ই-পেপার রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১

হুন্ডির ব্যবসায়ী বরুণের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব অনেক পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
১২ জুন ২০২৪, ১২:২৩
আপডেট  : ১২ জুন ২০২৪, ১২:৩৩

তিন লাখ টাকা খরচে মাত্র ১৫ দিনে কিরগিজস্তানে কনস্ট্রাকশন ভিসায় লোক পাঠানোর লোভনীয় অপার। হুন্ডি ব্যবসায়ী নামে খ্যাত মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণ গ্রামের সহজ সরল মানুষদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বরুণ প্রতি জন লোক বাবদ তিন লাখ টাকা চুক্তিতে ৫০ হাজার টাকা করে অগ্রিম নিয়েছেন। বরুণের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হুন্ডি ব্যবসা, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রতারণার মামলা রয়েছে।

মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণের রেড হচ্ছে, কিরগিজস্তান তিন লাখ, রোমানিয়ায় সাত লাখ, মালয়েশিয়ায় পাঁচ লাখ, জাপানে আঠারো লাখ , কানাডায় বিশ লাখ , অস্ট্রেলিয়ায় বিশ লাখ, আমেরিকায় আঠারো লাখ, ইটালিতে পনেরো লাখ টাকা করে লোক পাঠানোর মৌখিক চুক্তি করেন প্রথমে। এছাড়াও অ্যাম্বেসি এগুলোর সাথে তার যোগাযোগ খুবই ভালো এমন চাটুকারিতা করে দেশের বিভিন্ন জেলার ছাত্র-ছাত্রীর পটিয়ে নগদ টাকা বের করার কৌশল খুব ভালো জানেন কৌশলবাজ মনির ওরফে বরুণ। এই ব্যক্তির নিজস্ব কোন অফিস না থাকায় ভুক্তভোগীরা পাসপোর্ট এবং টাকা দিয়ে বিপাকে পড়েছেন। বরুণকে না পেয়ে তার ব্যবহৃত একাধিক নাম্বারে ভুক্তভোগীরা ফোন করেও পাচ্ছে না। তাকে কোথাও না পেয়ে তার দেয়া ঠিকানা এগুলোতে গিয়েও বরুণের কোন খোঁজ পাচ্ছে না অসহায় মানুষগুলো।

এদের একজন বারিধারার রাইয়াদ শামস জানান, বাংলাদেশে কিরগিজস্তান এবং রোমানিয়ার অ্যাম্বাসি না থাকায় ইন্ডিয়া থেকে মাত্র ১৫ দিনে ভিসা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রথমে পাসপোর্ট জমা নেয় বরুণ। তারপর ফিঙ্গার করার পর দুইজন যাত্রী বাবদ কনস্ট্রাকশন ভিসার জন্য এক লাখ দশ হাজার টাকা দিয়েছে বরুণকে। প্রায় ৫ মাস গড়িয়ে গেলেও ভিসা দিতে পারেনি। এখন ফোন দিলে ধরে না। উপরন্তু মাঝেমধ্যে ফোন করে রাইয়াদকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রশাসনের বরাত দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। রাইয়াদ আরো জানায়, যারা তাকে পাসপোর্ট এবং টাকা দিয়েছেন তারা রাইয়াদের বাসায় এসে চাপ দিচ্ছেন। রাইয়াদের বয়স্ক বাবা-মা ছেলেকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।

মতিঝিল এর একটি রিক্রুটিং অফিস থেকে কিরগিজস্তান নয়টি পাসপোর্ট এবং দশ লাখ টাকা নিয়েছে এই মনির। মাত্র ১৫ দিনে ইন্ডিয়া থেকে কিরগিজস্থানের ভিসা করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। প্রতিনিয়ত যাত্রীরা তার অফিসে এসে পাসপোর্ট এবং টাকার জন্য হানা দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী জানান, পাসপোর্ট দেয়ার আগে অফিসে এসে পড়ে থাকতেন। প্রতি জন লোক বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে অগ্রিম দেয়া হয়েছে বরুণকে। আবার কিছু ভুয়া ভিসা শো করেও পুরোটাই হাতিয়ে নিয়েছেন। নকল ভিসাসহ পাসপোর্ট জব্দ করে রাখছেন মনিরুজ্জামান বরুণ।

