ই-পেপার শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২

শপথ নিয়েও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়েছেন আনিসুল হক: চিফ প্রসিকিউটর

আমার বার্তা অনলাইন:
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৫৭

শপথ নিয়েও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রশ্রয় দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সূচনা বক্তব্যে সাবেক এই আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায় ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার প্রধান দুই আসামি হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এর মধ্যে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন সালমান। আর আইন রক্ষার শপথ নিয়েও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে আইনি ও নীতিগত প্রশ্রয় দিয়েছেন সাবেক এই আইনমন্ত্রী।

তদন্তে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী জুলাই আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন দমনের নীলনকশা প্রণয়ন করেন তারা। সরকারের শীর্ষ মহলের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে প্রাণঘাতী অস্ত্র, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা, হেলিকপ্টার থেকে গুলি বর্ষণসহ গ্রেপ্তার-নির্যাতনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞ ছিল পূর্বপরিকল্পিত, পদ্ধতিগত, লক্ষ্যভিত্তিক ও ব্যাপক মাত্রায় সংঘটিত। এটি ছিল রাষ্ট্রযন্ত্র, রাজনৈতিক দলীয় ক্যাডার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনিক কাঠামোর সমন্বয়ে পরিচালিত একটি অপরাধী নেটওয়ার্কের ফল। এই অপরাধের লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করা। এই অপরাধ কেবল কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়নি; এটি একটি জাতির স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা প্রমাণাদির মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে এসব প্রমাণ করবো।

তাজুল ইসলাম বলেন, রংপুরে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের পর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন করে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য প্রশাসনিকভাবে চাপ প্রয়োগ করেন আসামি সালমান এফ রহমান। বিশেষভাবে ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন আসামিদ্বয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গণভবনে বৈঠক হয়। এরপর সেনা মোতায়েনসহ দেশব্যাপী কারফিউ জারি করা হয়, যা হত্যাযজ্ঞকে আরও ত্বরান্বিত করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০ ও ২৮ জুলাই এবং ৪ ও ৫ আগস্টও হত্যাযজ্ঞ থামেনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হত্যাযজ্ঞের অংশ হিসেবে মিরপুরে সিফাত হাওলাদার, আখতারুজ্জামান, শাহরিয়ার আলভীসহ একের পর এক তরুণ প্রাণ হারান। শুধু ২০ জুলাই অন্তত ২০ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় ২৮ জন সাক্ষী উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে রয়েছেন– আহত ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী, স্বজন, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও তদন্ত কর্মকর্তা। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক দালিলিক ও প্রযুক্তিগত প্রমাণ, জব্দ তালিকা, আলামত, বিশেষজ্ঞ মতামত, বই এবং পদ্ধতিগত চরিত্রকে অকাট্যভাবে প্রমাণ করা হবে। তাই এই আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন শহীদদের আত্মা। আহতরা অপেক্ষা করছেন রাষ্ট্রীয় অপরাধের স্বীকৃতির। আর ট্রাইব্যুনালের ন্যায়বিচারের মাধ্যমে ইতিহাসের পাতায় সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা করছে গোটা জাতি।

আমার বার্তা/এমই

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গর্ভনর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে অপসারণ ও নতুন গভর্নর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে

শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা

৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

ঢাকা উত্তর, দক্ষিণসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে ছয়জন পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না তা
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘মানি গেম’: ইরানের সস্তা ড্রোন বনাম আমেরিকার দামি মিসাইল

বাগেরহাটে ব্যাংকের ভোল্ট থেকে অন্তত ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েবের অভিযোগ

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে বেবিচককে কঠোর নির্দেশ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর

‘হিরোশিমা’র চেয়েও শক্তিশালী পারমাণবিক বোমা ইরানে ছুড়বেন ট্রাম্প?

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণে যা থাকবে জানালেন তথ্যমন্ত্রী

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

প্রেমের টানে চীনের যুবক ঘাটাইল 

রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান

কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন লিনু, নিউজিল্যান্ড থেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ

দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ক্যাবের ১৩ দফা দাবি

রিকশাচালকদের মারামারি থামাতে গিয়ে যুবদল নেতা নিহত

ইরান বর্তমান পরিস্থিতি থেকে দ্রুত স্থিতিশীলতা অর্জন করবে: মামুনুল হক

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

আজারবাইজানে ইরানের ড্রোন হামলা, দুই বেসামরিক নাগরিক আহত

পোশাক খাতকে ‘ইনোভেশন নেশন’ রূপান্তরে বিজিএমইএ-বিবিএফের চুক্তি

ঈদ যাত্রায় সড়কে চাঁদাবাজি করার কোনো সুযোগ নেই: রবিউল আলম

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আগামী নির্বাচনে আরও অধিক নারী প্রার্থী দেখতে পারব: মতিউর রহমান