
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে যুবক নিহতের পর বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গত সোমবার রাত ২টার দিকে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা সকলেই ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কমিটির দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন।
গত ৭ মার্চ শহরের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্প কর্মচারীদের পিটুনিতে নীরব নামের এক যুবক নিহত হয়। নিহত যুবক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্য ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর গভীর রাতে বাসে অগ্নিসংযোগ ও তেল পাম্পে ভাঙচুরের ঘটনায় সদর থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটকরা হলো, ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক সাইদুর রহমান, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান জীবন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাশদীদ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক এজাজ হোসেন অন্তর, ‘দ্য রেড জুলাই এর আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাঈম, কেন্দ্রীয় যুব শক্তির সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির ও রাসেল হুসাইন।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও মোবাইল ট্রাকিং করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়। এই ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেক রেজা জানান, প্রতিটি অপরাধই আইনের দৃষ্টিতে খারাপ। আমরাও চাই প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক। তিনি বলেন, পাম্প ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকেই নিরপরাধ রয়েছে। ফলে আইনের প্রয়োগ যেন সঠিক হয়। তিনি বলেন, হত্যার চেয়ে যদি ভাঙচুরের ঘটনা বড় করে দেখানো হয়, তবে সেটা হবে দুঃখজনক ঘটনা।
আমার বার্তা/এমই

