জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ পায়নি ইইউ নির্বাচন মিশন
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:১৭ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৯টি সুপারিশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এরমধ্যে ছয়টি সুপারিশকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনে প্রার্থিতার অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন আগামীতে ঘটবে বলে প্রত্যাশা ইইউ’র।
একইসঙ্গে এয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ পায়নি বলেও জানায় ইইউ নির্বাচন মিশন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব সুপারিশ করেন ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের চোখে পড়েনি। যদি কোনো রাজনৈতিক দলের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর এমন বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে আসছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল। ফলাফল প্রাথমিক ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশ নিয়ে কোনো অস্বচ্ছতার অভিযোগ ছিল না।
ইভার্স আরও বলেন, প্রার্থীরা স্বচ্ছভাবে প্রচারণা চালাতে পেরেছেন। যে কোনো রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সংলাপের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। যখনই কোনো অভিযোগ এসেছে বা নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো সংকট তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সমাধান করা হয়েছে।
তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে আরও কাজ করতে হবে বলেও জানান ইভার্স ইজাবস।
গত বছরের শেষ দিক থেকে ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আসা ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন নিয়ে মিশনটি তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
আমার বার্তা/এমই
