আফ্রিকার বাজার ধরতে উদ্যোক্তাদের মনোযোগ বাড়ানোর আহ্বান

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোতে আমাদের উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ঔষধ, ফলমূল, সিরামিক প্রভৃতি পণ্যের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও মনোনিবেশ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, আফ্রিকা মহাদেশসহ সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উন্নয়নে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ ইতিবাচক ফলাফল আনতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে তার সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে দেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানান।

এ সময় তাসকীন আহমেদ এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানো এবং রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পাশাপাশি সহযোগিতামূলক অন্যান্য কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে, যা কাজে লাগাতে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট-ফার্মিং, তথ্য-প্রযুক্তিসহ কৃষি খাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থাপনা সহজীকরণের উপর জোর দেন তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগ) ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন উপস্থিত ছিলেন।


আমার বার্তা/এমই