
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দিন দিন জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে ভোটারদের কাছে নিজেদের পক্ষে সমর্থন চাইছেন। গ্রাম থেকে শুরু করে হাট-বাজার, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনসমাগমস্থলে চলছে পথসভা, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ।
প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পোস্টার, ব্যানার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের প্রচারণায় সরব হয়ে উঠেছে পুরো আসন।
স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচনী আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চা-স্টল, বাজার ও পাড়ামহল্লায় প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। কেউ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চান, আবার কেউ পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার-প্রচারণা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রার্থীরা নির্ধারিত নিয়ম মেনে প্রচারণা চালাচ্ছেনবলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৪০০৪৯, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১,৭৫,২৩২, নারী ভোটার ১,৬৪,৮১৬ এবং হিজড়া ভোটার ১ জন।
ঠাকুরগাঁও ২ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং সকল প্রার্থী দলীয় মনোনীত। প্রধান দুই প্রার্থী হলেন বিএনপি মনোনীত ডা. মোঃ আব্দুস সালাম (ধানের শীষ প্রতীকে) এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোঃ আব্দুল হাকিম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে)। অন্য প্রার্থীরা হলেন নুরুন নাহার বেগম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), মোঃ নাহিদ-রানা (আমার বাংলাদেশ পার্টি, ঈগল), মোঃ ফারুক হোসেন (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক), মোঃ রেজাউল করিম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা) এবং সাহাবউদ্দিন আহাম্মেদ (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে)।
বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় এবং কাশিপুর ইউনিয়ন নিয়ে ঠাকুরগাঁও ২ আসন গঠিত

