পাহাড়ের দুর্গম ভোটকেন্দ্রগুলোতে হেলিকপ্টারে পৌঁছাল ব্যালট বাক্স

প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাঙামটির দুর্গম হেলিসর্টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ভোটের সরঞ্জাম ও ভোট গ্রহণের কর্মকর্তাদের হেলিকপ্টারযোগে পাঠানো শুরু হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে দুর্গম চারটি কেন্দ্রের জন্য হেলিকপ্টার করে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়। এই চারটি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে বরকল উপজেলায় দুটি কেন্দ্র, জুরাছড়ি উপজেলায় একটি কেন্দ্র এবং বিলাইছড়ি উপজেলায় একটি কেন্দ্র। জেলার হেলিসর্টি ২০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রথম ভাগে তিনটি উপজেলায় চারটি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানো হয়। 

রাঙামাটির রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, জেলার ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রের মধ্যে চারটি কেন্দ্রে আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে ব্যালটসহ ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। ৭ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার দিনে এই ২০টি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের পাঠানো হবে। নির্বাচনের দিন ভোটাররা পাহাড় ডিঙিয়ে কোনো রকমে এসব ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারলেও ভোটের কাজে নিয়োজিত লোকজনদের যেতে হয় কয়েকদিন আগে। এসব কেন্দ্রের বেশির ভাগই মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে, ফলে ফলও পেতেও বিলম্ব হয়।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রাঙামাটির দশ উপজেলার মধ্যে দুটি পৌরসভা ও ৫০টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪১০, নারী ভোটার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৫ এবং হিজরা ভোটার ২ জন। জেলার ২১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্র।

এসব দুর্গম কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজারের বেশি। দুর্গম ২০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় ৬টি, বরকল উপজেলায় ২টি, জুরাছড়ি উপজেলায় ৭টি এবং বিলাইছড়ি উপজেলায় ৫টি কেন্দ্র রয়েছে।

রাঙামাটি আসনে ২১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রকে লাল বা অতি গুরত্বপূর্ণ, ১৪৯টি কেন্দ্রকে হলুদ বা গুরুত্বপূর্ণ এবং বাকি ৪৪টি কেন্দ্রকে সবুজ বা সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভোটাররা যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৩ হাজারের বেশি সেনাবাহিনী, ৩৭ প্লাটুন বিজিবি, ১ হাজার ৫৯৭ পুলিশ ও ২ হাজার ৭৬৯ জন আনসার মাঠে রয়েছে।


আমার বার্তা /জেএইচ