আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস

বর্তমানে বিশ্বে ১০ কোটি শরণার্থী

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৩, ০৯:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আজ ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৭৭ জনের মধ্যে একজন শরণার্থী, যা ইতোমধ্যে ১০ কোটি ছাড়িয়েছে। গবেষকরা বলছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় নিজ দেশে ফিরতে চায় না এসব মানুষ। এমন প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।

উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের অধিকার, তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা, নিপীড়ন, অত্যাচার ও দুর্দশার কাহিনি স্মরণে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি পালন করা হয়। বাংলাদেশেও দিবসটি নানা আঙ্গিকে পালন করা হয়।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৭৭ জনের একজন শরণার্থী। প্রতি বছর শরণার্থীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বে শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি।

বিশ্বব্যাপী দিন দিন শরণার্থীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে সংস্থাটি যুদ্ধ, সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, চরমপন্থা, দারিদ্র্য, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, খাদ্য সংকটসহ বিভিন্নি ইস্যুকে চিহ্নিত করেছে।

ইউএনএইচসিআর আরো বলছে, চলমান, যুদ্ধ, সংঘাত, জলবায়ু সংকটে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে।

২০২৩ সালে বিশ্বে উদ্বাস্তু বা শরণার্থীর সংখ্যা ৮ কোটি ৯৩ লাখ, যা ভবিষ্যতে আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্বাস্তুদের মধ্যে ২ কোটি ৭১ লাখ  শরণার্থী। বাকিদের কেউ রাষ্ট্রহীন, কেউ আশ্রয়প্রার্থী, কেউ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ। আর এই অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। শরণার্থীদের মধ্যে সিরিয়া ২৭ শতাংশ, ভেনিজুয়েলা ১৮ শতাংশ, আফগানিস্তান ১১ শতাংশ, দক্ষিণ সুদান ৯ শতাংশ এবং মিয়ানমার থেকে ৫ শতাংশ থেকে আগত। এছাড়া ৩০ শতাংশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে আগত শরণার্থী।

প্রসঙ্গত ২০১৭ সাল থেকে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রোহিঙ্গা। দেশটিতে সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও গণহত্যা থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

এর আগে আরও প্রায় ৪ লাখ রোহিঙ্গা এসেছে। সরকারি হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ।

এবি/আরআই