নির্বাচন ও গণভোটের তথ্য মিলবে ৩৩৩-এ, প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় হেল্পলাইন

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য ও সহজপ্রাপ্য তথ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩। এখন থেকে নাগরিকরা ৩৩৩ নম্বরে কল করে আইভিআর (আইভিআর) মেনুতে ৯ চেপে নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারে এটুআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই নতুন সেবা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। এটুআই ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যৌথ উদ্যোগে ৩৩৩-এর এজেন্টদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে নাগরিকরা মূলত নিচের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ভোটার তালিকায় নিজের তথ্য ও ভোট প্রদানের নিয়ম। ভোটকেন্দ্রের অবস্থান এবং তা খুঁজে পাওয়ার উপায়। প্রার্থী ও সমর্থকদের জন্য নির্বাচনী আচরণবিধি। প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রদান প্রক্রিয়া। প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধা।

নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ ‘Postal Vote BD’ এবং ‘Smart Election Management BD’ সংক্রান্ত তথ্য। জরুরি অবস্থা বা বিশেষ নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর।

কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, নির্বাচন ও গণভোটের সময় নাগরিকদের জিজ্ঞাসা অত্যন্ত সময়নির্ভর ও সংবেদনশীল হয়। ভুল তথ্য নাগরিক আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তাই যাচাই করা উৎসের ভিত্তিতে নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য প্রদান নিশ্চিত করতে ইসি ও ৩৩৩ হেল্পলাইন সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) আব্দুর রফিক জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো সঠিক তথ্যপ্রবাহ। সঠিক তথ্য দ্রুত পৌঁছে দিতে না পারলে গুজব ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। ৩৩৩ প্ল্যাটফর্ম সেই বিভ্রান্তি দূর করে নাগরিকবান্ধব তথ্যসেবা নিশ্চিত করবে।

অনুষ্ঠানে এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক মো. রশিদুল মান্নাফ কবীর এজেন্টদের বাস্তবভিত্তিক প্রস্তুতি ও তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ইসির যুগ্মসচিব মো. আব্দুল হালিম খান এবং এটুআই-এর হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম নির্বাচন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নের সহজ ও সঠিক উত্তর প্রদানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়বে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


আমার বার্তা/এমই