ঢাকা দক্ষিণে ডিজিটালাইজেশন: অটোরিকশা, হকার ও বাজার ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ছোঁয়া

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ১৭:৩২ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

ডিজিটাল অটোরিকশা পাস, হকার পাস, টি-স্টল পাস ও বাজার ব্যবস্থাপনা চালু; মেয়রের নির্দেশনায় শিগগিরই ‘নাগরিক ভাবনা’ অনুষ্ঠান

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন রাজধানীর নগর ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করার উদ্দেশ্যে চারটি নতুন ডিজিটাল প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম সভাপতিত্বে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, প্রায় ছয় লক্ষ অটোরিকশা, হকার, চায়ের দোকান এবং ৮৬টি বাজারকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা হবে।

রাজধানীর নগর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন–এর সভাকক্ষে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাননীয় প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম।

সভায় আলোচিত চারটি প্রকল্প হলো— ডিজিটাল অটোরিকশা পাস, ডিজিটাল হকার পাস, ডিজিটাল টি-স্টল পাস এবং ডিজিটাল বাজার ব্যবস্থা। অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কাঠামো, অংশীদারিত্ব ও সম্ভাব্য কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।
আলোচনার শেষে প্রশাসক সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে প্রকল্পটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে অনুমোদনের নির্দেশ দেন। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সকল অটোরিকশা, হকার, চায়ের দোকান এবং আনুমানিক ৮৬টি বাজার ধাপে ধাপে ডিজিটালাইজ করা হবে।

•    প্রায় ছয় লক্ষ অটোরিকশা ডিজিটাল পাসের আওতায় আনা হবে।
•    হকারদের জন্য ডিজিটাল হকার পাসের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ, স্বাস্থ্যসেবা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সুযোগ।
•    চা-স্টল ও বাজার ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল নিবন্ধন এবং স্বল্পমূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত।

আর কে রিপন, ফাউন্ডার ও সিইও, প্রতিবেশী প্ল্যাটফর্ম ও এগ্রো চেইন বাংলাদেশ বলেন, “ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে অটোরিকশা চালক, হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হবে। এতে তাদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং নগর অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনায়, সরকারের সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে শিগগিরই “নাগরিক ভাবনা” নামে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিস্তারিত উপস্থাপনা, মতবিনিময় এবং নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের মতামত গ্রহণ করা হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম, একান্ত সচিব মোঃ রাসেল রহমান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোঃ মোবাশ্বের হাসান, সিস্টেম অ্যানালিস্ট মোঃ আবু তৈয়ব রোকন এবং স্থপতি ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কো-ফাউন্ডার মোঃ গিয়াস উদ্দিন, লিগ্যাল এডভাইজার মোঃ মাইদুল ইসলাম পলক এবং মার্কেটিং প্রধান মোঃ আব্দুল মান্নান।


আমার বার্তা/এমই