ই-পেপার মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

১৯৭৩ সালের পর বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের সবচেয়ে বড় পতন

আমার বার্তা অনলাইন:
০২ জুলাই ২০২৫, ১১:৫৭

চলতি বছরের প্রথমার্ধে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের যে পতন হয়েছে, তা ১৯৭৩ সালের পর সবচেয়ে বড় ধস। প্রথম ৬ মাসে ডলারের মান কমেছে ১০ শতাংশের বেশি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, এজন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী শুল্কনীতি ও আত্মকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি দায়ী। পাশাপাশি প্রভাবে ফেলেছে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়া।

১৯৭৩ সালের পর সবচেয়ে বড় ধস দেখেছে মার্কিন ডলার। চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ইউরো, পাউন্ডসহ প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে মার্কিন মুদ্রাটির মান পড়ে গেছে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। ডলারের এই পতনের নেপথ্যে রয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা, বিশেষ করে আগ্রাসী শুল্কনীতি ও আত্মকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি।

এমন বিশ্লেষণই তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। ট্রাম্পের শুল্কনীতি, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা ও সরকারি ঋণের বাড়বাড়ন্ত, সব মিলিয়ে ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি প্রভাব ফেলেছে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় বিনিয়োগকারীদের ক্রমেই আস্থা কমে আসা।

এতে মার্কিন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণে গুণতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। কমে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি বিনিয়োগ। আর এমন এক সময়ে বিষয়টি ঘটছে, যখন দেশটি আরও বেশি ঋণ নেয়ার চেষ্টা করছে। তবে ডলার দুর্বল হওয়ায় আমদানি খরচ বাড়ার সত্ত্বেও মার্কিন রফতানিকারকদের সুবিধা হয়েছে। তবুও ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি ঘিরে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তা।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বিদেশি মুদ্রা গবেষণা বিভাগের স্টিভ ইংল্যান্ডার বলেন, ‘ডলার দুর্বল, না শক্তিশালী, এটা মূল প্রশ্ন নয়। মূল প্রশ্ন হলো, বিশ্বসমাজ অবস্থান কীভাবে দেখছে?’

ট্রাম্প পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পরপর ডলার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। বিনিয়োগকারীদের ধারণা ছিল, ট্রাম্প ব্যবসাবান্ধব ও প্রবৃদ্ধিমুখী। কিন্তু তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের পর থেকেই পড়তে থাকে ডলার সূচক। নতুন প্রশাসন ব্যবসাবান্ধব হবে, সেই আশা দূর হয়ে শুরু হয় উচ্চ মূল্যস্ফীতির আতঙ্ক, উচ্চ সুদহারের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব আর অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীরা এখন ধীরে ধীরে ডলার ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সম্পদের বিকল্প খুঁজছেন। যদিও অনেক দিন ধরে বৈশ্বিক বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। বছরের শুরুতে অবশ্য ডলারের মান ভালোই ছিল। সে কারণে চলতি বছরের শুরুটা যতটা খারাপ হোক, ঐতিহাসিক দিক থেকে ডলার এখনো অতটা দুর্বল নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন অর্থনীতি তার ব্যতিক্রমধর্মিতা হারাচ্ছে। তাছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ট্রাম্প যে আচরণ করছেন, তাতে পরিস্থিতির অবনতিই ঘটছে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।

এদিকে অনেক দেশই ডিডলারাইজেশন বা ডলার ভিন্ন অন্য মুদ্রায় লেনদেন বৃদ্ধি করে। যদিও বিশ্লেষকেরা বলেন, সম্পূর্ণ ডিডলারাইজেশন এখনো বহুদূরের বিষয়। যে বিষয়টি প্রকৃত অর্থেই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে, তা হলো ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ।

আমার বার্তা/এল/এমই

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: কাল থেকে টাকা তুলতে পারবেন আমানতকারীরা

পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে টাকা উত্তোলনের

উন্মোচিত হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের লোগো

আনুষ্ঠানিকভাবে লোগো উন্মোচন করেছে সদ্য গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। ‘সম্মিলিত শক্তিতে সমৃদ্ধ আগামী’—এই স্লোগান

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এফবিসিসিআই ও ডিসিসিআইয়ের শোক

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ

অর্থনৈতিক উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় অবদান

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসান আর নেই

খালেদা জিয়ার জানাজায় তারেক রহমানকে সান্ত্বনা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার জানাজা, গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ

জানাজায় বিপুল জনসমাগম মৃতের জন্য যে সৌভাগ্য বয়ে আনে

রাষ্ট্রীয় শোকে রাজধানীতে আতশবাজি-সব ধরনের উৎসব নিষিদ্ধ: ডিএমপি

মাকে কবরে রেখে বিষণ্ন মনে বাসায় ফিরলেন তারেক রহমান

নতুন বছরে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বেগবান হবে: আশা প্রধান উপদেষ্টার

ভারতে চলন্ত ভ্যানে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২ ঘণ্টা পর রাস্তায় নিক্ষেপ

পোস্টাল ভোট দিতে ১১ লাখ নিবন্ধন, ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়াল ইসি

খালেদা জিয়া স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে ছিলেন: আনিসুল ইসলাম

মধুপুরে যানজট নিরসনে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি" চুক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে আপোষহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া

সম্পর্ক উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে: চীনা মুখপাত্র

ডাকাতির গরু বাঁচাতে ক্যাভার্ড ভ্যানে অক্সিজেন রাখতেন ডাকাত

কথা রাখলেন খালেদা জিয়া, দেশের মাটিতে স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ছবি-ভিডিও বানাবেন যেভাবে

জানাজায় অংশ নিতে আসা বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে উপদেষ্টাদের সাক্ষাৎ

সিলেট স্টেডিয়ামে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় ৫০ প্লাটুন আনসার ও টিডিপি মোতায়েন

খালেদা জিয়ার জানাজায় পদদলিত হয়ে একজনের মৃত্যু