অনুসন্ধানে আরো খবর জানা যায় যে, মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণ একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী। সে প্রায়ই বাই রোডে ইন্ডিয়া যায়। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরেও তার হুন্ডি ব্যবসা বেশ জমজমাট। ঢাকার কয়েক জন হুন্ডি ব্যবসায়ীর মধ্যে মনির অন্যতম। ইন্ডিয়ার কলকাতার বিখ্যাত হুন্ডি ব্যবসায়ীরা বরুণ বাবু নামে তাকে চিনে। সেখানে তার একাধিক সিন্ডিকেট রয়েছে। তার বিরুদ্ধে লন্ডনে নকল বেনসন সিগারেট এবং মাদকদ্রব্য পাঠানোর গুরুতর অভিযোগও আছে। লন্ডনে ধরা পড়ার পর সাজা খেটে দেশে আসেন। এরপর আর লন্ডনের ভিসা মিলেনি। মনিরের এক পরিচিতজন আলাপকালে বলেন, মনির হিন্দু ধর্মের লোক। সে মুসলমান সম্প্রদায়ের অনুসারী পরিচয় দিয়ে থাকেন। রমনা কালিমন্দিরে বসে মোবাইলে ইয়াবা ব্যবসা করেন। বিষয়টি প্রশাসনও অবগত আছে বলে তিনি জানান।

ভুক্তভোগীরা জানান, বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদেরকে নানা কৌশল অবলম্বন করে খুব সহজেই পটাতে পারেন মনির । তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে আগে পাসপোর্ট নেন। পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর ব্রোকারদের কাছে প্রথমেই নিজের কাছে থাকা কিছু পাসপোর্ট এর লিস্ট পাঠিয়ে দেন। পাসপোর্ট এর লিস্ট দেখে ব্রোকাররা খুব তাড়াতাড়িই তার প্রতি আকৃষ্ট হন। এরপর কীভাবে ব্রোকারদের কাছ থেকে টাকা নিতে হবে তা অনেক টাই গল্প মনে হলেও সত্য। খুব অনায়াসেই টাকা টানতে পারেন বরুণ। তার ফাঁদে পড়ে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক অনেকেই রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মধ্যস্থতাকারীরাও যাত্রীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

জানা গেছে, পাসপোর্ট এবং টাকা নেয়ার পর প্রতিনিয়ত ভিসা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্রোকারদের ঘুরাতে থাকেন বরুণ। এক পর্যায়ে ভিসা না দিতে পেরে ব্রোকারদের ভোটার আইডি চাওয়া হয়। বিশ্বাস করে যে তাকে ভোটার আইডি দেন তিনিই বরুণের রোষানলে পড়েন। বরুণের নেই কোন নিজের অফিস এবং রিক্রুটিং লাইসেন্স। তবে ৫০ নম্বর ভাষা সৈনিক তোহা সড়ক, ঝিগাতলা, ধানমণ্ডির ঠিকানায় তিনি মেঘনা এ্যাপারেলস্ ও নাসা এবরোড এডুকেশন কনসালটেন্সি নামে তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আছে বলে পরিচয় প্রদান করে থাকেন। ওই ঠিকানায় মনিরুজ্জামানের ভোটার আইডি কার্ডও আছে। বর্তমানে এই ঠিকানায় কোন অফিস এবং কার্যক্রম না থাকলেও শুধু প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে বিদেশ ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন চালাক বরুণ।

ওয়াকিবহাল হাল একটি সূত্রমতে, ধানমন্ডির ওই অফিসে এক সময় তিনি বসতেন। সেখানে বসে হুন্ডি ব্যবসা এবং লন্ডনে সিগারেট পাঠাতেন। নকল সিগারেট পাঠানোর দায়ে বরুণ বিদেশে একাধিক মামলার আসামীও। এছাড়াও স্টুডেন্ট ভিসায় লোক পাঠানোর নামেও তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমন কোন দেশ নেই যে তিনি লোক পাঠানোর নামে টাকা হাতিয়ে নেননি। বিদেশ লোক পাঠাতে রিক্রুটিং লাইসেন্স এবং অফিস প্রয়োজন। কিন্তু তার কোন লাইসেন্স এবং নিজস্ব অফিস নেই।

