সংসদে বো’মা ফা’টালেন ফিরোজ রশীদ, বঙ্গবন্ধু হ’ত্যার পথ তৈরি করেছিলেন ইনু

0

সংসদে বো’মা ফা’টালেন ফিরোজ রশীদ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হ’ত্যার পেছনে এবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর দিকে ইঙ্গিত করলেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।

ধ’র্ষকদের শা’স্তি ক্র’সফায়ার দাবি করে সংসদে বক্তব্য দিয়েছিলেন কাজী ফিরোজ রশীদ। রোববার সেই বক্তব্যের সমালোচনা করেন হাসানুল হক ইনু। এর জবাব দিতে গিয়ে কাজী ফিরোজ রশীদ বলেছেন, আপনারা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কত লোক গু’লি করে মে’রেছিলেন?

হাজার হাজার ক’র্মীকে মে’রেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ ঘো’ষণা ক’রেছিলেন। থা’না, ফাঁ’ড়ি লু’ট করেছিলেন। সেদিন যদি আপনারা এগুলো না করতেন বঙ্গবন্ধুকে মা’রার দুঃসা’হস কেউ করত না। আপনারা বঙ্গবন্ধুকে মা’রার প’থ তৈরি করে দিয়েছিলেন।সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির

ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এভাবেই কড়া জবাব দেন ফিরোজ রশীদ। তিনি আরও বলেন, মুজিববর্ষে গ্রামবাংলার সকল রাস্তাঘাট, ব্রিজ, স্কুল-কলেজ মু’ক্তিযো’দ্ধাদের নামে করার দাবি জানিয়ে বলেন, এটা করলে আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে বঙ্গবন্ধুর ডাকে কারা সেদিন

মু’ক্তিযু’দ্ধে গিয়েছিল। ইতিহাস থেকে মু’ক্তিযো’দ্ধাদের নাম কেউ মু’ছে ফেলতে পারবে না। ফিরোজ রশীদ বলেন, সরকারের অনেক উন্নয়ন হয়েছে কিন্তু উন্নয়নের সফলতা ম্লা’ন হয়ে গেছে আর্থিক খাতে সীমাহীন অ’নিয়ম এবং দুর্নী’তিতে। সব থেকে বেশি দুর্নী’তি হচ্ছে ব্যাং’কিং খাতে। ব্যাংকিং খাতে একটা

হ’রিলুট হয়েছে। তিনি বলেন, পাহাড়সমান দুর্নী’তির অ’ভিযোগ প্র’শান্তের বি’রুদ্ধে। প্রশান্ত কুমার হালদার ৫ হাজার কোটি টাকা নিয়ে উ’ধাও হয়ে গেছেন। উনি এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি। এই রাজকুমারের এখানে ৩ হাজার কোটি টাকা পাওয়া গেছে। সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ থেকে পা’চার করা হয়েছে।কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, সুপ্রিমকোর্টের একজন বি’চারপতির নেতৃত্বে একটা উচ্চ পর্যায়ের কমিশন ব’সিয়ে তদ’ন্ত করে বের করা হোক এই সকল ভা’গ্যবান ব্যক্তি কারা? যারা জনগণের ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা নিয়ে গেছেন। নারী ও শিশু ধ’র্ষণের চিত্র’ তুলে ধরে

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, সারাদেশে শি’শু-না’রী-প্র’তিব’ন্ধী ধ’র্ষণের শি’কার হচ্ছে। বাসযাত্রীকে ধ’র্ষণ করে হ’ত্যা করা হচ্ছে। নি’ষ্পাপ শি’শুদের ধ’র্ষণ করে হ’ত্যা ক’রা হচ্ছে। প্রতিমাসে ৮৪ জন শিশু ধর্ষ’ণের শি’কার হচ্ছে। গত বছর ৫ হাজার ৪০০ নারী ও ৮০০ শি’শু ধ’র্ষণের শি’কার।

এর মধ্যে মা’রা গেছে ২ হাজার ৮০০ জন। কয়েকদিন আগে সংসদে ‘পয়েন্ট অব অর্ডারে’ দাঁড়িয়ে ধ’র্ষকদের শা’স্তি একমাত্র ক্র’সফা’য়ার ও গু’লি করে হ’ত্যার দা’বির প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে তিনি বলেন, সেদিন অত্যন্ত আবেগতাড়িত হয়ে ধ’র্ষকদের ও’পর গু’লি চা’লানোর কথা বলেছিলাম।

কিন্তু আমাদের এখান থেকেই একজন সংসদ সদস্য (হাসানুল হক ইনু) এটার বি’রাট ফিরিস্তি দিলেন। যে এইটা মহাপাপ। আমরা এখানে আলোচনা করতে পারি না। কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, আমি কি চাই? সব ধ’র্ষকের শা’স্তি নি’শ্চিত করতে একটা ক’ঠোর আ’ইন করতে হবে।

যাতে ধ’র্ষকদের ৯০ দিনের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব–্যনালে বি’চার করে স’র্বোচ্চ শা’স্তি দেয়া যায়। তা না হলে সাক্ষী নেই, শি’শুকে হ’ত্যা করা হচ্ছে কেউ সাক্ষী দিতে চায় না। ১ শতাংশ লোকেরও বি’চার হয় না। সাক্ষীর অ’ভাবে বি’চারের দী’র্ঘসূ’ত্রতা। এজন্য আমরা চাই একটা ত্বরিত ব্যবস্থা করতে,

আইন করতে। দুঃখ লাগে কিছু মানবাধিকার ক’র্মী বাইরে বলেছেন কেন সং’সদে গু’লির কথা বললাম। এ নিয়ে অনেক বা’হাস করেছেন, আমি ওইভাবে মিন করিনি। কিন্তু তারপর বলছি কঠো’র শা’স্তি হোক। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যেদিন নি’ষ্পাপ শিশু শেখ রা’সেলকে হ’ত্যা করল সেদিন কেউ একটা কথা বলেন নাই। সে তো শিশু ছিল, রাসেল সে তো রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল না, সেদিন কিন্তু মান’বাধিকার ক’র্মীরা কোনো কথা বলে নাই।

ইনুর নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার বন্ধু ইনু সাহেব এখানে কথা বলেছেন, কালকে তিনি কথা বলে চলে গেলেন। আমি তাকে পাল্টা প্রশ্ন করি আপনারা কত লোক মে’রেছিলেন গু’লি করে? আওয়ামী লী’গের, ছা’ত্রলীগের? হাজার হাজার ক’র্মীকে মেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ ঘো’ষণা করেছিলেন।

থা’না, ফাঁ’ড়ি লু’ট করেছিলেন। সেদিন যদি আপনারা এগুলো না করতেন বঙ্গবন্ধুকে মা’রার দুঃসা’হস কেউ ক’রত না। আপনারা মা’রার পথ র’চনা করে দিয়েছিলেন। আমি একটা কথা বলেছি সেটা আমার অ’শুদ্ধ হয়ে গেছে। উনি গু’লির বি’রুদ্ধে কথা বললেন। ওনারা যে কথা বলেন কা’ন্নাকাটি করেন ওনাদের ভাষা বুঝি।jugantor

Leave A Reply

Your email address will not be published.