ্রেফতার করেছে এবং আইনজীবী হত্যার সাথে জড়িতদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ কোন ক্রমেই বিনষ্ট না হয়।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, এ উপমহাদেশে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে দাঙ্গার কথা বিশ্বের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে আছে। বিহারে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছিল ১৯৪৬ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত, যেখানে হিন্দু জনতা মুসলিম পরিবারগুলিকে টার্গেট করেছিল, যা ১৯৪৬ বিহার দাঙ্গা নামে পরিচিত। মোগল আমলে ১৭৩০ সালে দোল খেলাকে কেন্দ্র করে হিন্দু- মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা লেগেছিল এবং লক্ষ লক্ষ লোকের রক্তক্ষয় হয়েছিল। ১৯২০ থেকে ১৯৪৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের নানা জায়গায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সুত্রপাত ঘটে। ১৯২২ থেকে ১৯২৭-এর মধ্যে ১৯২টি দাঙ্গার কথা জানা যায় এবং এতে অসংখ্য লোকের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৩০ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত প্রতি বছরই ভারতে দাঙ্গা সংঘটিত হয়। ১৯৪৬, ১৯৯০ সালেও ছোটখাটো দাঙ্গা লেগেছিল। ভারতের বাবরী মসজিদকে কেন্দ্র করে যে দাঙ্গা হয় তা অবর্ণনীয়। হাজার হাজার লোক সে দাঙ্গায় জীবন দিয়েছে। এর পেছনে ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের অদৃশ্য হাত ছিল। এসব দাঙ্গার রেশ আজও কাটেনি।

তবে ১৯৭২ সালের সংবিধানে বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে ঘোষিত হলেও এদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান। এদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান হিসাবে ধর্মভীরু হলেও ধর্মান্ধ নয়। কিন্তু বিগত সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে ধর্মান্ধ হিসাবে দেশে বিদেশে পরিচিত করার চেষ্টা করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের বহু চেষ্টা করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং তরুণদের গণঅভ্যুত্থানে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তরুণরা এ ঐতিহাসিক ঘটনায় গৌরবান্বিত ও ইতিহাসের সাক্ষী। এক্ষেত্রে তারা দেশে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মহান মন্ত্রে দৃঢ়ভাবে আস্থাশীল। জাতীয়তাবোধের দৃঢ়বন্ধনে তারা আবদ্ধ।

পক্ষান্তরে ভারত আগাগোড়াই একটি সাম্প্রদায়িকতায় পরিপূর্ণ রাষ্ট্র বিশেষ করে বিজেপি সরকারের সময় এটি আরও বেগবান হয়েছে। ভারতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের ভূইফোর রাষ্ট্র ইসরায়েলও আরকটি সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদী রাষ্ট্র। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে ভারতের সংখ্যালঘুদের পক্ষে দাড়ানোর মত কেউ নেই, না মিডিয়া, না বুদ্ধিজীবি সমাজ, না উচ্চশিক্ষিত ভারতীয়, না চিত্রজগতের অভিনেতা অভিনেত্রী- কেউই সংখ্যালঘুদের পক্ষে নেই। সবাই একজোট হয়ে সংখ্যালঘু নির্মূল করার মিশনে নেমেছে যেন। অথচ তারাই বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জন্য মায়াকান্না করছে। বাংলাদেশে দুএকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সরকারের পক্ষ থেকে ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বহু নজির আছে। অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা এ রকম জটিল মুহূর্তে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির পাহাড়ার নজির আছে কিন্তু বিপরীতে ভারতে রাষ্ট্রীয় আশ্রয় প্রশ্রয়ে বছরের পর বছর সংখ্যালঘু বিশেষ করে মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে।

