মাজারের খাদেম হত্যা : ৫ জন খালাস, দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় ৫ আসামিকে খালাস ও দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া। 

হাইকোর্টে খালাস পাওয়া ৫ আসামি হলেন— জেএমবি সদস্য সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪),সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০), চান্দু মিয়া (২০)।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।

এর আগে ২০১৮ সালে রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছিল। রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী (৩৩), সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), লিটন মিয়া ওরফে রফিক (৩২), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০), চান্দু মিয়া (২০)।

খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— জেএমবির সদস্য আবু সাঈদ (৩০), তৌফিকুল ইসলাম সবুজ (৩৫), সাদাত ওরফে রতন মিয়া (২৩), জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব গান্ধী (২৬), বাবুল আখতার ওরফে বাবুল মাস্টার (৩৫) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।

১৩ আসামির মধ্যে দুজন পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন চান্দু মিয়া (২০) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার সময় রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর তার ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।