ই-পেপার মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২
হাসিনার উদ্দেশ্যে প্রেস সচিব

‘দুঃখিত, আপা! এটাই শেষ!’

আমার বার্তা অনলাইন
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২২

গত আগস্টের শেষ দিকে, যখন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে জুলাই ও আগস্টের নৃশংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য আমন্ত্রণ জানান, তখন অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

কেউ কেউ মনে করিয়ে দিয়েছিলেন পুরোনো বাংলা প্রবাদ— ‘খাল কেটে কুমির আনার ব্যবস্থা হচ্ছে।’ অনেকে আশঙ্কা করেছিলেন, জাতিসংঘ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে এবং হয়তো এমন একটি আপসকামী প্রতিবেদন দেবে, যেমনটি আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে দেখা যায়। তবে অধ্যাপক ইউনূস তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব কথা বলেন।

পোস্টে শফিকুল আলম আরও লেখেন, ড. ইউনূস চেয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত। তার বিশ্বাস ছিল, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরই একমাত্র সংস্থা যারা এমন সত্য উদঘাটন করতে পারে। অবশ্য, বাংলাদেশে সবাই জানত জুলাই ও আগস্টে কী ঘটেছে, কারা হত্যার নির্দেশ দিয়েছে, পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, নিরাপত্তা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব ও কর্মীদের কী ভূমিকা ছিল। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন থাকাটা জরুরি ছিল। আর সেই সত্য যদি অপ্রিয় হয়, তাতেও আপত্তি নেই!

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, অবশেষে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হেনেছে। তার রাজনীতিতে ফেরার সামান্য সম্ভাবনাও এখন শেষ। যদি আওয়ামী লীগ এবং তাদের সেই বিশাল কর্মীবাহিনী, যারা জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞে জড়িত ছিল না, দলকে পুনর্জীবিত করতে চায়, তবে একমাত্র উপায় হলো— শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে প্রত্যাখ্যান করা এবং জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অন্য কোনো ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়নি।

‘১৯৯০ সালে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ যখন গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন, তখন তার বয়স ছিল ৫৯ বছর। তিনি ছিলেন এক দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসক। এরশাদ পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে কারাগারে পাঠায় এবং দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করে। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সরকারও একই নীতি অনুসরণ করে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এরশাদের জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের দলে টেনে নেয়, ফলে এরশাদকে কিছু তরুণ ও বিশ্বস্ত নেতাদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে সবাই জানত, এরশাদ রাজনীতিতে ফিরবেন। কারণ, তিনি দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি বিশাল ভোটব্যাংক ধরে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির ‘কিংমেকার’ হিসেবে রয়ে যান। তার এই দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাবের কারণ ছিল— আন্তর্জাতিক মহলে তার শাসনামল নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য তিনি তীব্র নিন্দার মুখে পড়েননি। তার শাসনামলে কয়েকটি উচ্চপ্রোফাইল হত্যাকাণ্ড ঘটলেও, কোনো তদন্ত প্রমাণ করেনি যে, তিনি নিজে এসব হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

পোস্টে আরও জানানো হয়, কিন্তু শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ এতটা সৌভাগ্যবান নয়! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রায় সব ঘটনাই নথিভুক্ত করেছে। তার ভোট কারচুপির কৌশল ছিল স্পষ্ট ও নির্লজ্জ। গুম, গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার- সবই বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে। তারপরও, সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পেতেন।

তার একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে যখনই বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ উঠেছে, পশ্চিমা দেশগুলো তাকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সমর্থন দিয়েছে, কারণ তিনি ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘সঠিক’ পক্ষে ছিলেন। এমনকি তার পতনের পরও, আওয়ামী লীগের প্রচারযন্ত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যম প্রমাণ করতে চেয়েছে যে জুলাইয়ের বিদ্রোহ ছিল মূলত ইসলামপন্থিদের দ্বারা সংগঠিত- যা মূলত ‘ওয়ার অন টেরর’-এর অংশ হিসেবে একটি প্রচার কৌশল।

কিন্তু জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন তার সকল প্রচেষ্টা ধ্বংস করে দিয়েছে! সর্বশেষ তিনি লেখেন, দুঃখিত, আপা! এটি শেষ!

মানিকগঞ্জের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে আনসার ও ভিডিপি

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত ২ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে আনীত শ্লীলতাহানির

হজের বিমান ভাড়া স্থানান্তর করেনি ৪২ এজেন্সি, ব্যাখ্যা চাইল মন্ত্রণালয়

হজযাত্রীদের নিবন্ধন ফি থেকে বিমান ভাড়া বাবদ নির্ধারিত অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিড এজেন্সির ব্যাংক

ভোটের ট্রেনে ২০৪৫ জন, আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাচ্ছেন অনেকেই

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নির্বাচনি এলাকায় এক হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

আমি নিশ্চিত তরুণ রাজনীতিকরা কেউ কেউ নির্বাচিত হবেন: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এ দেশের তরুণরা তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠন করেছে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মানিকগঞ্জের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে আনসার ও ভিডিপি

হজের বিমান ভাড়া স্থানান্তর করেনি ৪২ এজেন্সি, ব্যাখ্যা চাইল মন্ত্রণালয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বিপর্যয় ডেকে আনবে: কাতার

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়াই বিএনপির সিদ্ধান্ত: নজরুল ইসলাম

ভোটের ট্রেনে ২০৪৫ জন, আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাচ্ছেন অনেকেই

ঢাকায় নিজ বাসভবনে ওয়ার্ড জামায়াতের নেতাকে হত্যা

রাজউকে নকশা-নোটিশের আড়ালে দুর্নীতি: কোটি টাকার মিশনে ইমারত পরিদর্শক বিটু

বেকসুর খালাস পেলেন ইরাকে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক বাংলাদেশি

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা: ভারতের সেনাপ্রধান

আমি নিশ্চিত তরুণ রাজনীতিকরা কেউ কেউ নির্বাচিত হবেন: প্রধান উপদেষ্টা

আইপিএলে খেলা পেসারকে বিশ্বকাপের জন্য ভিসা দিচ্ছে না ভারত

বিয়ের আনন্দ নিমিষেই শেষ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস উল্টে কনের নানির মৃত্যু

দেশের প্রথম সরকারি ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার উদ্বোধন

গণভোটে ‘না’ জয়যুক্ত হলে ব্যর্থ হবে জুলাই অভ্যুত্থান: নাহিদ ইসলাম

ইরানে বিক্ষোভে ২০০০ মানুষ নিহত: ইরানের সরকারি কর্মকর্তা

নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও অর্থবহ হবে কিনা সন্দেহ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের

আগামীর সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

এক কোটি লিটার সয়াবিন ও ৪০ হাজার টন ইউরিয়া কিনবে সরকার

আফগানিস্তানের দায়িত্ব নিতে বিপিএল ছাড়লেন ঢাকার কোচ

বিদ্যমান ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার কাঠামো দুর্বল: তাসনিম জারা