ই-পেপার মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিশুকে নামাজে আগ্রহী করার ১০ উপায়

আমার বার্তা অনলাইন
০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১০

শাহাদাহ বা কালিমার পর ইসলামে নামাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব দিতে হবে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং অভ্যাসে পরিণত করা প্রত্যেক মা-বাবার জন্য জরুরি।

শিশুরা যেন নামাজকে শুধু মা-বাবার আদেশ বা বাধ্যবাধকতা হিসেবে না দেখে, বরং তাদের মনে যেন স্রষ্টার সঙ্গে কথা বলার গভীর আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় তা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। সন্তানকে কীভাবে নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলবেন, সে বিষয়ে ১০টি পরামর্শ তুলে ধরা হলো—

১. নিজেই উদাহরণ হোন

শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তারা যা দেখে তা-ই শেখে। তাই আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অজু করা এবং নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়গুলো আপনার সন্তানকে দেখতে দিন। আপনি যখন নামাজকে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে গুরুত্ব দেবেন, আপনার সন্তানও বড় হওয়ার সাথে সাথে সেই শিক্ষাটিই মনে ধারণ করবে। তাকে বলতে পারেন,আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় হয়ে গেছে, দেরি করা যাবে না।

২. ছোট থেকেই শুরু করুন

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের সাত বছর বয়স থেকেই নামাজের নির্দেশ দাও। ১০ বছর বয়সে তারা নামাজ না পড়লে শাসন করো। যদিও সাত বছরের আগে নামাজ ফরজ নয়, তবুও ছোটবেলা থেকেই বাড়ির পরিবেশ এমন রাখা উচিত যেন তারা নামাজের গুরুত্ব বুঝতে পারে।

৩. নামাজের নির্দিষ্ট স্থান বা মুসল্লা

সম্ভব হলে বাড়িতে নামাজের জন্য একটি আলাদা ঘর বা কক্ষের নির্দিষ্ট কোণ বরাদ্দ রাখুন। এতে শিশুরা বুঝবে যে নামাজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের শেখাতে হবে যে এই জায়গাটি শুধু নামাজের জন্য এবং এটি সবসময় পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখতে হবে।

৪. পুরস্কারের ব্যবস্থা

শিশুদের নামাজের গুরুত্ব বুঝান এবং তারা নামাজের প্রতি আগ্রহী হলে এবং নিয়মিত নামাজ পড়লে তাদেরকে পুরস্কার দিন।

৫. সাত বছর বয়সে নামাজের উৎসব

আপনার সন্তানের বয়স যখন সাত বছর পূর্ণ হবে, তখন তার জন্য একটি ছোটখাটো প্রার্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন। তাকে নতুন জায়নামাজ, টুপি, হিজাব বা তসবিহ উপহার দিন। এতে সে নিজেকে বড় মনে করবে এবং গর্বের সাথে নিয়মিত নামাজ পড়ার প্রতি আগ্রহী হবে।

৬. আল্লাহর পরিচয় তুলে ধরুন

আল্লাহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে নামাজ শুধু একটি শারীরিক কসরত বা প্রথা মনে হতে পারে। তাই ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে আল্লাহর অসীম কুদরত এবং করুণার গল্প শোনান। আল্লাহ যে আমাদের সব দিয়েছেন এবং আমাদের রক্ষা করেন—এই বোধ তাদের মনে আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সংযোগ তৈরি করবে।

৭. প্রিয় নবীকে (সা.) আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করা

সন্তানের সামনে নিয়মিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী বা সিরাত নিয়ে আলোচনা করুন। তিনি আমাদের জন্য যে রোল মডেল, তা গল্পের মাধ্যমে বুঝিয়ে বলুন। যখন তারা প্রিয় নবীকে ভালোবাসতে শিখবে, তখন স্বতস্ফূর্তভাবেই তারা নবীজির মতো নামাজ আদায় করতে চাইবে।

৮. ধীরে ধীরে শুরু করুন

হঠাৎ করেই দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার চাপ না দিয়ে ধাপে ধাপে শুরু করুন। প্রথমে এক ওয়াক্ত, এরপর দুই ওয়াক্ত—এভাবে অভ্যস্ত করালে তাদের ওপর কোনো মানসিক চাপ তৈরি হবে না।

৯. ধারাবাহিকতা বজায় রাখা

অনেক সময় শিশুরা অলসতা করতে চায় বা নামাজ পড়তে অনীহা দেখায়। বিশেষ করে ১০ বছর বয়স হয়ে গেলে এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। মা-বাবা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো শত ব্যস্ততার মাঝেও যেন তারা নামাজ মিস না করে সেদিকে নজর রাখা। অভ্যাসে পরিণত করার জন্য ধারাবাহিকতার কোনো বিকল্প নেই।

১০. জামাতে বা পরিবারের সাথে নামাজ পড়া

পরিবারে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির জন্য দিনে অন্তত একবার সবাই মিলে জামাতে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করুন। বাবা ইমামতি করবেন এবং ছেলে সন্তান বড় হলে তাকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া নিয়মিত জুমার নামাজ এবং ঈদের নামাজে তাদের সাথে নিয়ে যান। বড় জামাতে সবাইকে একসাথে নামাজ পড়তে দেখলে তাদের মধ্যে ধর্মীয় পরিচয় এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় হয়।

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা, ১৫ লাখ হজযাত্রীর সমাবেশ

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে এখন মুখরিত পবিত্র মিনা উপত্যকা। সোমবার হজের ‘ইয়াওমুত তারবিয়াহ’ বা তারবিয়াহ

সৌদিতে এখন পর্যন্ত ২৭ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

এবছর হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ২৭ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জন

সৌদি পৌঁছেছেন ৬৫,৫৯২ জন হজযাত্রী, মারা গেছেন আরও একজন

পবিত্র হজ পালনের জন্য এখন পর্যন্ত ১৬৯টি হজ ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৬৫ হাজার ৫৯২

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ২৮ মে

দেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ২৮ মে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কালশীর আগুন ছড়াচ্ছে আশপাশে, বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের

ইতিহাস-ঐতিহ্যের সোনারগাঁ হবে বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর সরকার, সীমান্তে বসছে ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন

মুসলিম দেশগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের আহ্বান ট্রাম্পের

রাজধানীর কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

মানবিক-জনমুখী রাজনীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সরকার

চীনে পাকিস্তানের নেতারা, ভারতে রুবিও বললেন ‘আজই চুক্তি হতে পারে’

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা, ১৫ লাখ হজযাত্রীর সমাবেশ

‘কিচেন কেবিনেট’ই নিত সব সিদ্ধান্ত, ৩ বার পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম

ইউরো জেতানো অধিনায়ককে ছাড়াই স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

কৃষক কার্ড থেকে থার্ড টার্মিনাল: সরকারের ১০০ দিনে ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে ১৭ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ঝড়ের কবলে চায়না সাউদার্ন গেল কলকাতায়, চট্টগ্রামের বিমান ফিরল চট্টগ্রামে

বাংলাদেশের পাশে এডিবি, ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা

সন্ত্রাসীরা যতই ঝামেলার দিকে যাক, আমরা প্রতিহত করার চেষ্টা করব

তারেক রহমান সরকারের তিন মাস

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনবে ভারত: রুবিও

অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে সড়কে ‘মৃত্যুর মিছিল’: যাত্রী কল্যাণ সমিতি