একটা দেশের অধিকাংশ মানুষ যে এতটা উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতার হতে পারে তা ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। এমনকি ভারতের উচ্চ শিক্ষিত সমাজের লোকেরা পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত। সুপ্রীম কোর্টের বিচারক থেকে শুরু করে রেলস্টেশনের টোকাই পর্যন্ত আগাগোড়া প্রায় সকল পেশার অধিকাংশ লোকই কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী নীতির সমর্থক এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদ প্রতিরোধ তো এরা করেই না বরং সমর্থন দেয়। এমনকি ভারতের চিত্রজগতের রথি মহারথি এবং সুপারস্টাররা পর্যন্ত ব্যতিক্রম নয়। এরা উগ্র মোদী সরকারের ঘৃণার রাজনীতি প্রচার ও প্রসারে নিজেদের সর্বশক্তি নিয়োগ করছে। মোদী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সিনেমা তৈরি এবং মুসলিমদের ধর্মকে অবমাননা করে নানারকম কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে এরা সমাজে ঘৃণার বীজ বপন করছে এবং সংখ্যালঘুদের প্রতি নির্যাতন বৃদ্ধির জন্য উস্কানি প্রদান করছে।

যদিও সাম্প্রদায়িকতা এক দুরারোগ্য ব্যাধি, তবে এই ব্যাধির জীবাণু জাতির জীবনের গভীরে প্রোথিত। শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলার কঠোরতার মধ্যেই এর সমাধান সূত্র নেই। তরুণ শিক্ষার্থীরাই হল দেশের সবচেয়ে আদর্শপ্রবণ, ভাবপ্রবণ অংশ। ছাত্র-সমাজই দেশের ভবিষ্যৎ, জাতির কাণ্ডারী। তাদের মধ্যে আছে অফুরান প্রাণশক্তি। পারস্পরিক শ্রদ্ধার মনোভাব, ভাবের আদান-প্রদান, সংগ্রাম ও আত্মবিসর্জনের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালে এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে এক নতুন প্রজন্মের। এরই মধ্য দিয়ে ছাত্ররা নতুন করে অনুভব করছে মানবতার উদার মহিমা। ছাত্রাবস্থায়ই তাদের সাম্প্রদায়িকতার রাহু মুক্তির শপথ নিতে হবে। শিক্ষার নিবেদিত প্রাঙ্গণে তারা নতুন করে উপলব্ধি করবে সবার উপরে মানুষই সত্য। মানুষে মানুষে প্রীতি-বন্ধনই হবে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিশ্বে ধর্মের নামে যে সহিংসতা এবং নৈরাজ্য তা শুধু ইসলাম নয়, বরং কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে কাউকে ধর্মের সুশীতল ছায়ার বেহেশতি বাতাসের স্বাধ যেমন উপভোগ করানো যায় না, তেমনি শান্তিও প্রতিষ্ঠা হয় না। নৈরাজ্যের মাধ্যমে কেবল বিশৃঙ্খলাই দেখা দিতে পারে, শান্তি নয়। আমি যে ধর্মেরই অনুসারী হইনা কেন, সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানের দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। মত প্রকাশের অর্থ এই নয় যা খুশি তাই করা, প্রত্যেকটা জিনিসের একটা সীমাবদ্ধতা আছে। সম্প্রতি ধর্মীয় মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে যে ঘটনা ঘটেছে তা কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়, এ ধরনের উষ্কানি ও ধৃষ্টতাপূর্ত কাজ যেকোন উপায়ে বন্ধ করতে হবে।

লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে ভারতে রাষ্ট্রীয় মদদে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর নানামুখী অত্যাচার নিপীড়ন চালানো হচ্ছে তা এক কথায় ভয়াবহ। তারচেয়েও ভয়ানক হল- ভারত সরকারের এই উগ্রতার বিরুদ্ধে যাদের শক্ত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা সেই মিডিয়া এবং বুদ্ধিজীবিরাও সরকারের পা চাটা গোলাম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে দেখা যায় সাংবাদিক এবং মিডিয়া কর্মীরা অন্তত নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকে, কিন্তু ভারত এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ভারতের অধিকাংশ সংবাদমাধ্যম চরম সাম্প্রদায়িক। বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতো উগ্র মোদী সরকারের কট্টর হিন্দুত্ববাদী নীতির একনিষ্ঠ সমর্থক এরা। সংখ্যালঘুদের উপর স্টিম রোলার চালানোর ক্ষেত্রে ভারতীয় মিডিয়া বরাবরই সরকারের সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে যা সাংবাদিকতা পেশার জন্য সত্যিই লজ্জার। অনেকেরই হয়তো স্মরণে আছে ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন পণ্ড করার জন্য ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পরিকল্পনা ও নির্দেশে হিন্দু-মুসলমান রায়ট লাগিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছছিল। এবারও পলাতক হাসিনার মদদে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভারতের গণমাধ্যম যেন বাংলাদেশ বিরোধী প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে এবং তাদের বক্তব্য বিবৃতি যেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের কন্ঠস্বরের প্রতিধ্বনি। ফ্যাসিস্ট হাসিনার কূটকৌশলে ভারত সরকার বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। হাসিনার পরিকল্পনায় আবারও বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ তার পাতানো ফাঁদে পা দেয়নি, সহনশীলতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এ ধরনের যেকোন অপচেষ্টা ভন্ডুল করতে বদ্ধপরিকর।

লেখক : ব্যাংকার ও কলামিস্ট।

আমার বার্তা/মো. জিল্লুর রহমান/এমই

বিদায়ী বছরের ইতিবৃত্ত ও নতুন বছরের সূচনা

ঘড়ির কাঁটা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে পেরোতে থাকে সময়। সেকেন্ড-মিনিট-ঘণ্টার হিসাব রূপান্তরিত হয় দিন-মাস-বছরে। সূর্যোদয় এবং

অসৎ, অতিরিক্ত লোভী এবং পরশ্রীকাতর, সমাজের জন্য অদৃশ্য ক্ষতির উৎস

মানবজীবনে নৈতিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু অসৎ মনোভাব, অতিরিক্ত লোভ, এবং পরশ্রীকাতরতা ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনে

ড. গোলাম আবু জাকারিয়া : চিকিৎসা পদার্থবিদ্যার বিশ্ববাঙালি

বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। ক্যান্সার শুধু একজন ব্যক্তির নয়, তার

প্রশাসনিক সংকট ও ভবিষ্যতের করণীয়: একটি সুষম বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা, যা দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিফলন হিসেবে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু

রাজধানীতে গলায় ফাঁস দিয়ে সোনালী ব্যাংকের এজিএমের আত্মহত্যা

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়িচাপায় ভ্যানের ২ যাত্রী নিহত

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা

দুই মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ওএসডি

নতুন বছরে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

আতশবাজি ও পটকা ফাটানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার

নাশকতা নয় বৈদ্যুতিক লুজ কানেকশন থেকে সচিবালয়ে আগুন

সমস্যা-অনিয়ম উত্তরণে কাজ করছি, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা

আপনাদের আম্মু ফিরে আসবে না, রিয়েলিটি মাইনে নেন: হাসনাত

বাহাত্তরের সংবিধান বাতিলের প্রয়োজন নেই: নুরুল হক নুর

বিএনপি নেতা আবু নাছের আর নেই

রিজার্ভ চুরির অর্থ দেশে ফেরাতে ফিলিপাইনের সহযোগিতা কামনা

নতুন বছরের প্রথম দিন বিশ্বের জনসংখ্যা পৌঁছাবে ৮০৯ কোটিতে

চিন্ময়সহ ইসকনের ২০২ অ্যাকাউন্টে জমা ২৩৬ কোটি টাকা

প্রস্তুতি সম্পন্ন, বুধবার বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

মার্চ ফর ইউনিটিতে গণহত্যার বিচার চাইলেন সারজিস আলম

১৫ জানুয়ারির মধ্যে অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র পাঠ করতে হবে

ঢামেকের টয়লেটে পড়েছিল মস্তকবিহীন নবজাতকের মরদেহ

পাঁচ মাসেও বিচার না পাওয়ায় আক্ষেপ আলভির বাবার