ই-পেপার বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২
হাসিনার উদ্দেশ্যে প্রেস সচিব

‘দুঃখিত, আপা! এটাই শেষ!’

আমার বার্তা অনলাইন
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২২

গত আগস্টের শেষ দিকে, যখন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে জুলাই ও আগস্টের নৃশংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য আমন্ত্রণ জানান, তখন অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

কেউ কেউ মনে করিয়ে দিয়েছিলেন পুরোনো বাংলা প্রবাদ— ‘খাল কেটে কুমির আনার ব্যবস্থা হচ্ছে।’ অনেকে আশঙ্কা করেছিলেন, জাতিসংঘ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে এবং হয়তো এমন একটি আপসকামী প্রতিবেদন দেবে, যেমনটি আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে দেখা যায়। তবে অধ্যাপক ইউনূস তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব কথা বলেন।

পোস্টে শফিকুল আলম আরও লেখেন, ড. ইউনূস চেয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত। তার বিশ্বাস ছিল, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরই একমাত্র সংস্থা যারা এমন সত্য উদঘাটন করতে পারে। অবশ্য, বাংলাদেশে সবাই জানত জুলাই ও আগস্টে কী ঘটেছে, কারা হত্যার নির্দেশ দিয়েছে, পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, নিরাপত্তা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব ও কর্মীদের কী ভূমিকা ছিল। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন থাকাটা জরুরি ছিল। আর সেই সত্য যদি অপ্রিয় হয়, তাতেও আপত্তি নেই!

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, অবশেষে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হেনেছে। তার রাজনীতিতে ফেরার সামান্য সম্ভাবনাও এখন শেষ। যদি আওয়ামী লীগ এবং তাদের সেই বিশাল কর্মীবাহিনী, যারা জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞে জড়িত ছিল না, দলকে পুনর্জীবিত করতে চায়, তবে একমাত্র উপায় হলো— শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে প্রত্যাখ্যান করা এবং জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অন্য কোনো ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়নি।

‘১৯৯০ সালে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ যখন গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন, তখন তার বয়স ছিল ৫৯ বছর। তিনি ছিলেন এক দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসক। এরশাদ পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে কারাগারে পাঠায় এবং দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করে। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সরকারও একই নীতি অনুসরণ করে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এরশাদের জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের দলে টেনে নেয়, ফলে এরশাদকে কিছু তরুণ ও বিশ্বস্ত নেতাদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে সবাই জানত, এরশাদ রাজনীতিতে ফিরবেন। কারণ, তিনি দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি বিশাল ভোটব্যাংক ধরে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির ‘কিংমেকার’ হিসেবে রয়ে যান। তার এই দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাবের কারণ ছিল— আন্তর্জাতিক মহলে তার শাসনামল নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য তিনি তীব্র নিন্দার মুখে পড়েননি। তার শাসনামলে কয়েকটি উচ্চপ্রোফাইল হত্যাকাণ্ড ঘটলেও, কোনো তদন্ত প্রমাণ করেনি যে, তিনি নিজে এসব হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

পোস্টে আরও জানানো হয়, কিন্তু শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ এতটা সৌভাগ্যবান নয়! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রায় সব ঘটনাই নথিভুক্ত করেছে। তার ভোট কারচুপির কৌশল ছিল স্পষ্ট ও নির্লজ্জ। গুম, গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার- সবই বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে। তারপরও, সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পেতেন।

তার একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে যখনই বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ উঠেছে, পশ্চিমা দেশগুলো তাকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সমর্থন দিয়েছে, কারণ তিনি ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘সঠিক’ পক্ষে ছিলেন। এমনকি তার পতনের পরও, আওয়ামী লীগের প্রচারযন্ত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যম প্রমাণ করতে চেয়েছে যে জুলাইয়ের বিদ্রোহ ছিল মূলত ইসলামপন্থিদের দ্বারা সংগঠিত- যা মূলত ‘ওয়ার অন টেরর’-এর অংশ হিসেবে একটি প্রচার কৌশল।

কিন্তু জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন তার সকল প্রচেষ্টা ধ্বংস করে দিয়েছে! সর্বশেষ তিনি লেখেন, দুঃখিত, আপা! এটি শেষ!

নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭৫ শতাংশ সদস্যের প্রশিক্ষণ শেষ

নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ, আনসার ও কোস্টগার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৭৫ শতাংশ সদস্যের প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে শেষ

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি: স্বাগত জানালো আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ,

পাকিস্তান থেকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধানদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সংগ্রহের

৪৪তম বিসিএস কোটার সপক্ষে সনদপত্র জমাদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

৪৪তম বিসিএস পরীক্ষা–২০২১ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭৫ শতাংশ সদস্যের প্রশিক্ষণ শেষ

পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়াই শিক্ষকতার আসল সার্থকতা

কিছু দল বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে, প্রধানরা পাচ্ছেন ভিভিআইপি প্রটোকল

নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরা শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল কলাবাগানের বাসায়

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি: স্বাগত জানালো আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম

দরপত্র ছাড়াই ইউনিসেফের মাধ্যমে কেনা হচ্ছে ৬১০ কোটি টাকার টিকা

জকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৬৫ শতাংশ

পাকিস্তান থেকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

জুলাই আন্দোলনকে অবজ্ঞা করে বক্তব্য দেওয়া ধৃষ্টতা: চিফ প্রসিকিউটর

ঢাকা-১৭ আসনের নেতাদের কথা শুনলেন তারেক রহমান

একাধিক দলে পাকিস্তানি ক্রিকেটার, ভিসা দিচ্ছে না ভারত

৪৪তম বিসিএস কোটার সপক্ষে সনদপত্র জমাদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

খালেদা জিয়ার সিঙ্গাপুর সফ‌র স্মরণ করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালাকৃষ্ণান

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হাদিকে হত্যা, গুলি করেন ফয়সালই: ডিবিপ্রধান

রাশিয়ার তেল কিনলে ভারতকে উচ্চ শুল্কের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেট ছাড়া জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক পাঠায় না

সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়

জাতীয় পার্টির পুনর্বাসন চাই না: ইসিকে আসিফ মাহমুদ

ভারত থেকে ডিজেল আমদানি করবে সরকার

কাউন্সিলর বাপ্পির নির্দেশে হত্যা করা হয় ওসমান হাদিকে: ডিবি