শিক্ষাব্যবস্থাকে এক সুতোয় আনতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাউশি ডিজি

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১০:৫০ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, দেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মাদ্রাসা, সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষার মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। কারিকুলাম, শিক্ষাদান পদ্ধতি, সিলেবাস ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার সমমান বজায় রেখে সমন্বিত শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে এবং এক সুতোয় আনতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যের আগে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

মাউশি ডিজি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে অর্জন ও উৎকর্ষ ভবিষ্যতের উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করবে। সরকার গুণগত ও সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাকে পৃথকভাবে না দেখে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে কারিকুলাম সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয় ভালোভাবে এগোচ্ছে। আগামী দিনে মাদ্রাসা শিক্ষার স্তরে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে। শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলাদা হলেও লক্ষ্য একটিই। সিটি হচ্ছে শিক্ষার উন্নয়ন। মাদ্রাসা, মাধ্যমিক কিংবা কারিগরিসহ যে স্তরেই কাজ করা হোক না কেন, সবাই একই শিক্ষা পরিবারের অংশ হিসেবে কাজ করছে।

মাউশি মহাপরিচালক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারের ৫১টি অঙ্গীকারের মধ্যে ৪৩টি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে ২৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১৮০টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।  

তিনি আরও বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই প্রত্যাশিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই চিন্তা ও অঙ্গীকার নিয়ে শিক্ষা খাতকে এগিয়ে নিতে হবে৷ 

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহীনুল ইসলাম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।



আমার বার্তা /জেএইচ