
অনৈতিক চর্চা পরিহার করে সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ৪৪তম বিসিএস (সড়ক ও জনপথ) ক্যাডারে নতুন যোগদান করা ৩২ জন কর্মকর্তার জন্য আয়োজিত সাত দিনব্যাপী ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে নবীন কর্মকর্তারা পুরোদমে কাজে যুক্ত হবেন। রাষ্ট্র তাদের প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তুলেছে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এই উপলব্ধি সবসময় ধারণ করতে হবে। নিজেদের রাষ্ট্রের স্বার্থে সর্বদা নিবেদিত রাখা সহজ নয়, নানা প্রতিবন্ধকতা থাকে। তবে তরুণ কর্মকর্তাদের উপলব্ধি থাকা দরকার যে, তারা চাইলে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, অনৈতিক চর্চা পরিহার করে সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং নির্মাণ কাজে অপচয় রোধে সচেষ্ট থাকতে হবে। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অপচয় রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ-এ ক্ষেত্রে নবীন কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, আগামীর বাংলাদেশ সবাই মিলেই গড়তে হবে। নবীন কর্মকর্তারাই আগামীর ভবিষ্যতের কাণ্ডারি। সড়ক নিরাপত্তার মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি সড়ক বন্ধ থাকলে লাখো মানুষের দুর্ভোগ হয়, তাই সড়ক চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা, নির্মাণ ব্যয় যুক্তিসংগত রাখা এবং নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান নবীন কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নতুন যারা যোগ দিয়েছেন তারা তাদের মেধা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে দেশকে সেবা করবেন এটাই সবার প্রত্যাশা। স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সামনে আরও সুনাম অর্জনের আহ্বান জানান তিনি।
সাত দিনব্যাপী এই ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে নবীন কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কাঠামো, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, আর্থিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত বলে ঘোষণা করা হয়।
আমার বার্তা/এমই

