চলতি সপ্তাহে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ!

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৯:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

ছবি- জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট গঠনের সভা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট নামে রাজনৈতিক জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মতবিনিময় সভায় ১৬ টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি অংশ নেন বলে জানা গেছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে হাওলাদার টাওয়ারে ওই মতবিনিময় সভা আহ্বান করে জাতীয় পার্টি (আনিস-হাওলাদার)। সভায় জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট নামে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক জোট গঠন করার লক্ষ্যে ঐক্যমত পোষণ করা হয়।

জোটের মুখপাত্র হিসেবে মনোনীত করা হয় জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে। এছাড়া জোট আত্মপ্রকাশের আগে জোটের অন্তর্ভুক্ত সকল দলের সিনিয়র নেতাদের সমন্বয়ে একটি লিয়াজো কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। সভায় অংশ নেন জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলন, মহাসচিব সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (মতিন) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এএনএম সিরাজুল ইসলাম, মহাসচিব জাফর আহমেদ জয়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি এডভোকেট মহসিন রশিদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আশরাফুল হক।

বাংলাদেশ ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওহেদ ফারুক, জাতীয় সংস্কার জোটের সভাপতি মেজর (অব.) আমীন আহমেদ আফসারী, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টির চেয়ারম্যান মো: আখতার হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির-জাগপার সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু, বাংলাদেশ সার্বজনীন দলের সভাপতি নূর মোহাম্মদ মনির , সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, পিচ অ্যালাইন্সের চেয়ারম্যান হাজী এস এম এ জলিল, ন্যাপ ভাসানীর মহাসচিব জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন, এসএম আশিক বিল্লাহ চেয়ারম্যান ডেমোক্রেটিক পার্টি ও গণতান্ত্রিক জোট বাংলাদেশ, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে এখন একটা ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। আমরা সকলে মনে করছি, আগামী ফেব্রুয়ারিতে দেশ নির্বাচনের দিকে যাবে। কিন্তু সকলের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করছে। তারপরও আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা দেশের জনগণের কাছে একটি তৃতীয় ধারার সুস্থ রাজনীতি উপহার দিতে চাই। দেশ আজ বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দুই ভাগে বিভক্ত। আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন অংশগ্রহণ করি, তাহলে আমাদের ভালো ফল করার সম্ভাবনা আছে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব জোটের মুখপাত্র এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ১৬টি রাজনৈতিক দলের নেতারা বৃহত্তর জোট গঠন করার লক্ষ্যে ঐক্যমত হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এ জোটের আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ হবে। আমরা আশা করি, যদি দেশে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ থাকে,তাহলে দেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণ করবো। তবে এখনো পর্যন্ত দেশে নির্বাচন আয়োজনের মত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি।


আমার বার্তা/এমই