বরুণ মূলত রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বসে ব্রোকার এবং বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদেরকে মগজ ধোলাই করেন। এভাবে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে অহরহ প্রতারণা করে বেড়ালেও বরুণ দিব্বি আরাম আয়েশে আলিশান ভাবেই দিনাতিপাত করছেন। একজন ভুক্তভোগী জানান, গ্রামের সহজ সরল মানুষ গুলো শহরে এসে যখন নামি-দামি রেস্টুরেন্টে বসেন এবং তাদেরকে বাহারি খাবার খাওয়ান বরুণ। তার অসাধারণ আচরণ এবং আদর আপ্যায়ন দেখে অনেকের মন গলে যায়। বরুণ বেশ গালগল্প এবং মজা করে কথা বলতে পারেন। তখন খুব সহজেই বরুণের দেয়া প্রতিশ্রুতি "মাত্র পনেরো দিনেই মালয়েশিয়া, রোমানিয়া, কিরগিজস্তান" যেতে পারবে শুনে বিশ্বাস করে টাকা দিয়ে দেন। ভুক্তভোগী আমজাদ (ছদ্মনাম) বরুণ কে টাকা দিয়ে সর্বস্ব হারিয়ে তার বিদেশ যাবার হৃদয় বিদারক ঘটনা তুলে ধরেন এই প্রতিবেদকের কাছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণ গত বছর নয়া পল্টন একটি রিক্রুটিং অফিস থেকে মালয়েশিয়া লোক পাঠানোর জন্য বাবুল ও মিন্টুর কাছ থেকে বিশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা নেয়ার কিছু দিনের মধ্যে সে ঢাকা অবস্থান করেই টাকা মারার ধান্দায় ফাঁদ পাতেন তিনি ভিসার জন্য মালয়েশিয়া আছেন। কিন্তু ভুক্তভোগীরা তাকে বেলি রোডের একটি রেস্টুরেন্টে দেখে ধরে ফেলেন এবং ভিসার কথা জানতে চায়। সে তাদের হাত থেকে পালানোর চেষ্টা করেও আর পালাতে পারেনা। পরে তাদের পাওনা বাবদ বিশ লাখ টাকার একটি চেক এবং নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়ে ছুটে আসেন। এরপর বরুণ তার সঙ্গবদ্ধ সদস্যদের পরামর্শে উল্টো ভুক্তভোগীদের নামে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলা টি রমনা থানায় তদন্ত করার জন্য পাঠায়।

থানা পুলিশ তদন্তে জানতে পারে এটি বরুণ নিজে রেহাই পাওয়ার জন্য এবং টাকা না দেয়ার জন্য সাজানো মামলা করেছেন।পুলিশ তাকে একাধিক বার নোটিশ করে ঘটনার বিবরণ জানার জন্য। কিন্তু মনির পুলিশের নোটিশ পেয়ে থানায় হাজির হননি। পরে মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণের প্রতারণার বিরুদ্ধে রমনা থানা একটি তদন্ত রিপোর্ট আদালতে প্রেরণ করে।রোমানিয়া ও কিরগিজস্তান যেতে ইচ্ছুক দুই জন যাত্রীর পাসপোর্ট ও এক লাখ দশ হাজার টাকা দিয়ে মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণ এর ধানমণ্ডি অফিস, পুরান ঢাকার ৪ নং মোহন বসাক লেন এবং তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল সদর এর কাউনিয়া থানাধীন নারুয়া কন্টলের গলি বাসায় রাইয়াদ শামস গিয়ে বরুণ কে খুঁজে পায়নি। রাইয়াদ এর মতো একাধিক ভুক্তভোগী বরুণের গ্রামের বাড়ি সহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বরুণকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন।

