প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
আউট সোর্সিং জনবল নিয়োগে পরিচালক তুহিনের ২৫ কোটি টাকার টার্গেট
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৫ | অনলাইন সংস্করণ
মোস্তফা সারোয়ার:

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে আউট সোর্সিং পদ্ধতিতে প্রতিটি উপজেলায় ১ জন করে এ আই টেকনিশিয়ান নিয়োগের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ৪৯৫ টি পদের অনুমোদন দিয়েছে। তদপ্রেক্ষিতে প্রকল্প পরিচালক মো: শাহজামান খান তুহিন কৃত্রিম প্রজনন জনবল সরবরাহ করার জন্য ঠিকাদার নিয়োগের পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। দরপত্র দলিলে এমন কিছু শর্ত প্রদান করেছেন যে, ৩/৪ টির বেশী কোন আউট সোর্সিং প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহন করতে পারবে না। কারণ পরিচালক মো: শাহজামান খান তুহিন বগুড়ার একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে আগেই চুক্তি করেছেন যে, ঐ প্রতিষ্ঠানকে তিনি কাজ দিবেন। এমন কি জনবল সিলেক্ট করবেন তিনি নিজে। সে প্রক্রিয়়ার অংশ হিসাবে ১ লা মার্চ ২০২৬ দেশের প্রত্যক উপজেলায় চিঠি দিয়েছেন ৩ জন করে অভিজ্ঞ এ আই টেকনিশিয়ানের তালিকা প্রদান করার জন্য।
উদ্দ্যোশ্য হলো ঠিকাদার নিয়োগের সাথে সাথে ঠিকাদারের কাজটা এগিয়ে রাখা এবং প্রার্থীদের নিকট হতে দরদাম ঠিক করে রাখা। যে কাজটি করার কথা ঠিকাদারের সে কাজটি হাজার হাজার টাকা খরচ করে করছেন পরিচালক মো: শাহজামান খান তুহিন ।
সুত্রমতে প্রাণিসস্পদ অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় ৫ হাজারের অধিক এ আই টেকনিশিয়ান রয়েছে এবং প্রত্যেকেই প্রশিক্ষিত। নিয়ম অনুযায়ী ঠিকাদার কর্তৃক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর এদের মধো হতে প্রায় সকলেই আবেদন করবেন। তখন বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করে তাদের বায়োডাটা সহ ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে পরিচালকের নিকট জমা দিবেন। কিন্তু সুচতুর কর্মকতা পরিচালক মো: শাহজামান খান তুহিন অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেই সে প্রক্রিয়়া শেষ করে রাখছেন।
সুত্রমতে রাজস্ব খাতের অধীনে সৃষ্ট আউট সোর্সিং এ নিয়োগযোগ্য পদ সমুহ মহাপরিচালকের দপ্তর হতে সম্পাদন করার কথা। যেমন পুর্বেও করা হয়েছিল । কিন্তু পরিচালক মো: শাহজামান খান তুহিন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে় নিজেই ঠিকাদার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সকল প্রক্রিয়়া চুড়ান্ত করার কাজ করছেন। যার একমাত্র লক্ষ্য ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার বাণিজ্য করা।
অধিদপ্তরের সকল পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের একই কথা দুর্নীতিবাজ এ পরিচালককে অবিলম্বে অন্যত্রে বদলী করে তার সকল অনিয়মের তদন্ত করা হোক এবং আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে এ আই টেকনিশিয়ান নিয়োগের কাজটি মহাপরিচালকের নিয়়ন্ত্রনে নিয়ে আসা হোক। এ ক্ষেত্রে তারা প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী,প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
আমার বার্তা/এমই
