ই-পেপার রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩৩
হাসিনার উদ্দেশ্যে প্রেস সচিব

‘দুঃখিত, আপা! এটাই শেষ!’

আমার বার্তা অনলাইন
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২২

গত আগস্টের শেষ দিকে, যখন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে জুলাই ও আগস্টের নৃশংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য আমন্ত্রণ জানান, তখন অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

কেউ কেউ মনে করিয়ে দিয়েছিলেন পুরোনো বাংলা প্রবাদ— ‘খাল কেটে কুমির আনার ব্যবস্থা হচ্ছে।’ অনেকে আশঙ্কা করেছিলেন, জাতিসংঘ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে এবং হয়তো এমন একটি আপসকামী প্রতিবেদন দেবে, যেমনটি আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে দেখা যায়। তবে অধ্যাপক ইউনূস তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব কথা বলেন।

পোস্টে শফিকুল আলম আরও লেখেন, ড. ইউনূস চেয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত। তার বিশ্বাস ছিল, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরই একমাত্র সংস্থা যারা এমন সত্য উদঘাটন করতে পারে। অবশ্য, বাংলাদেশে সবাই জানত জুলাই ও আগস্টে কী ঘটেছে, কারা হত্যার নির্দেশ দিয়েছে, পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, নিরাপত্তা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব ও কর্মীদের কী ভূমিকা ছিল। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন থাকাটা জরুরি ছিল। আর সেই সত্য যদি অপ্রিয় হয়, তাতেও আপত্তি নেই!

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, অবশেষে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হেনেছে। তার রাজনীতিতে ফেরার সামান্য সম্ভাবনাও এখন শেষ। যদি আওয়ামী লীগ এবং তাদের সেই বিশাল কর্মীবাহিনী, যারা জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞে জড়িত ছিল না, দলকে পুনর্জীবিত করতে চায়, তবে একমাত্র উপায় হলো— শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে প্রত্যাখ্যান করা এবং জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অন্য কোনো ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়নি।

‘১৯৯০ সালে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ যখন গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন, তখন তার বয়স ছিল ৫৯ বছর। তিনি ছিলেন এক দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসক। এরশাদ পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে কারাগারে পাঠায় এবং দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করে। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সরকারও একই নীতি অনুসরণ করে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এরশাদের জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের দলে টেনে নেয়, ফলে এরশাদকে কিছু তরুণ ও বিশ্বস্ত নেতাদের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে সবাই জানত, এরশাদ রাজনীতিতে ফিরবেন। কারণ, তিনি দেশের উত্তরাঞ্চলে একটি বিশাল ভোটব্যাংক ধরে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির ‘কিংমেকার’ হিসেবে রয়ে যান। তার এই দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাবের কারণ ছিল— আন্তর্জাতিক মহলে তার শাসনামল নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য তিনি তীব্র নিন্দার মুখে পড়েননি। তার শাসনামলে কয়েকটি উচ্চপ্রোফাইল হত্যাকাণ্ড ঘটলেও, কোনো তদন্ত প্রমাণ করেনি যে, তিনি নিজে এসব হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

পোস্টে আরও জানানো হয়, কিন্তু শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ এতটা সৌভাগ্যবান নয়! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তার মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রায় সব ঘটনাই নথিভুক্ত করেছে। তার ভোট কারচুপির কৌশল ছিল স্পষ্ট ও নির্লজ্জ। গুম, গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার- সবই বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে। তারপরও, সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পেতেন।

তার একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে যখনই বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ উঠেছে, পশ্চিমা দেশগুলো তাকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সমর্থন দিয়েছে, কারণ তিনি ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘সঠিক’ পক্ষে ছিলেন। এমনকি তার পতনের পরও, আওয়ামী লীগের প্রচারযন্ত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যম প্রমাণ করতে চেয়েছে যে জুলাইয়ের বিদ্রোহ ছিল মূলত ইসলামপন্থিদের দ্বারা সংগঠিত- যা মূলত ‘ওয়ার অন টেরর’-এর অংশ হিসেবে একটি প্রচার কৌশল।

কিন্তু জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন তার সকল প্রচেষ্টা ধ্বংস করে দিয়েছে! সর্বশেষ তিনি লেখেন, দুঃখিত, আপা! এটি শেষ!

সাংবাদিকের অধিকার বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের মালিককেও দায়িত্ব নিতে হবে

সাংবাদিকদের অধিকার প্রশ্নে সরকারের দায়িত্ব নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে গণমাধ্যমের মালিকরা দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে

‘গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ বাদ যাবে, এটা মিথ্যাচার’

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে সংবিধান

সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে অর্থায়ন বন্ধ: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার দায় আ.লীগের ওপর চাপাল অন্তর্বর্তী সরকার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যে কোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বললে জনগণের কোনো লাভ হবে না

সাংবাদিকের অধিকার বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের মালিককেও দায়িত্ব নিতে হবে

জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান

জামেয়া দারুল মা‌আরিফ আল ইসলামিয়ার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নতুন কমিটি গঠন

গতবারের চেয়েও এবার রোজায় পণ্যের দাম কম থাকবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

‘গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ বাদ যাবে, এটা মিথ্যাচার’

সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে অর্থায়ন বন্ধ: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

সিডনিকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন পার্থ স্কচার্স

বাংলাদেশের একাত্তরের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালির জীবনাবসান

মেধার মূল্যায়নই শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভিত্তি: শিক্ষা উপদেষ্টা

আ.লীগ ভোটে না থাকা মানে, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না: জিএম কাদের

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার দায় আ.লীগের ওপর চাপাল অন্তর্বর্তী সরকার

সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও লাভে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন

দিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে হতবাক ঢাকা

বাগেরহাটে শীতার্তদের মাঝে নাজিম উদ্দিন ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

হাসিনার আমলে নির্বাচন হয়নি বলেই বিপ্লব হয়েছে: বিচারপতি আবদুল মতিন

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল ২৫ হাজার কোটি টাকা

ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের আবেদন করা হয়নি: যশোর জেলা প্রশাসন

কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান হলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই শেষ হয়নি

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি আমার এলাকাকে শেষ করে দিয়েছে: মির্জা আব্বাস