ই-পেপার সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
হাসিনার উদ্দেশ্যে প্রেস সচিব

‘দুঃখিত, আপা! এটাই শেষ!’

আমার বার্তা অনলাইন
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২২

গত আগস্টের শেষ দিকে, যখন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে জুলাই ও আগস্টের নৃশংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য আমন্ত্রণ জানান, তখন অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

কেউ কেউ মনে করিয়ে দিয়েছিলেন পুরোনো বাংলা প্রবাদ— ‘খাল কেটে কুমির আনার ব্যবস্থা হচ্ছে।’ অনেকে আশঙ্কা করেছিলেন, জাতিসংঘ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে এবং হয়তো এমন একটি আপসকামী প্রতিবেদন দেবে, যেমনটি আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে দেখা যায়। তবে অধ্যাপক ইউনূস তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব কথা বলেন।

পোস্টে শফিকুল আলম আরও লেখেন, ড. ইউনূস চেয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত। তার বিশ্বাস ছিল, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরই একমাত্র সংস্থা যারা এমন সত্য উদঘাটন করতে পারে। অবশ্য, বাংলাদেশে সবাই জানত জুলাই ও আগস্টে কী ঘটেছে, কারা হত্যার নির্দেশ দিয়েছে, পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, নিরাপত্তা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব ও কর্মীদের কী ভূমিকা ছিল। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন থাকাটা জরুরি ছিল। আর সেই সত্য যদি অপ্রিয় হয়, তাতেও আপত্তি নেই!

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, অবশেষে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হেনেছে। তার রাজনীতিতে ফেরার সামান্য সম্ভাবনাও এখন শেষ। যদি আওয়ামী লীগ এবং তাদের সেই বিশাল কর্মীবাহিনী, যারা জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞে জড়িত ছিল না, দলকে পুনর্জীবিত করতে চায়, তবে একমাত্র উপায় হলো— শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে প্রত্যাখ্যান করা এবং জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অন্য কোনো ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়নি।

‘১৯৯০ সালে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ যখন গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন, তখন তার বয়স ছিল ৫৯ বছর। তিনি ছিলেন এক দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসক। এরশাদ পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে কারাগারে পাঠায় এবং দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করে। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সরকারও একই নীতি অনুসরণ করে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এরশাদের জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের দলে টেনে নেয়, ফলে এরশাদকে কিছু তরুণ ও বিশ্বস্ত নেতাদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে সবাই জানত, এরশাদ রাজনীতিতে ফিরবেন। কারণ, তিনি দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি বিশাল ভোটব্যাংক ধরে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির ‘কিংমেকার’ হিসেবে রয়ে যান। তার এই দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাবের কারণ ছিল— আন্তর্জাতিক মহলে তার শাসনামল নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য তিনি তীব্র নিন্দার মুখে পড়েননি। তার শাসনামলে কয়েকটি উচ্চপ্রোফাইল হত্যাকাণ্ড ঘটলেও, কোনো তদন্ত প্রমাণ করেনি যে, তিনি নিজে এসব হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

পোস্টে আরও জানানো হয়, কিন্তু শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ এতটা সৌভাগ্যবান নয়! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রায় সব ঘটনাই নথিভুক্ত করেছে। তার ভোট কারচুপির কৌশল ছিল স্পষ্ট ও নির্লজ্জ। গুম, গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার- সবই বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে। তারপরও, সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পেতেন।

তার একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে যখনই বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ উঠেছে, পশ্চিমা দেশগুলো তাকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সমর্থন দিয়েছে, কারণ তিনি ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘সঠিক’ পক্ষে ছিলেন। এমনকি তার পতনের পরও, আওয়ামী লীগের প্রচারযন্ত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যম প্রমাণ করতে চেয়েছে যে জুলাইয়ের বিদ্রোহ ছিল মূলত ইসলামপন্থিদের দ্বারা সংগঠিত- যা মূলত ‘ওয়ার অন টেরর’-এর অংশ হিসেবে একটি প্রচার কৌশল।

কিন্তু জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন তার সকল প্রচেষ্টা ধ্বংস করে দিয়েছে! সর্বশেষ তিনি লেখেন, দুঃখিত, আপা! এটি শেষ!

সংস্কারের প্রকৃত ভিত্তি ছিল আমাদের প্রণীত আইন: আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, তার দায়িত্বকালে প্রণয়ন

একনেকের প্রথম বৈঠকে ১৯ প্রকল্পের মধ্যে ৮টি নিয়ে আলোচনা

বর্তমান সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকে উপস্থাপিত ১৯টি প্রকল্পের মধ্যে আটটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং

লিবিয়ার সঙ্গে যৌথ ব্যবসায়িক ফোরাম চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনশক্তি খাতে সহযোগিতা

ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলে যে সম্পর্ক ছিল, সেই অধ্যায় শেষ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের সম্পর্কের ধারা বদলে ভারতের সঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন এক অধ্যায় শুরু
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সংস্কারের প্রকৃত ভিত্তি ছিল আমাদের প্রণীত আইন: আসিফ নজরুল

একনেকের প্রথম বৈঠকে ১৯ প্রকল্পের মধ্যে ৮টি নিয়ে আলোচনা

লিবিয়ার সঙ্গে যৌথ ব্যবসায়িক ফোরাম চায় বাংলাদেশ

ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলে যে সম্পর্ক ছিল, সেই অধ্যায় শেষ

পাকিস্তানের পাঠানো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইরান

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ

নতুন স্পিন বোলিং কোচ রফিক কোথায় কাজ করবেন জানাল বিসিবি

তনু হত্যার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ ফের রিমান্ডে

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে যৌথভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে

জনগণের টাকার বিষয় মাথায় রেখে সতর্কভাবে প্রকল্প বিবেচনা করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

নবীনগরে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি নিয়ে সমালোচনার ঝড়

যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায়কে আদায় করেই ছাড়ব: জামায়াত আমির

শিক্ষকদের জন্য আলাদা একটা পে-স্কেল গঠনের পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী

মার্কিন কোম্পানি বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ লিজ নিতে চায় সরকার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান নিহত

অধ্যাদেশ বাতিলের চাপ রাজনৈতিক অঙ্গন থেকেই আসছে: টিআইবি

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল

এপস্টেইন ফাইলে নাম আসায় কড়া জবাব জিজি হাদিদের