
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
শনিবার (২৮ ফেব্রয়ারি) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, চলমান পরিস্থিতি এমন এক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে যা যে কোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
এদিকে, জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো আগ্রাসনকে যুদ্ধাপরাধ বলে মন্তব্য করেন ইরানি রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভারি। এ সময় আগ্রাসন বন্ধ না হলে ইরান পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
আমির সাইদ ইরাভারি বলেন, এই অপরাধমূলক আগ্রাসন মোকাবিলা এবং শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার জন্য ইরান প্রয়োজনীয় সকল প্রতিরক্ষামূলক ক্ষমতা এবং উপায় ব্যবহার করছে। এই অঞ্চলে প্রতিপক্ষ বাহিনীর সমস্ত ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পদকে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করবে ইরান। আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরান তার আত্মরক্ষার অধিকার কোনো দ্বিধা ছাড়াই প্রয়োগ করে যাবে।
অন্যদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরানে হামলা চালিয়ে কোনো আইন লঙ্ঘন করেনি যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি বলেন, ‘উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য ইরানের অব্যাহত প্রচেষ্টা, কূটনৈতিক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি আজকের এই হামলার মূল কারণ। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারে না, এই নীতি রাজনীতির বিষয় নয়।এটি বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তার বিষয়। সেই লক্ষ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আইনসম্মত পদক্ষেপ নিচ্ছে।’