তারা বরুণের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন তিনি কোন মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেননি। তিনি হিন্দু ধর্মে জন্মগ্রহণ করেছেন। তার বৈবাহিক জীবনেও রয়েছে বিচ্ছেদের ঘটনা। সেটি নিয়েও ফরিদপুরে মামলা হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদেশ লোক পাঠানো সংক্রান্ত বিষয় এ মামলা রয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানতে পেরেছেন। অসমর্থিত একটি সূত্রমতে, বরুণ এক সময় জগন্নাথ হলে থাকতেন। তার বন্ধু মহল তাকে হিন্দু সম্পদই হিসেবেই চিনে। পরে সে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগীদের আরো অভিযোগ হলো, বরুণ প্রশাসনের কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করেন। প্রধানমন্ত্রী পরিবারের অনেকের নামও বিভিন্ন মানুষের কাছে ব্যবহার করে থাকেন। এছাড়াও সরকারি দলের কতিপয় নেতাদের নাম ভাঙ্গেয়ে ভুক্তভোগীদের ডর-ভয় দেখান। তার চাপাবাজির খপ্পরে পড়ে অনেকেই এখন নিঃস্ব।

বিষয় গুলো জানতে মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণ এর সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। তিনি নিজেকে অনেক বড়ো ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে ধরে তোলেন। কথায় কথায় প্রধানমন্ত্রী পরিবারের একাধিক ব্যক্তি, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী এবং গোয়েন্দা সংস্থার একজন পুলিশ অফিসারের নামও বিক্রি করেন এই হুন্ডি ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ওরফে বরুণ। অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে তার লোক আছে। তাই বিদেশ পাঠাতে তার যখন যাকে দরকার তাকে ব্যবহার করেন। সে একসময় হুন্ডি ব্যবসা করতেন, এখন করেন না বলে স্বীকার করেন।

পুলিশ সেজে পণ্যবাহী গাড়িতে ডাকাতি করতো তারা

দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পোশাকে পণ্যবাহী গাড়ি থামার সংকেত দিত ডাকাত দলের সদস্যরা।

৪৬তম বিসিএসের প্রিলির প্রশ্নও ফাঁস করেছিল চক্রটি

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে অনুষ্ঠিত ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছিল বলে অভিযোগ

প্রশ্নফাঁস করে পাসপোর্ট অফিসের গার্ডও কয়েক কোটি টাকার মালিক

গত ৫ জুলাই বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) অধীনে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র

চাকরির প্যাকেজ: ৫০ লাখে বিসিএস, ২০ লাখে সরকারি

‘টক অব দ্যা কান্ট্রি’তে পরিণত হয়েছে গত ১২ বছরে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) অধীনে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া, বিশ্রামে মির্জা ফখরুল

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশকে মনোযোগ দেওয়া উচিত

প্রধানমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছেন

মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে

চীন সফরে কিছুই পাইনি যারা বলছে তারা মানসিকভাবে অসুস্থ

কোটা সংস্কারে রাষ্ট্রপতি বরাবর পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

তীব্র গরম উপেক্ষা করে এক ঘন্টা পদযাত্রা ইবি শিক্ষার্থীদের

মালয়েশিয়ায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড, বাংলাদেশিসহ আটক ৫৬

আবাসন-হসপিটালিটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন: প্রধানমন্ত্রী

বাঁচানো গেল না আহত সেই পুলিশ সদস্যকে,মারা গেছেন ঢামেকে

গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

বিদ্যুৎ ব্যবহার ২০ শতাংশ কমাতে ইসির ৮ নির্দেশনা

রেড ক্রিসেন্ট সদস্যদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান

খুলনা শিপইয়ার্ডের সাবেক এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

মেডিকেল কলেজের মান বাড়লে আরও দক্ষ চিকিৎসক তৈরি হবে

কোটা নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলো আন্দোলনকারীরা

ট্রাম্পের ওপর হামলায় উদ্বেগে-নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন আন্দোলনকারীরা

পুলিশ সেজে পণ্যবাহী গাড়িতে ডাকাতি করতো তারা