আলুর খোসা হচ্ছে সাদা চুলের যম, ব্যবহার করবেন যেভাবে

0

মূলত সঠিক পুষ্টির অভাবেই কম বয়সেই চুল পেকে যায়। বিশেষ করে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, কপার, মিনারেল, জিঙ্ক ও আয়রনের অভাবে এ সমস্যাটি দেখা দেয়। আবার বংশগত কারণেও অনেকেরই কম বয়সেও অনেক চুল পেকে।তবে রাসায়নিক হেয়ারডাই ব্যবহার না করে একদম প্রাকৃতিক উপায়ে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আর এ কাজটি করার জন্য আপনার রান্নাঘরে একটি উপাদানই যথেষ্ট। তা হলো আলু। হ্যাঁ, রান্নার পর যে আলুর খোসা পরে থাকে, সেটা দিয়েই তৈরি হবে এই প্রাকৃতিক ‘ডাই’।

তৈরী করার উপাদান: ৫/৬টি বড় আলুর খোসা, সসপ্যান, ঝাঁঝরি, পুরনো শ্যাম্পুর বোতল, চুলে ডাই দেবার ব্রাশ, ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার এবং তোয়ালা।যা করতে হবে সসপ্যানের ভেতরে এক কাপ আলুর খোসা নিন। এতে যোগ করুন দুই কাপ পানি এবং সসপ্যান ঢেকে দিন। জ্বাল বাড়িয়ে দিয়ে পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে আলুর খোসাগুলো ২০-৩০ মিনিট রান্না হতে দিন। একটু নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে দিন।

ঠাণ্ডা হলে পানিটুকু ঝাঁঝরি দিয়ে একটু আলাদা করে ঢেলে নিন একটি বোলে। খোসা ফেলে দিন। এই পানিটুকু ঠাণ্ডা হলে একটা পুরনো, পরিষ্কার শ্যাম্পুর বোতলে ঢেলে নিন। এরপর ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনিং ও করে নিন।তারপর কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলে চুল ধুয়ে নিন আলুর খোসার ডাইটি দিয়ে। এটা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন না। চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর চুল শুকিয়ে ফেলুন। এইভাবে আলুর খোসার ডাই দিয়ে প্রতিদিন চুল ধোয়ার চেষ্টা করুন।

প্রতিদিন চুলে কন্ডিশনারও ব্যবহার করবেন কারণ পাকা চুল কিন্ত বেশি নাজুক হয়ে থাকে। তা করতে না পারলে সপ্তাহে অন্তত ২-৩দিন এই ডাই দিয়ে চুল ধুতে হবে।যদি আলুর গন্ধ বেশি বাজে লাগে তবে এক ফোঁটা সুগন্ধি এসেনশিয়াল অয়েল ও দিয়ে দিতে পারেন এর মাঝে। রাসায়নিক ডাইয়ের মতো একদিনে পাকা চুল দূর হবে না ঠিক। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ বা মাসখানেক নিয়মিত ব্যবহারে পাকা চুল আর কিন্ত দেখা যাবে না।

আপনাদের মা বাবা ভাই বোন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে এই পোস্টটি আপনার জন্যঢেঁড়শ (অন্য নাম ভেন্ডি) মালভেসি পরিবারের এক প্রকারের সপুষ্পক উদ্ভিদ (tree)। এটি তুলা, কোকো ও হিবিস্কাসের সাথে সম্পর্কিত। ঢেঁড়শ গাছের কাঁচা ফলকে সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। ঢেঁড়শের বৈজ্ঞানিক নাম Abelmoschus esculentus; অথবা Hibiscus esculentus L।

ঢেঁড়শ গাছ একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ, যা ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা (long) হয়।এর পাতা ১০-২০ সেমি দীর্ঘ এবং চওড়া। পাতায় ৫-৭টি অংশ থাকে। ফুল হয় ৪-৮ সেমি চওড়া, পাঁপড়ির রঙ সাদাটে হলুদ, ৫টি পাঁপড়ি থাকে। প্রতিটি পাঁপড়ির কেন্দ্রে লাল বা গোলাপী বিন্দু থাকে। ঢেঁড়শ ফল ক্যাপসুল আকারের, প্রায় ১৮ সেমি দীর্ঘ, এবং এর ভেতরে অসংখ্য বিচি থাকে।

ঢেড়শকে ইংরেজিতে বলা হয় ওকরা (Okra)। আমেরিকার বাইরের ইংরেজিভাষী স্থানে এটি লেডিজ ফিঙ্গার (Lady’s Fingers) নামেও পরিচিত ,। কোনো কোনো স্থানে, যেমন আমেরিকার কিছু অংশ এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এটি গাম্বো (gumbo) নামেও খ্যাত, যা এসেছে এর পর্তুগিজ নাম “quingombo,” থেকে, যার আদি উৎস হলো পূর্ব আফ্রিকীয় শব্দ “quillobo,”ওকরা নামটি পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এসেছে।[৩] আফ্রিকার বান্টু ভাষায় এটাকে বলা হয় কিঙ্গুম্বো। আরবি ভাষায় এর নাম বামিয়া । দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটিকে ভেন্ডি বা ভিন্ডি বলা হয়।Okra flower bud and immature seed pod

ঢেঁড়শের আদি নিবাস ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি এলাকায়। সেখান থেকে কীভাবে এটি অন্যত্র ছড়িয়ে যায়, তা জানা যায় না। মিশরীয় ও মূর জাতির বিভিন্ন রচনায় ১২শ ও ১৩শ শতকে আরবি ভাষায় ঢেঁড়শের কথা উল্লেখ রয়েছে। এতে ধারণা করা যায় যে, প্রাচ্য হতেই এটি সেখানে এসেছে।

সম্ভবত ইথিওপিয়া হতে লোহিত সাগর বা আরব উপদ্বীপের নিকটবর্তী বাব-আল-মান্দিব প্রণালী পেরিয়ে এটি আরবে ও পরে ইউরোপে যায়। ১২১৬ সালে এক স্পেনীয় মূর জাতির ব্যক্তির লেখায় এর উল্লেখ রয়েছে। মিশর ভ্রমণকালে এই মূর তার রচনায় উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যক্তিরা ঢেঁড়শের ফল আটার সাথে মিশিয়ে খেতো

আপনাদের মা, বাবা, ভাই,বোন, কারো ডায়াবেটিস যদি থাকে তাদের জন্য এই পরামর্শ। ৩/৪ দিন খালি পেটে খাবেন তিনটি ঢেঁড়স মাথা কেটে রাতে ১গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন সকালে খালি পেটে পানি টুকু খাবেন। তারপর ডায়াবেটিস মেপে দেখবেন।quickhealthtips

(Visited 195 times, 1 visits today)

Leave A Reply

Your email address will not be published.